শিরোনাম

গণধর্ষণে ছাত্রলীগ কর্মীরা, বিচার চাইলেন আওয়ামী লীগ নেতারা


সিলেট অফিস । মহানগর প্রতিনিধি

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সিলেট আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দসহ অনেকেই। তারা বলেছেন, অপরাধী যে দলেরই হোক, শাস্তি পেতেই হবে।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এক নববধূ তরুণী তার স্বামীকে নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়াতে যান। এসময় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান ও শাহ মাহবুবুর রহমান রনির নেতৃত্বে স্বামী ও স্ত্রীকে পার্শ্ববর্তী কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ করে তারা।

এ ঘটনায় শনিবার ছয়জনের নাম উল্লেখসহ নয়জনকে আসামি করে সিলেট শাহপরাণ থানায় মামলা করেন ধর্ষিতার স্বামী। এর মধ্যে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।

আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন বধূকে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে তারা কলেজকে কুলষিত করেছে। অপরাধীদের কোন ছাড় নেই। তারা পুলিশকে বলে দিয়েছেন অপরাধীদের গ্রেফতার করতে। তাদের গডফাদারদের সম্পর্কেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সার্বিক বিষয়ে কথা হয়েছে।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের দাবি একটাই আসামিদের গ্রেফতার। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কেউ তদবির করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন অপরাধীদের যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন তাদের বিষয়েও কেন্দ্রকে অবহিত করা হবে।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ছাত্রাবাসে ধর্ষণের ঘটনা আমাদেরকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান বলেন, কেউ অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। তিনি বলেন, ছাত্রাবাসে ধর্ষণের ঘটনা জঘন্যতম। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনও ঘটনার তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *