শিরোনাম
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করবে না আওয়ামী লীগ : ওবায়দুল কাদেরস্কুলছাত্রী ভাবনার ‘দেহরক্ষী’ ছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান‘এটিএম শামসুজ্জামানের ভালোবাসা কখনো ভুলতে পারবো না’সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন : জরুরি সভা সন্ধ্যায়প্রধানমন্ত্রীর পাশে কেউ নেই, বিএনপি অন্ধ ও বধির : জাফরুল্লাহসৈয়দ আবুল মকসুদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকখোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোকপ্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে কোলে নিয়ে বাসে তুলে দিলো পুলিশ, ভিডিও ভাইরালখালেদার বিদেশে চিকিৎসায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায় বিএনপিশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিবেশ পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গাজা যুদ্ধকে বৈধ উল্লেখ করে জাতিসংঘে ইসরাইলের প্রতিবেদন

image_113493
যুদ্ধাপরাধের মামলা থেকে বাঁচতে ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধকে আইনসম্মত ও বৈধ উল্লেখ করে জাতিসংঘে এক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ইসরাইল সরকার। তবে এই প্রতিবেদন কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছে গাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন হামাস।

অন্যদিকে যেকোন মূল্যে নিজ দেশের সেনাদের যুদ্ধাপরাধের মামলা থেকে রক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু। এরই মধ্যে অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে এক ফিলিস্তিনিকে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করেছে ইসরাইলি পুলিশ। গত রোববার সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অজুহাতে অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে একটি জিপ নিয়ে প্রবেশ করে এক ইসরাইলি পুলিশ। এ সময় তার গাড়িতে পেট্রোল বোমা ছোড়ার অভিযোগে এক ফিলিস্তিনি তরুণকে গাড়ি চাপা দেন তিনি। ঘটনাস্থলে ঐ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে গোটা পশ্চিম তীর। এটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকা- উল্লেখ করে নিহত ফিলিস্তিনি যুবকের মরদেহ নিয়ে মিছিল করে বিক্ষোভকারীরা। একপর্যায়ে পুলিশের সাথে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের নির্মমভাবে পেটাচ্ছে পুলিশ। দুদেশের এই সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেই জাতিসংঘে গাজা যুদ্ধের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। প্রতিবেদনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজা যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ করা হয়। তবে তেলআবিব এই প্রতিবেদন চ্যালেঞ্জ করে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এটির পুনঃতদন্ত শুরু করে। এই প্রতিবেদন মিথ্যা এমন অভিযোগ করে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে ইসরাইলি

হামলায় নিহত শিশুদের স্বজনরা। এক অভিভাবক বলেন, আমাদের বাচ্চারা মাঠে খেলছিলো। তবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ছেলেমেয়েদের মতো খেলার অধিকার বোধহয় নেই তাদের। ইসরাইলের বিমান হামলার শিকার হয় তারা। শুনেছি ইহুদিরা এই হামলাকে বৈধ বলছে। সত্য কি তা কেউ শুনছে না। প্রায় একই অভিযোগ তুলে গাজা নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয় ভুয়া প্রতিবেদন জমা দিয়ে নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দিতে পারবেনা ইসরাইল। হামাস মুখপাত্র সামি আবু জুহুরি বলেন, ইসরাইল জাতিসংঘের তদন্ত কার্যক্রমকে বানচাল করতে আগেভাগেই একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তারা যদি মনে করে এর মধ্য দিয়ে তারা যুদ্ধাপরাধের মামলা থেকে বেঁচে যাবে তবে সেটা ভুল। সরাসরি সম্প্রচারের গণমাধ্যমে তাদের হত্যাযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেছে গোটা বিশ্ব। তবে ফিলিস্তিন কোনভাবেই যুদ্ধাপরাধের মামলা প্রমাণ করে ইসরাইলি সেনাদের শাস্তির মুখোমুখি করতে পারবেনা বলে পাল্টা জবাব দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, যারা এই প্রতিবেদন দেখতে চায় তারা দেখুক। আমি মনে করি না এর কোন প্রয়োজন ছিলো। কারণ আমাদের সেনারা যেকোন পরিস্থিতিতে আমাদের রক্ষা করবে। আমরাও যেকোন মূল্যে তাদের রক্ষা করবো। অন্যদিকে, গত রোববার ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রী জিলাদ এরদান জানান, বন্দীদের অনশন কর্মসূচি ইসরাইলের আইনরক্ষাকারী বাহিনীর জন্য হুমকি সরূপ। আর তাই বন্দীদের জোরপূর্বক খাওয়াতে ইসরাইলি মন্ত্রীসভায় একটি বিলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিলটিকে আইনে পরিণত করতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে জমা দেয়া হবে।