রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যশোর বোর্ডের এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত জুমা’র দিনে গোসল ও সুগন্ধির ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি ইলিশ মাছের গড় আয়ু কত? নবজাতক শিশুর যত্নে, জন্মের পর করনীয় চুল এবং ত্বকের যত্নে থাকুক টক দই লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাবার লাশ উঠানে, রুমাল হাতে ছেলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুমধুম সীমান্তে আবারও গোলাগুলির শব্দ পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন মানিক সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান গুয়েতেমালায় কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৯, আহত ২০ কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন ৩ আসামি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি করোনায় আক্রান্ত সিইসি হাবিবুল আউয়াল বেনাপোল সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ সরকার সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী : সেতুমন্ত্রী রাঙ্গাকে অব্যাহতির কারণ জানালেন জাপা মহাসচিব নড়াইলে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় দেয়া হলো দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন! সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী
Uncategorized

সেই আরজু ও আজিবর বন্দুকযুদ্ধে নিহত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৫
  • ৪৩ দেখা হয়েছে

1439919513
হাজারীবাগে চোর সন্দেহে কিশোর রাজা মিয়াকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার মূল আসামি আরজু মিয়া (২৮) র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এদিকে, মাগুরায় গর্ভের সন্তানসহ মা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার ৩ নম্বর আসামি আজিবর শেখ (৩৫) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর হাজারীবাগের বেড়ী বাঁধের কাছে বাড়ুইবাড়ি এলাকায় আরজু ও সোমবার রাতে মাগুরার দোয়ারপাড় এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে আজিবর নিহত হন।

হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আরজু নিহত হওয়ার ঘটনায় র্যাব-২-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাসুদ রানা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, গত সোমবার সকালে মোবাইল চুরির ?অভিযোগে একই এলাকার রাজা নামে এক কিশোরকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতা আরজু। এ ঘটনায় রাজার বোন রেশমা আক্তার শাবানা বাদী হয়ে হাজারীবাগ থানায় আরজুকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর র্যাব-২ এ বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে। রাত সাড়ে ১১টায় হাজারীবাগ এলাকা থেকে আরজুকে আটক করে র্যাব। পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্য আসামিদের ধরতে হাজারীবাগের বেড়ী বাঁধের কাছে বাড়ুইবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আরজুর সহযোগীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

মাসুদ রানা বলেন, আত্মরক্ষার জন্য র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও আরজুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে আরজুকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে ৫টায় কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান লে. কর্নেল মাসুদ রানা। তিনি আরো জানান, এসময় ঘটনাস্থল থেকে র্যাব সদস্যরা দুইটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করেছে।

গত রবিবার রাতে আরজুর গণকটুলী লেইনের ৪৫/১/এ নম্বর বাসা থেকে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ চুরি হয়। চুরির অভিযোগে আরজু সোমবার সকালে ওই এলাকার বাবুল মিয়ার ছোট ছেলে রাজাকে বাসায় ডেকে নিয়ে আসে। পরে আরজুসহ তার সহযোগীরা রাজাকে বেলা ১১টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বেঁধে মারধর করে। বিকালে মুমূর্ষু রাজাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুকযুদ্ধে নিহত আরজু মিয়া এলাকার লাল মিয়ার ছেলে। গতকাল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আরজুর ভাই ও বোন লাশ গ্রহণ করেছে।

এদিকে, মেহেদী হাসান আজিবর ওরফে আজিবর শেখ গত সোমবার গভীর রাতে মাগুরার দোয়ারপাড় এলাকায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি এলজি ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। এসময় ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

আজিবর শহরের দোয়ারপাড় এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে। গতকাল দুপুরে মাগুরা সদর হাসপাতাল মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মাগুরা পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, সোমবার রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে পুলিশের একটি টহল দল মাগুরার দোয়ারপাড় এলাকায় গেলে জটলা দেখতে পায়। সেখান থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। কিছু সময় পর ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মেহেদী হাসান আজিবর নামে একজনের লাশ পাওয়া যায়।

২৩ জুলাই শহরের দোয়ারপাড় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিতে নিহত হন আব্দুল মমিন ভুঁইয়া নামে একজন। গর্ভের সন্তানসহ গুলিবিদ্ধ হন নাজমা বেগম নামে এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় নিহত আব্দুল মমিনের পুত্র রুবেল মিয়া বাদী হয়ে ২৬ জুলাই মাগুরা সদর থানায় ১৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার ১৬ আসামির মধ্যে ডিবি ৮ আসামিকে গ্রেফতার করতে পেরেছে। নবজাতক সুরাইয়া ও মা নাজমা বেগম বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
রি-ডিজাইনঃ Cumilla IT Institute
themesba-lates1749691102