শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যশোর বোর্ডের এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত জুমা’র দিনে গোসল ও সুগন্ধির ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি ইলিশ মাছের গড় আয়ু কত? নবজাতক শিশুর যত্নে, জন্মের পর করনীয় চুল এবং ত্বকের যত্নে থাকুক টক দই লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাবার লাশ উঠানে, রুমাল হাতে ছেলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুমধুম সীমান্তে আবারও গোলাগুলির শব্দ পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন মানিক সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান গুয়েতেমালায় কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৯, আহত ২০ কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন ৩ আসামি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি করোনায় আক্রান্ত সিইসি হাবিবুল আউয়াল বেনাপোল সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ সরকার সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী : সেতুমন্ত্রী রাঙ্গাকে অব্যাহতির কারণ জানালেন জাপা মহাসচিব নড়াইলে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় দেয়া হলো দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন! সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী
Uncategorized

তবু ক্ষুধা কমছে না বাংলাদেশের

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০১৫
  • ১৮ দেখা হয়েছে

pic-07_249744
অবস্থা এখন অনেকটা এ রকম যে কেউ ভরপেট খাওয়ার পরও তাঁর ক্ষুধা কমেনি। বরং আরো ক্ষুধার্ত। এই মুহূর্তের বাংলাদেশ ক্রিকেট দলও যেন তাই। অন্তত তামিম ইকবালের ভাষ্যমতে তেমনটাই বলতে হয়।

একটা সময় স্রেফ একটি বড় জয়ের জন্য ‘কাঙ্গাল’ হয়ে থাকা দলটিরই কিনা এখন সাফল্য-তৃষ্ণা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। তাতে করে ঝেড়ে ফেলা গেছে পুরনো কত বদভ্যাসও! বড় দলের বিপক্ষে একটি জয়ের পর দীর্ঘদিন ব্যর্থতায় কেটে যেত একসময়। বিশেষ করে লম্বা সিরিজের শেষদিকে ব্যর্থতার পাল্লা বেশি ভারী করার রেওয়াজও ছিল। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দেখা যাচ্ছে ব্যতিক্রম। চট্টগ্রাম টেস্টের পর এবার ঢাকায়ও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে চড়ে বসার আকুতি।

এই বদলে যাওয়ার রহস্য কী? তামিম যা বললেন, তাতে ভরপেট খাওয়ার পরও আরো খাওয়ার তত্ত্বই এসে যাচ্ছে, ‘এটা আসলে এটা নির্ভর করে মানসিকতার ওপর। সত্যি কথা বললে এ বছরের আগ পর্যন্ত আমরা খুব বড় কিছু কিন্তু অর্জন করতে পারিনি। তবে এ বছর সেটা পেরেছি, বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে। এতে করে দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মধ্যে সাফল্যের ক্ষুধাও বেড়েছে। সবাই আরো উন্নতি করতে চায়। বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে।’

অথচ এ বছরের দুর্বার বাংলাদেশের জন্য গত বছরটি কী দুঃসহভাবেই না শেষ হতে চলেছিল! শেষের দিকে জিম্বাবুয়ে সিরিজটি ছিল বলে রক্ষা! একের পর এক হারে তলানিতে গিয়ে ঠেকা আত্মবিশ্বাস এই বছর আবার তুঙ্গে। সাফল্যের এই ভরা জোয়ারে তামিমরা ক্লান্তির চ্যালেঞ্জও নাকি জিতে চলেছেন উপভোগের মন্ত্রে, ‘মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়লে তা পারফরমেন্সে প্রভাব ফেলে। ফিজিও-ট্রেনাররা আমাদের নিয়ে তাই প্রচুর কাজ করেন। একেক দিন একেক ধরনের অনুশীলন করানোর চেষ্টা করেন। যাতে কেউ ক্লান্ত হয়ে না পড়ে। আমরা সবাই ওই অনুশীলনটা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই উপভোগ করি। অনুশীলন, টিম মিটিং- এসব আমরা এখন উপভোগ করা শিখে গেছি। আমার মনে হয়, যেকোনো বিষয়ই উপভোগ করা শিখে গেলে সেটার ফলাফল ভালো হয়।’

প্রকৃতি যদি সদয় হয়ে ঢাকা টেস্টের খেলাটা ঠিকমতো হতে দেয়, সে ক্ষেত্রে ভালো ফলাফলের পূর্বশর্ত হিসেবে তামিম প্রথম সেশনে ভালো করাকে ভীষণ জরুরি বলে মনে করছেন। গতকাল দুপুরে অনুশীলনে নেমে পড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক বলে গেছেন, ‘প্রথম সেশনটি আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। ম্যাচে আমরা আগে ব্যাটিং বা বোলিং- যেটাই করি না কেন, শুরুটা ভালো করতে হবে। শুরুটা ভালো হলে সেই ছন্দ ধরে এগিয়ে যেতে হবে। আশা করছি, আমরা ভালো একটি টেস্ট ম্যাচই উপহার দিতে পারব।’ একই সঙ্গে ভালো কিছু দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজটি শেষ করার আকুলতার কথাও বললেন তামিম। গত এপ্রিলে পাকিস্তানকে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার পর খুলনায় সিরিজের প্রথম টেস্টেও দুর্দান্ত পারফরমেন্স ছিল স্বাগতিকদের। কিন্তু ঢাকায় শেষ টেস্টের ব্যর্থতা আগের ম্যাচের সাফল্য কিছুটা হলেও ম্লান করেছিল। তবে এবার অন্য রকম কিছুর আশাটা একটু বেশি। কারণ এই সিরিজ যত এগিয়েছে, বাংলাদেশও তত ফর্মের চূড়ায় পৌঁছেছে। দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর প্রথম ওয়ানডেও হেরেছিল। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে ওয়ানডে সিরিজ জেতা দলটি টেস্টের ১ নম্বর দলকেও চোখ রাঙিয়েছে চট্টগ্রামে। সেই পারফরমেন্সের পুনরাবৃত্তি দিয়েই শেষ করতে চায় তামিম, ‘চট্টগ্রামে যতটুকু খেলা হয়েছে, আমরাই বেশি ভালো খেলেছি। ওখানে যেভাবে খেলেছি, এখানেও যদি আমরা সেভাবে খেলে শেষ করতে পারি, তাহলে এই সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য হবে দারুণ একটি সিরিজ।’

তবে নিজেদের চাওয়ামতো সিরিজটি শেষ করতে হলে যে প্রোটিয়াদের কোনো সুযোগ দেওয়া চলবে না, সেটিও সতীর্থদের মনে করিয়ে দিতে চাইলেন তামিম, ‘কোনো কিছুতেই ছাড় দেওয়া যাবে না। কারণ যাদের সঙ্গে খেলব, তারা টেস্টের ১ নম্বর দল। এ জন্যই ওদের হারানো খুব কঠিন ব্যাপার হবে। ওদের কোনো দুর্বলতাও নেই। তবু খেলাটা ক্রিকেট বলেই যেকোনো কিছুই হয়ে যেতে পারে। ওয়ানডেতে আমরা ভালো খেলেছি। ভালো করেছি চট্টগ্রাম টেস্টেও। এই টেস্টে ভালো করতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না। আমরা সেভাবেই চেষ্টা করব।’

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
রি-ডিজাইনঃ Cumilla IT Institute
themesba-lates1749691102