শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যশোর বোর্ডের এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত জুমা’র দিনে গোসল ও সুগন্ধির ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি ইলিশ মাছের গড় আয়ু কত? নবজাতক শিশুর যত্নে, জন্মের পর করনীয় চুল এবং ত্বকের যত্নে থাকুক টক দই লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাবার লাশ উঠানে, রুমাল হাতে ছেলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঘুমধুম সীমান্তে আবারও গোলাগুলির শব্দ পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন মানিক সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান গুয়েতেমালায় কনসার্টে পদদলিত হয়ে নিহত ৯, আহত ২০ কারাগারে বসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন ৩ আসামি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি করোনায় আক্রান্ত সিইসি হাবিবুল আউয়াল বেনাপোল সীমান্তে মাদকসহ আটক ১ সরকার সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী : সেতুমন্ত্রী রাঙ্গাকে অব্যাহতির কারণ জানালেন জাপা মহাসচিব নড়াইলে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় দেয়া হলো দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন! সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রানির শেষকৃত্যে অংশ নিতে লন্ডনের পথে প্রধানমন্ত্রী
Uncategorized

বাংলাদেশের দারুণ ব্যাটিং

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০১৫
  • ২৫ দেখা হয়েছে

80233_f5
‘ওয়ানডেতে এখন যতগুলো দল ভাল খেলছে তার মধ্যে আমরাই সেরা।’- অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলেছিলেন ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে। গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা মাঠে অধিনায়কের কথার দাম রাখতে যেন সচেষ্ট ছিলেন ব্যাটসম্যানরা। শুরুতে তামিম ইকবাল-সৌম্য সরকারের ঝড়।
সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ৩০০ ছাড়ানো ইনিংস। বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে মেলবোর্নের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই খেলার যেন জবাব দিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এর আগে ২০১০ সালে ভারতের বিপক্ষে এ মাঠেই ২৯৬/৬ করেছিলে টাইগাররা। সেদিনও ওপেনিংয়ে রেকর্ড জুটি গড়েছিলেন তামিম ও ইমরুল। এবার অবশ্য তামিমের সঙ্গে তরুণ সৌম্য সরকার। এই দু’জন ওপেনিংয়ে শতরানের রেকর্ড জুটি দিয়ে শুরু করেন। মাঝের ১ ঘণ্টা ৪ মিনিট বৃষ্টিতে ম্যাচ বন্ধ থাকায় কিছুটা ছন্দপতন। তবে শেষ পর্যন্ত দেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে ৯ম বার ৩০০ ছাড়ানো ইনিংস গড়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক মাশরাফি। এটি বাংলদেশের ইতিহাসে ৭ম সর্বোচ্চ স্কোর।
ভারতের বিপক্ষে দিনের শুরু থেকেই একের পর এক চমক সাজিয়ে রেখেছিলেন বিধাতা। টসে জয় দিয়ে প্রথম ওয়ানডেতে যাত্রা শুরু করেন অধিনায়ক মাশরাফি। ব্যাট হাতে নেমে দুই ওপেনারের ব্যাটে যেন প্রতিশোধের আগুনই ঝরছিল। প্রথমবার টাইগাররা টেস্ট খেলুড়ে সেরা ৮ দেশের মধ্যে ভারতের বিপক্ষে দ্রুত গতিতে ১০০ রান করেন। এর আগে র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯ম স্থানে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৩ বলে ১০০ রান করেছিল বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে ১০২ রান করার পর দুর্ভাগ্যের শিকার বাংলাদেশ তরুণ সৌম্য সরকার। নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১০ ম্যাচেই দ্বিতীয় ফিফটি তুলে যখন ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখছিলেন তখনই তামিম ইকবালের ভুল ডাকে ক্রিজ ছেড়ে বের হয়ে আর ফিরতে পারেননি। তার আগেই সুরেশ রায়নার দুর্দান্ত এক সরাসরি থ্রোতে স্টাম্প ভাঙলে শেষ হয় সেই স্বপ্ন। তবে আউট হওয়ার আগে মাত্র ৪০ বলে করেন ৫৪ রান। ৮টি চারের মারের সঙ্গে অশ্বিনের বলকে মিডউইকেটের উপর দিয়ে উড়িয়ে একটি বিশাল ছক্কাও হাঁকান এই তরুণ। তার বিদায়ের পর ব্যাট হাতে অভিষেক হয় আরেক তরুণ লিটন দাসের। কিন্তু ১৫.৪ বাংলাদেশের ব্যাটিং তাণ্ডবে পানি ঢালতেই যেন নামে বেরসিক বৃষ্টি।
১২০ রানে ১ উইকেট হারিয়ে সাজঘরে ফিরেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লম্বা বিরতির পর বৃষ্টির আগের ব্যাটিং তাণ্ডবে যেন ম্লান হয়ে যায়। ২০১০ সালে ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রানের ইনিংসটি আবারও ঘুরে-ফিরে আসে। দলীয় ১২৯ রানের সময় ক্যারিয়ারে ৩০তম ফিফটি হাঁকিয়ে আউট হন তামিম ইকবাল। অশ্বিনের বলে মিড অফে নিজের উইকেটটি শর্মার হাতে তুলে দিয়ে মাঠ ছাড়েন ৬০ রানে। ৬২ বলের ইনিংসটি সাজান ৭টি চার ও ১টি ছয়ের মারে। এরপর দলের হাল ধরেন ওয়ানডের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেট কিপার মুশফিকুর রহীম। একপাশে মুশফিক অন্যপাশে লিটন দুই প্রজন্মের দুই উইকেট কিপারের উপর যেন সব আশা-ভরসা। কিন্তু টেস্ট অভিষেকে আলো ছড়ানো লিটন ওয়ানডে অভিষেকে বিদায় নিলেন মাত্র ৮ রানে। এর পরপরই মুশফিকও আউট ১৪ রানে। অযথাই উড়িয়ে মারার খেসারত দেন তিনি। সেখান থেকেই দলের হাল ধরেন সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও তরুণ সাব্বির রহমান রুম্মান। ৫ম উইকেটে ভারতের বিপক্ষে ৮৩ রানের জুটি গড়েন এই দুজন। সাব্বিরের ঝড়ের কাছে খানিকটা এলোমেলো হয়ে পড়ে ভারত। পাঁচটি ৪ ও ১টি ছয়ের মারে সাব্বির ৪৪ বলে ৪১ রান করে আউট হন। কিন্তু তখনও আস্থার প্রতীক হয়ে ক্রিজে ছিলেন সাকিব। এরই মধ্যে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৩তম ফিফটিও তুলে নেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৬৭ রানের সময় উমেশ যাদবের বাজে একটি শটে জাদেজার হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দেন পয়েন্টে।
তবে নাসির হোসেন ২৭ বলে ৩৪ রান করে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে দিয়ে আউট হন দলীয় ২৮২ রানে । বাকি কাজটি করেন অধিনায়ক মাশরাফি দুই পেসারকে নিয়ে। রুবেল ৪ ও তাসকিন ২ রান করে আউট হলে মাশরাফি ৩টি চারের মারে ১৮ বলে ২১ রান করে ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর গড়েন। এরপর ম্যাচের ২ বল বাকি থাকতে আউট হন তিনি। শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংসও।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
রি-ডিজাইনঃ Cumilla IT Institute
themesba-lates1749691102