শিরোনাম

গণফোরামের সভাপতি থেকে ড. কামালকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক ।

গণফোরামের সভাপতির পদ থেকে ড. কামাল হোসেনকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে দলটির একাংশ। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ পক্ষের ডাকা বর্ধিত সভায় এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। দলের সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য মহসিন রশিদ বর্ধিত সভায় এই প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, দলের মধ্যে অনেক বিভাজন চলছে। এই বিভাজন বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে সভাপতির পদ থেকে ড. কামাল হোসেনকে বাদ দেওয়া উচিত। কমিটির সাবেক সদস্য সত্তার পাঠানও একই প্রস্তাব করেন। পরে জেলা পর্যায়ের কয়েক জন নেতা তাদের এই প্রস্তাবে সমর্থন জানান।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

ড. কামাল হোসেনের আপত্তি উপেক্ষা করে এই বর্ধিত সভার আয়োজনে নেতৃত্ব দেন গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু এবং সাবেক দুই নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ও অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। বর্ধিত সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্টু বলেন, বর্ধিত সভায় আগামী ২৮ ও ২৯ মে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কাউন্সিলে কাউন্সিলররাই সিদ্ধান্ত নেবেন কামাল হোসেনকে সভাপতি হিসেবে রাখা হবে কি না।

অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে ১০ দিন আগে কামাল হোসেন নিজেই ২৭ ফেব্রুয়ারি (গতকাল) বর্ধিত সভা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এমনকি সভার জন্য জাতীয় প্রেস ক্লাবে হলও বুকিং দেওয়া হয়েছে। তবে তিন কুচক্রীর কুপরামর্শে বৃহস্পতিবার হঠাত্ তিনি বর্ধিত সভা স্থগিত করে দেন। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নির্ধারিত দিনেই বর্ধিত সভা করার।’

বর্ধিত সভায় আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২১ সদস্য বিশিষ্ট স্টিয়ারিং কমিটি গঠিত হয়। আবু সাইয়িদকে আহ্বায়ক এবং ১৫ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটি এবং মন্টুকে আহ্বায়ক ও সুব্রত চৌধুরীকে সদস্যসচিব করে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়। আবু সাইয়িদের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় অন্যদের মধ্যে সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য এ টি এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য জামাল উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *