বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নাই : ড. কামাল হোসেন

বিশেষ প্রতিবেদক ।

স্বৈরাতন্ত্র অনেকবার এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চেষ্টা করেছে। এদেশে চিরস্থায়ী হতে। কেউ কিন্তু পারে নাই। বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নাই বলে মন্তব্য গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর প্রয়াণে এক নাগরিক শোক সভায় তিনি এ বলেন।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

স্বৈরাতন্ত্র অনেকবার এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চেষ্টা করেছে। এদেশে চিরস্থায়ী হতে। কেউ কিন্তু পারে নাই। বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নাই বলে মন্তব্য গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর প্রয়াণে এক নাগরিক শোক সভায় তিনি এ বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘এখন আমরা গণতন্ত্রের কথা বলি, কিন্তু স্বৈরতন্ত্রের আলামত চারদিকে। নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এখানে উপস্থিতি সবাইকে ঐক্যের পক্ষে। উচিত কথা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে কেন্দ্র করে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। স্বৈরতন্ত্র অনেকবার চেষ্টা করেছে এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে, চিরস্থায়ী হতে। কেউ কিন্তু পারেনি। আমি হান্ডেট পার্সেন্ট গ্যারান্টি দিতে পারি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নাই।’

এ ছাড়াও মাহফুজ উল্লাহকে নিয়ে ড. কামাল বলেন, ‘আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতা করি তখন থেকে তাকে (মাহফুজ উল্লাহ) চিনি। আজকে আমি মোটেও নিরাশ নই। কারণ মাহফুজ উল্লাহকে শ্রদ্ধা জানাতে সব মহলের লোক এখানে একত্রিত হয়েছে। তাকে সম্মান জানাচ্ছেন কেন, কারণে ঝুঁকি নিয়েছিলেন, সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। যখন উচিত কথা বলার ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তখন তিনি উচিত কথা বলেছিলেন।’

। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর প্রয়াণে এক নাগরিক শোক সভায় তিনি এ বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘এখন আমরা গণতন্ত্রের কথা বলি, কিন্তু স্বৈরতন্ত্রের আলামত চারদিকে। নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এখানে উপস্থিতি সবাইকে ঐক্যের পক্ষে। উচিত কথা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে কেন্দ্র করে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। স্বৈরতন্ত্র অনেকবার চেষ্টা করেছে এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে, চিরস্থায়ী হতে। কেউ কিন্তু পারেনি। আমি হান্ডেট পার্সেন্ট গ্যারান্টি দিতে পারি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নাই।’

এ ছাড়াও মাহফুজ উল্লাহকে নিয়ে ড. কামাল বলেন, ‘আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতা করি তখন থেকে তাকে (মাহফুজ উল্লাহ) চিনি। আজকে আমি মোটেও নিরাশ নই। কারণ মাহফুজ উল্লাহকে শ্রদ্ধা জানাতে সব মহলের লোক এখানে একত্রিত হয়েছে। তাকে সম্মান জানাচ্ছেন কেন, কারণে ঝুঁকি নিয়েছিলেন, সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। যখন উচিত কথা বলার ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তখন তিনি উচিত কথা বলেছিলেন।’খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *