সাবেক সংসদ সদস্য রানার জামিন স্থগিত

আদালত প্রতিবেদক ।

সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করেছে চেম্বার আদালত। রাষ্টপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

বুধবার হাইকোর্ট তাকে স্থায়ী জামিন দেন। ওই জামিন স্থগিতের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আগামী পহেলা জুলাই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে।

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় ১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সাবেক এমপি রানার জামিন বহাল রাখেন। এখন এ রায়ের ফলে কারাগার থেকে রানার মুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী রুশো মোস্তাফা। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এ জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানা গেছে।

আমানুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট রুশো মোস্তাফা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। পরদিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এক বছর পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে। ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়া শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ, শাহাদত হোসেন ও হিরণ মিয়া হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে তারা সাংসদ আমানুরের দিকনির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

বুধবার হাইকোর্ট তাকে স্থায়ী জামিন দেন। ওই জামিন স্থগিতের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আগামী পহেলা জুলাই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে।

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় ১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সাবেক এমপি রানার জামিন বহাল রাখেন। এখন এ রায়ের ফলে কারাগার থেকে রানার মুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী রুশো মোস্তাফা। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এ জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানা গেছে।

আমানুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট রুশো মোস্তাফা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। পরদিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এক বছর পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে। ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়া শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ, শাহাদত হোসেন ও হিরণ মিয়া হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে তারা সাংসদ আমানুরের দিকনির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *