শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যশোর বোর্ডের এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত জুমা’র দিনে গোসল ও সুগন্ধির ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি ইলিশ মাছের গড় আয়ু কত? নবজাতক শিশুর যত্নে, জন্মের পর করনীয় চুল এবং ত্বকের যত্নে থাকুক টক দই লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাবার লাশ উঠানে, রুমাল হাতে ছেলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুমধুম সীমান্তে আবারও গোলাগুলির শব্দ পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন মানিক সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান গুয়েতেমালায় কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৯, আহত ২০ কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন ৩ আসামি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি করোনায় আক্রান্ত সিইসি হাবিবুল আউয়াল বেনাপোল সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ সরকার সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী : সেতুমন্ত্রী রাঙ্গাকে অব্যাহতির কারণ জানালেন জাপা মহাসচিব নড়াইলে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় দেয়া হলো দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন! সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী
Uncategorized

বাংলাদেশে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মানে দৃষ্টি ভারতের

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০১৫
  • ৮৭ দেখা হয়েছে

85677_pairaseaport
ইরানে চাবাহার বন্দর নির্মানের পর এবার বাংলাদেশের পায়রা বন্দর নির্মানে আগ্রহী হয়ে উঠেছে ভারত সরকার। এ অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব রুখতে বিদেশে বন্দর নির্মান করাকে কৌশল হিসেবে নিয়েছে দেশটি। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় পত্রিকা দ্য হিন্দু। খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলায় নির্মিত হবে পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর। প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান এইচআর ওয়ালিংফোর্ড বন্দর নির্মানের জন্য মাস্টারপ্ল্যান প্রস্তুতের দায়িত্ব পেয়েছে। ভারতের শিপিং মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর শেষে পায়রা বন্দর নির্মানে মন্ত্রণালয়ে প্রাথমিক গবেষণা শুরু হয়েছে। সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের দিকে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বন্দর নির্মানের জরিপের তথ্য ও প্রযুক্তিগত গবেষণা জমা দিতে পারেন। তবে ওই কর্মকর্তা জানান, এ বন্দর নির্মানের সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিক কারণে নেয়া হয়নি। বরং কৌশলগত কারণেই নেয়া হয়েছে। পায়রায় বড় জাহাজের জন্য গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মানের একটি সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু আশেপাশের নদীর পলি একটি চিন্তার কারণ। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর থাকলেও, চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর ভার পড়ে বেশি। আবার মংলা বন্দরের সমস্যা হলো, পর্যাপ্ত সড়ক ও রেল যোগাযোগের অভাব। এর ফলে এ সকল সীমাবদ্ধতার সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে পায়রাকে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ নতুন কোনো বন্দর নির্মান করেনি। তাই এবার বন্দর নির্মানে ব্যাপক আগ্রহী বাংলাদেশ। কেননা, রপ্তানিমুখী গার্মেন্টশিল্পের সম্ভাবনা কেবলই বাড়ছে। এ বন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের জন্যও মালামাল পরিবহণ করা যাবে বলে মনে করছে ভারত।
ওই কর্মকর্তার মতে, ভারতের আগের সরকারগুলো এ ধরণের সম্ভাবনা হেলায় ফেলে দিয়েছিল। ছিল না কোনো কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা। মালাওয়ি সহ বেশ কয়েকটি পূর্ব আফ্রিকান দেশ পূর্বের ইউপিএ সরকারকে তাদের নিজ দেশে বন্দর নির্মানের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সে সুযোগ নেয়নি ইউপিএ সরকার। কিন্তু মোদি সরকার পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে বন্দর নির্মানকে অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। এ জন্য সেপ্টেম্বরে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
রি-ডিজাইনঃ Cumilla IT Institute
themesba-lates1749691102