মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যশোর বোর্ডের এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত জুমা’র দিনে গোসল ও সুগন্ধির ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি ইলিশ মাছের গড় আয়ু কত? নবজাতক শিশুর যত্নে, জন্মের পর করনীয় চুল এবং ত্বকের যত্নে থাকুক টক দই লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাবার লাশ উঠানে, রুমাল হাতে ছেলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুমধুম সীমান্তে আবারও গোলাগুলির শব্দ পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন মানিক সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান গুয়েতেমালায় কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৯, আহত ২০ কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন ৩ আসামি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি করোনায় আক্রান্ত সিইসি হাবিবুল আউয়াল বেনাপোল সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ সরকার সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী : সেতুমন্ত্রী রাঙ্গাকে অব্যাহতির কারণ জানালেন জাপা মহাসচিব নড়াইলে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় দেয়া হলো দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন! সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী
Uncategorized

এবার বাংলাদেশের স্পিন চমক

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০১৫
  • ২৩ দেখা হয়েছে

82688_s1
ব্যাট হাতে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স। বল করতে ছুটছেন ততোধিক কম অভিজ্ঞ স্পিনার আরাফাত সানি। প্রেস বক্সে ফিসফাস গুঞ্জন। বাঘের মুখে সানিকে ঠেলে দিলেন নাতো অধিনায়ক মাশরাফি! না, প্রথম চারটি বলে কোন রানই পেলেন না ভয়ঙ্কর ভিলিয়ার্স। তবে পঞ্চম বলে ২ রান। কিন্তু পরের বলেই আউট। সানির বলে সজোরে হাঁকাতে গিয়ে কভার পয়েন্টে মাশরাফির হাতে ক্যাচ দিলেন ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় বার ওপেন করে নামা এই ব্যাটসম্যান। এর আগে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেননি দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি। প্রস্তুত ছিলেন স্পিনাররাই মিরপুর মাঠে রাজত্ব করবেন। কিন্তু এতটা হয়তো আশা করেননি। এ মাঠেই ভারতের বিপক্ষে চার পেসার নিয়ে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। সেই মাঠে বোলিং শুরু করবেন স্পিনার! বিস্ময়ের শুরু তারও পরে। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পরপর তিন স্পিনার আক্রমণে এসে কাঁপিয়ে দিলেন প্রোটিয়া ব্যাটিং লাইন আপ! আরাফাতের পর মাশরাফি সবাইকে অবাক করে বল তুলে দিলেন নাসির হোসেনের হাতে। নাসিরও নিরাশ করলেন না অধিনায়ককে। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই ডেসিংরুমের পথ দেখালেন ডি কককে। ৩১ রানে ২ উইকেট পতনের পর শেষ পর্যন্ত ১৪৮ রানে শেষ হয় প্রোটিয়াদের ইনিংস। মাঝে দুটি উইকেট হারালেও এ সময় একাই লড়াই করেছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ক্যারিয়ারে ৬ষ্ঠ ফিফটি তুলে নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৬১ বলে ৭৯ রানে অপরাজিতও ছিলেন। আরাফাত সানি ২টি ছাড়াও সাকিব, নাসির নেন একটি করে উইকেট। ভারতের বিপক্ষে চমক দেখানো বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজও ছিলেন উইকেট শূন্য।
টি-টোয়েন্টিতে এ নিয়ে তৃতীয়বার তিন স্পিনার দিয়ে বোলিং শুরু করলো বাংলাদেশ। এর আগে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বোলিং শুরু করেছিলেন সাকিব, নাঈম ও মাহমুুদুল্লাহ রিয়াদ। এরপর ২০১৩ সালে আবদুর রাজ্জাক ও সোহাগ গাজী। গতকাল বল হাতে দুর্দান্ত সূচনা এনে দিয়ে সানি ২ ওভারে ১১ রান দিয়ে প্রথম স্পেল শেষ করেন। বদলি বোলার হিসেবে মাশরাফি বল তুলে দেন আরেক স্পিনার সাকিব আল হাসানের হাতে। সাকিব অবশ্য প্রথম স্পেলে ২ ওভার বল করে ১২ রান দিয়ে থেখেছেন উইকেট শূন্য। নাসির হোসেনও ২ ওভার বল করে ২০ রান দিয়ে শেষ করেন প্রথম স্পেল। ভিলিয়ার্সকে ওপেন করতে পাঠালেও তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ২ রান। আর আগে ২০১৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভিলিয়ার্স প্রথম ব্যাট হাতে ওপেন করতে নেমে করেছিলেন ৩৭ রান। দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়কের সঙ্গে ডি কক ২৯ রানের জুটি গড়েন। নাসিরের বলে দিনের প্রথম ছক্কাটি হাঁকানোর ঠিক ২ বল পরেই ১২ রানে আউট তিনি। নাসিরে ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে কভার পয়েন্টে ক্যাচ দেন লিটনের হাতে। তবে তিন স্পিনারে কাবু হলেও ৭.২ ওভারে ৫০ রান যোগ করেন স্কোর বোর্ডে। কিন্তু অধিনায়ক ক্রিজে অবিচল কোন ভুল করতেও রাজি নন তিনি। তৃতীয় উইকেটে জেপি ডুমিনিকে নিয়ে ৪৬ রানের জুটি গড়ে দলের বিপর্যয় সামাল দেন। দ্বিতীয় স্পেলে বল হাতে ফিরে আবারও সফল সানি। তবে এই সফলতায় নাসির হোসেনের অবদান শত ভাগ বললে ভুল হবে না। ১৮ রান করা ডুমিনি নাসিরের অফ স্পিনে একটু নড়বড়ে শট খেলেন। বলটি ডিপ মিড উইকেটের দিকে উড়ে যেতে থাকে। কিছুটা সামনে দৌড়িয়ে এসে শেষ মুহূর্তে লাফিয়ে পড়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন নাসির হোসেন।
এরপর ব্যাট হাতে টি-২০ এর ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার আসেন ক্রিজে। কিন্তু মিলারকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব। দ্বিতীয় স্পেলে ১ ওভার বল করে ৭ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকা দলীয় ১০০ রান যোগ করতে খেলে ১৪ ওভার। বাকি ছয় ওভারে যতটা বিধ্বংসী রূপে ফেরার কথা ছিল সেটি স্পিনারদের চেষ্টায় সেটি সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে মুস্তাফিজুর রহমান ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠে নামেছিলেন অনেক প্রত্যাশার চাপ নিয়ে। কিন্তু প্রথম স্পেলে ১ ওভারে ২ রান দিলেও শেষ পর্যন্ত চার ওভার বল করে ৩০ রান দিয়ে কোন উইকেট নিতে পারেননি তিনি। যদিও তার বলেই ১৮ রান করা ডু প্লেসি উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলেছিলেন। কিন্তু কঠিন হওয়াতে মুশফিক তা তুলে নিতে ব্যর্থ হন। এছাড়া এক বছর পর দলে ফিরে সোহাগ গাজীর শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি। প্রথম স্পেলে ২ ওভারে ১৬ রান দেন তিনি। এরপর অধিনায়ক আর তার হাতে বল তুলে দেননি। মাশরাফি তিন ওভার বল করে দিয়েছেন ২০ রান।
৫ম উইকেটে ডু প্লেসি ও রুসো মিলে ৫৮ রানের জুটি গড়ে দিলে লড়াইয়ে টিকে থাকার মতো পুঁজি পায় দক্ষিণ আফ্রিকা দল।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
রি-ডিজাইনঃ Cumilla IT Institute
themesba-lates1749691102