শিরোনাম
গাড়িচালক মালেক বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার করেছেসখীপুরে চাঁদাবাজি মামলায় শ্রমিক লীগের সভাপতিসহ পাঁচজন কারাগারেতাকসিম এ খানের পুনঃনিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিটবিজিবিকে লক্ষ্য করে ইয়াবা পাচারকারীদের গুলি, ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারবিয়ে করতে গিয়ে প্রেমিকার বাড়ি থেকে লাশ হয়ে ফিরলো তরুণকক্সবাজারের ৩৪ পুলিশ পরিদর্শককে বদলিএবার ‘রেসের ঘোড়া’ কাঁচামরিচঅনুপস্থিত ভোটারদের ভোটদান সপ্তাহ ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবরবঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ফরিদপুর চিনিকল রক্ষায় আলোচনা সভাহাসপাতালগুলো ডাকাতির মতো পয়সা নিচ্ছে: আতিক; নিবন্ধন ছাড়া হাসপাতাল চলতে দেয়া হবে না: তাপস

মূর্তির নাক ভাঙা কেন?

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক ।

প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার এক আদি নিদর্শন পিরামিড এবং ফারাওদের মমি। প্রাচীন মিশরে ফেরাউন, দেবদেবী, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং সম্পত্শালী নাগরিকদের মূর্তি খোদাই করা হতো। বিভিন্ন প্রাণীর মূর্তিও ছিল এর মধ্যে। কয়েক হাজার বছরের পুরোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো এখনো মানুষের কাছে বিস্ময় এবং কৌতূহলের বিষয়। কয়েক হাজার বছর আগের এসব মূর্তির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো মূর্তিগুলোর নাক ভাঙা। নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন মিউজিয়ামের মিশরীয় আর্ট গ্যালারির তত্ত্বাবধায়ক এডওয়ার্ড ব্লেইবার্গকেও এমন প্রশ্ন শুনতে হয়েছে বহুবার। মিশরীয় সভ্যতা নিয়ে গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে এডওয়ার্ড ব্লেইবার্গ বোঝার চেষ্টা করেছেন এগুলোর নাক ভাঙা না হলে কেমন দেখা তো কিংবা কেন এগুলো ভাঙা হয়েছে।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

তার মতে, মিশরীয় এসব মূর্তি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর নাক ভাঙা দেখলে অনেকেই ভাবতে পারেন হয়তো বহু বছরের পুরোনো হওয়ায় এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এ অবস্থা হয়েছে। কিন্তু ভালো করে দেখলে বোঝা যায় এগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করা হয়েছে। তার যুক্তি, এসব মূর্তি তাদের ক্ষতি করতে পারে, এমন মনোভাব থেকেই প্রাচীন মিশরীয়রা মূর্তিগুলোকে হত্যা করতেই এমন কাজ করেছে। তাদের বিশ্বাস ছিল নাক কেটে ফেললে এসব মূর্তি শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে না পেরে মারা যাবে।

এছাড়া নাক থাকলে মূর্তিগুলো আবারও জীবন ফিরে পেতে পারে এমন বিশ্বাস থেকেও প্রাচীন মিশরীয়রা মূর্তিগুলোর নাক ভেঙে দিত। তবে যেসব ক্ষমতাধর সম্পত্শালী ব্যক্তিদের মূর্তি তৈরি করা হতো তারা বেঁচে থাকাবস্থায় কখনো তাদের মূর্তির নাক ভাঙা হতো না। বরং তাদের মৃত্যুর পর এসব মূর্তির নাক ভেঙে ফেলা হতো, যাতে তাদের শক্তি অপশক্তিতে পরিণত না হতে পারে।

এছাড়া মিশরে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তনের পর মূর্তি পূজার বিরোধিতাকারীও এসব মূর্তি ভেঙে ফেলত। এভাবে অনেক মূর্তির অঙ্গহানির প্রমাণ রয়েছে। ব্লেইবার্গের মতে, মূর্তিগুলো ভাঙার ধরন দেখেই অনুমান করা যায় এগুলো কোনো দুর্ঘটনা কিংবা দীর্ঘদিনের ফলাফল নয় বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মূর্তিগুলোকে এভাবে নষ্ট করার পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক, ধর্মীয়, ব্যক্তিগত এবং দুষ্কৃত প্রেরণা। মূর্তি পূজারীরা এসব মূর্তিকে দেবদেবীর আসনে বসিয়ে পূজা করত বলেও ধারণা ছিল প্রাচীন মিশরীদের অনেকের। আর মন্দিরগুলোতে এসব মূর্তি অনেক বেশি পাওয়া যেত বলে সেসব জায়গাতেও অনেক সময় হামলার শিকার হতো।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। সূত্র: সিএনএন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *