শিরোনাম

‘শোষণমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে নীতি চর্চা করতে হবে’

image_262389.inu999
থ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, সাংবাদিক আব্দুস সালাম একজন নীতিবান মানুষ ছিলেন। তিনি নীতির চর্চা করতেন। শোষণহীন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদেরকেও নীতির চর্চা করতে হবে।
তিনি শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে প্রয়াত সাংবাদিক আব্দুস সালামের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সাংবাদিক-রাজনীতিক ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শ্রমিকজোট সভাপতি শিরিন আক্তার এমপি, বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল লোহানী, কাজী রফিক, পারভিন সুলতানা ঝুমা ও খন্দকার মোজাম্মেল হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক রুবায়েত ফেরদৌস অনুষ্ঠানে আব্দুস সালামের জীবনী পাঠ করেন। সভা পরিচালনা করেন সাংবাদিক লোটন একরাম।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, গণমাধ্যমের কর্মীরা নীতি চর্চার পক্ষে। গণমাধ্যম কর্মীরা গণতন্ত্রের সৈনিক। ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও অন্যায় বিতাড়িত করতে গণমাধ্যমকে সমাজের সকল ঘটনাপ্রবাহ জাতির সামনে তুলে ধরতে হয়। তারা গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িকতা, দলবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলেন।
ইনু বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষ এবং বিপক্ষের ক্ষেত্রে গণমাধ্যম ভারসাম্য নীতি চর্চা করলে গণতন্ত্রের ক্ষতি হয়। নীতি চর্চায় আগুনসন্ত্রাসী ও বোমাবাজদের এক পাল্লায় মাপা আত্মঘাতী। রাজাকার-স্বৈরাচারকে যেমন এক পাল্লায় মাপা যায় না, তেমনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে এক করে দেখলে চলবে না। সুতরাং নীতির ওপর থাকতে হলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থেকে রাজাকার জঙ্গিদের বর্জন করতে হবে।
তিনি বলেন, রাজাকার ও মুক্তিযোদ্ধাকে এক পাল্লায় মাপার নীতি পরিহার করে গণতন্ত্রকে নিরাপদ করতে হবে এবং আগুনসন্ত্রাসী অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। যারা ৭১-এর যুদ্ধাপরাধী ও ৭৫-এর খুনীদের রক্ষা করতে চান, তাদের পক্ষে ওকালতি করা নীতি চর্চার পরিপন্থী। জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের পক্ষে যারা ওকালতি করেন প্রকারান্তরে তারা জঙ্গিদেরকেই সমর্থন করেন।
তথ্যমন্ত্রী গণমাধ্যম কর্মীদের আগুনসন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের ব্যাপারে সজাগ থাকার আহ্বান জানান এবং বর্তমান সরকারের সময়ে আগুনসন্ত্রাসী, জঙ্গি, ৭১-৭৫-এর খুনী কেউই বিচারের বাইরে থাকবে না বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।