শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যশোর বোর্ডের এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত জুমা’র দিনে গোসল ও সুগন্ধির ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি ইলিশ মাছের গড় আয়ু কত? নবজাতক শিশুর যত্নে, জন্মের পর করনীয় চুল এবং ত্বকের যত্নে থাকুক টক দই লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাবার লাশ উঠানে, রুমাল হাতে ছেলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুমধুম সীমান্তে আবারও গোলাগুলির শব্দ পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন মানিক সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান গুয়েতেমালায় কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৯, আহত ২০ কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন ৩ আসামি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি করোনায় আক্রান্ত সিইসি হাবিবুল আউয়াল বেনাপোল সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ সরকার সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী : সেতুমন্ত্রী রাঙ্গাকে অব্যাহতির কারণ জানালেন জাপা মহাসচিব নড়াইলে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় দেয়া হলো দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন! সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী

রংধনু কেন ধনুকের মতো বাঁকানো!

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক।
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২
  • ২৫০ দেখা হয়েছে

 

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২২ (রোববার) ০১:৪৩
এএম

রংধনুকে নিয়ে কবি-ঔপন্যাসিকরা প্রচুর উপকথার মালা গেঁথেছেন। পাশাপাশি বিজ্ঞানীরাও বের করেছেন রংধনুর আসল রহস্য। যেমন রংধনু হিসেবে আমরা যা দেখতে পাই তা আপাতদৃষ্টিতে ধনুকের মতো অর্ধচন্দ্রাকার হলেও তা আসলে গোল বা বৃত্তাকার। অবাক লাগলো? অবাক লাগা এরকম কিছু ব্যাপার নিয়ে আজকের আয়োজন।খবর ক্রাইম রিপোর্টার২৪.কমের।

কীভাব গঠিত হয় রংধনু

সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা। এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে। সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে। প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়। আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে। সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙা বর্ণালী সৃষ্টি করে। বৃষ্টির ফোঁটার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু। বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই।

রংধনু কেন ধনুকের মতো বাঁকানো

বৃষ্টির ফোঁটা থেকে আসা বিভিন্ন রঙের আলো চোখের সাথে সামান্য কোণ উৎপন্ন করে। ত্রিমাত্রিক জগতে সেই কোণ চোখের চারদিকেই উৎপন্ন হয়। ফলে তা দেখতে অনেকটা চোঙের মতো হয়। চোঙের উপরিপৃষ্ঠ বৃত্তাকার হয়। চোখের সাপেক্ষে চোখের চারদিকে রঙধনুর চোঙও বৃত্তাকার। সেজন্য রংধনুকে দেখতে বাঁকানো মনে হয়। তবে কেউ যদি রংধনুর পুরো বৃত্ত দেখতে চায় তাহলে তাকে উপরে উঠতে হবে। হতে পারে সেটা প্লেনে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে। সূর্য এবং রংধনু এই দুইয়ের মাঝে অবস্থান করলে বৃত্তাকার রংধনু দেখা যাবে।

রংধনুতে রঙের ভেতর বাহির

রংধনুতে সবসময় লাল রঙ রংধনু-বৃত্তের বাইরে অবস্থান করে। আর বেগুনি রঙ ভেতরের দিকে থাকে। বাকি রঙগুলোও একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে সাজানো থাকে। সবসময় এই সজ্জার এদিক সেদিক হয় না। কিন্তু কেন? কেন এত নিয়মতান্ত্রিকতা?

আসলে এটা খুবই সহজ ব্যাপার। প্রতিটি রঙেরই একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আছে। সাতটি রঙকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ক্রমানুসারে সাজালে এই ক্রমটি পাওয়া যাবে- বেগুনী ► নীল ► আসমানী ► সবুজ ► হলুদ ► কমলা ► লাল। তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিমাণ কম বেশি হলে প্রিজমের মধ্যে তাদের বেঁকে যাবার পরিমাণও কম বেশি হয়। মানে বেঁকে যাবার দিক থেকে সাতটি আলোই আলাদা। পদার্থবিদ্যার নিয়ম সবখানে সবসময় এক। তাই সবসময় লাল রঙ রংধনুর বৃত্তের বাইরে অবস্থান করে। আর বেগুনী রঙ বৃত্তের ভেতরের দিকে অবস্থান করে। তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রমানুসারে প্রতিবার বিশ্লিষ্ট হয়ে একই ক্রম-রঙের রংধনু সৃষ্টি করে।

বৃষ্টি হলেই কি রংধনু হবে?

হ্যাঁ, নিশ্চয়ই হবে। তবে তার জন্য সূর্যের উপস্থিতি থাকা লাগবে। কিন্তু তা দেখা যাবে কিনা তা নির্ভর করবে দর্শকের সাপেক্ষে সূর্য উপযুক্ত কোণে অবস্থান করছে কিনা তার উপর। অর্থাৎ অবস্থানগত কারণে রংধনু নাও দেখা যেতে পারে, যদিও তখন রংধনু উৎপন্ন হয়েছে ঠিকই। ভালভাবে রংধনু দেখতে হলে আমাদের অবস্থান এমন হতে হবে যেন সূর্য আমাদের পেছনে আর রংধনু সামনে থাকে।

এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। ধরা যাক একজন ব্যক্তি তার বন্ধুর সাথে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। সে হিসেবে তাদের চোখের অবস্থান আলাদা। সুতরাং দুটি চোখের উৎপন্ন কোণ ভিন্ন ভিন্ন। একজন যে রংধনু দেখছে অপরজন সেটা দেখতে পাচ্ছে না। সে দেখছে অন্যটি। তবে এদের দেখতে একই দেখায়।

যে বৃষ্টিফোঁটা হতে আলো একজনের চোখে এসে পড়ছে তারই পাশের বৃষ্টিফোঁটা হতে আলো পড়ছে অন্য বন্ধুটির চোখে। কেউ যদি সামান্যও নড়ে তাহলে তার রঙধনু পাল্টে অন্য রংধনু দেখবে। কিন্তু দুটির সজ্জা একই হওয়াতে আগেরটি হতে কোনো পার্থক্য ধরা পড়বে না। এর মানে হচ্ছে, রংধনু উৎপন্ন হয় হাজারে হাজার। এ যেন হাজারে কোটিতে রংধনু দেখে না মোর আঁখি।খবর ক্রাইম রিপোর্টার২৪.কমের।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
রি-ডিজাইনঃ Cumilla IT Institute
themesba-lates1749691102