বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যশোর বোর্ডের এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত জুমা’র দিনে গোসল ও সুগন্ধির ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি ইলিশ মাছের গড় আয়ু কত? নবজাতক শিশুর যত্নে, জন্মের পর করনীয় চুল এবং ত্বকের যত্নে থাকুক টক দই লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাবার লাশ উঠানে, রুমাল হাতে ছেলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুমধুম সীমান্তে আবারও গোলাগুলির শব্দ পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন মানিক সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান গুয়েতেমালায় কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৯, আহত ২০ কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন ৩ আসামি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি করোনায় আক্রান্ত সিইসি হাবিবুল আউয়াল বেনাপোল সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ সরকার সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী : সেতুমন্ত্রী রাঙ্গাকে অব্যাহতির কারণ জানালেন জাপা মহাসচিব নড়াইলে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় দেয়া হলো দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন! সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী
Uncategorized

আমের সরবরাহ প্রচুর দামও কম খুশি ক্রেতা বিক্রেতা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫
  • ২৭ দেখা হয়েছে

666
জুন-জুলাই মাসের তীব্র দাবদাহে প্রাণ জুড়াতে যার জুড়ি মেলা ভার সেই মধুমাসের মধুফল আমের ব্যাপক সরবরাহ ও অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের কারণে বেচাকেনায় খুশি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই। বাজারে যেমন বেড়েই চলেছে আমের সরবরাহ তেমনি রাজধানীবাসীর মাঝেও আম কেনায় রীতিমতো সাড়া পড়ে গেছে। তবে প্রথম দিকে ফরমালিন এবং কার্বাইড দেয়া আমের ভয় থাকলেও ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সচেতনতার কারণে এবার ভরা মৌসুমে কমেছে বিষাক্ত এসব পদার্থের ব্যবহার। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গতবার এবং এবার প্রশাসন যথেষ্ট সতর্ক থাকার কারণে এবং সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে ফরমালিন ও কার্বাইড দেয়া আম নিয়ে ভীতি থাকায় সচেতনতা সৃষ্টি হওয়ায় এসব বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার থেকে বিরত ছিলেন ব্যবসায়ীদের অনেকেই। এছাড়াও আমের ফলন ভালো হওয়ায় দিনদিন বাড়ছে এর সরবরাহ। ফলে কমেছে আমের কেজিপ্রতি মূল্যও। আর এই দুইয়ের সংমিশ্রণে সাধারণ ক্রেতারা নির্ভয়ে এবং নিজেদের ইচ্ছেমাফিক কিনছেন দেশের সেরা ফল আম।

আমের বাজার ঘুরেও এর সত্যতা দেখা গেছে। রাজধানীতে আমের অন্যতম বাজারগুলোর একটি কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, সেখানে আম কেনাবেচায় ধুম পড়ে গেছে। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বিক্রেতারা যেমন ঝাকা ভরে আম কিনছেন তেমনি সাধারণ ক্রেতাদের অনেকেই দেদারসে আম কিনে বাজার ছাড়ছেন। কারওয়ান বাজারের আমের পাইকারি বিক্রেতা মো. হোসেন দৈনিক জনতাকে বলেন, ফরমালিন বর্তমানে কিঞ্চিৎ পরিমাণও দেয়া হয় না। প্রশাসন, সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সংস্থার মতো ব্যবসায়ীরাও এখন সচেতন হয়ে গেছে। তিনি একটি কাটা আম দেখিয়ে বলেন, আমে ফরমালিন দেয়া হলে সাধারণত সেই আমে মাছি বসে না। দেখুন এই আমটায় মাছি এসে বসে পড়ছে। একই রকম ভাষ্য ছিল একই বাজারের আরেক পাইকারি বিক্রেতা মিজানুর রহমানেরও। তিনি বলেন, আমের বেচাকেনা দেখলেই বোঝা যাবে যে এবার আমের ফলন কতটা ভালো হয়েছে। রাজধানীর মানুষ এবার প্রচুর আম কিনছেন। ফরমালিন কিংবা কার্বাইড মেশানো আম এবার খুব কম, নেই বললেই চলে। ফলে আগের মতো আম কেনায় আর ভয় নেই।

রাজধানীর উত্তর বাড্ডা ফলের বাজারের ব্যবসায়ী জয়নাল জনতাকে বলেন, এবার আমের বেচাকেনা খুব ভালো। দামও অনেক কম। গতবারও এমন সময়ে আমের দাম পড়ে গিয়েছিল। এবার আরো কমেছে। তিনি বলেন, গত মৌসুমে যেকোনো ধরনের আমের সর্বনিম্ন কেজিপ্রতি মূল্য ছিল ৪৫-৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৭০-৭৫ টাকা। এবার সর্বনিম্ন কেজিপ্রতি মূল্য ৪০-৪৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল্য ৬৫-৭০ টাকা। আমের সরবরাহও প্রচুর। বাগান মালিকরাও যেমন কম মূল্যে আম বিক্রি করছেন তেমনি পাইকারি ব্যবাসায়ীরাও অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে আম বিক্রি করছেন। আর তাই কম দামে খুচরা বিক্রেতাদের আম বিক্রিতে তেমন সমস্য হচ্ছে না। তবে তিনি জানান, শেষ দিকে আমের দাম এমন থাকবে না। তখন আমের কেজিপ্রতি মূল্য হবে ৮০-৯০ টাকা, এমনকি ১০০ টাকাও।

আমের বাজারে বিভিন্ন আমের মধ্যে ল্যাংড়ার পাইকারি মূল্য কেজিপ্রতি ৪০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৫০-৫৫ টাকা, আম্র পানির পাইকারি মূল্য ৩০ টাকা, খুচরা মূল্য ৫০-৬০ টাকা, হিমাসাগরের পাইকারি দাম ৪০ টাকা, খুচরা ৬০ টাকা, ধুতির মূল্য পাইকারি ২৫-৩০ টাকা, খুচরা ৪০ টাকা এবং চোষার পাইকারি দর ৫০ টাকা, খুচরা ৬০-৭০ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজার থেকে যে দামে তারা আম কিনছেন এর সঙ্গে আড়তের চার্জ ২ টাকা এবং পরিবহণ খরচ হিসেবে আরো ৪-৫ টাকা যুক্ত হয়ে সর্বমোট ১০ টাকা বেশি পাইকারি মূল্যতে যোগ হয়।

উত্তর বাড্ডা বাজারে আম কিনতে আসা ক্রেতা নাজমুল আলম দৈনিক জনতাকে বলেন, এবার আমের মূল্য অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক কম। প্রথম দিকে ফরমালিন ও কার্বাইডের ভয় থাকলেও প্রশাসনের তড়িৎ পদক্ষেপের কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরাও বাধ্য হয়ে এখন এসব বিষাক্ত পদার্থ মেশানো থেকে সম্ভবত বিরত রয়েছেন। যার কারণে আমাদের মতো জনসাধারণ প্রচুর আম কিনছেন। তিনি জানান, আমের কম মূল্য নিয়ে প্রথমে আমার ভেতরেও আম কেনায় কিছুটা অনীহা ছিল। তাই গ্রাম থেকে একদম আমের বাগানে লোক পাঠিয়ে আম কিনে আনি। সেখানে যে দামে আম কিনেছিলাম পাইকারি বাজারেও প্রায় একই দামে আম পেয়েছি। মানও খারাপ না। তাই পরে আর বাজার থেকে আম কিনতে দ্বিধাবোধ করছি না।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
রি-ডিজাইনঃ Cumilla IT Institute
themesba-lates1749691102