শিরোনাম

হাইকোর্টের নির্দেশে দুই বোনকে বাসায় তুলে দিল পুলিশ

আদালত প্রতিবেদক ।

গুলশান-২ এর বাসিন্দা মরহুম মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের দুই মেয়েকে বাবার বাড়িতে প্রবেশে বাধা দেন তাদের ‘সৎ মা’। এমন খবর প্রকাশের পর হাইকোর্টের নির্দেশে রাজধানীর গুলশানের দুই বোন মুশফিকা মোস্তফা ও মোবাশ্বেরা মোস্তফাকে গুলশানের বাড়িতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। সোমবার রাতে গুলশান থানার পুলিশ ওই দুই বোনকে বাড়িতে তুলে দেয়। সেইসঙ্গে আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ির সামনে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

এর আগে সোমবার ছুটির দিনে আদালত বসে ওই দুই বোনকে অবিলম্বে বাড়িতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে গুলশান থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানান, গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তাকে ফোন করে ওই দুই বোনকে বাসায় তুলে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানিয়েছেন, তিনি (ওসি) আদালতের আদেশমতো মুশফিকা মোস্তফা ও মোবাশ্বেরা মোস্তফাকে গুলশানের বাড়িতে উঠিয়ে দিয়েছেন এবং বাড়ির সামনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে এলে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার রাত সোয়া সাতটার দিকে স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ ওই আদেশ দেন। নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ে সোমবার রাতেই তা আদালতকে জানাতে বলা হয়েছিল।

গুলশান ২-এ ৯৫ নম্বর সড়কের ওপর প্রায় ১০ কাঠা জমির ওপর বাড়িটি। গৃহকর্তার মৃত্যুর পর মালিকানা নিয়ে বিরোধে তাঁর দুই মেয়ে অবস্থান নিয়েছেন বাড়ির সামনে। তাদের দাবি, বাড়ির দখল বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী আঞ্জু কাপুরের হাতে। তিনি কিছুতেই ওই বাড়িতে তাদের ঢুকতে দিচ্ছেন না।

অবশ্য গৃহকর্তা মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের ছোটবেলার বন্ধু ও আইনজীবী মো. ওয়াজিউল্লাহর ভাষ্য আলাদা। ১০ অক্টোবর মোস্তফা জগলুলের মৃত্যুর পর আঞ্জু কাপুরকেও আইনগত সহযোগিতা তিনিই দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আঞ্জু কাপুর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি চাইছেন, বাড়ির মালিকানা নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে তা মিটে যাক। আস্থার সংকট থেকে তিনি বাড়ির দরজা খুলছেন না।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *