index_84632
বগুড়ার কাহালুতে বাড়ি থেকে ডেকে এনে একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুলের অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তার বিরুদ্ধে থানায় কোন মামলা না থাকলেও তিনি নাশকতার মামলার অজ্ঞাত আসামি ছিলেন বলে দাবি করেছেন কাহালু থানার ওসি সুমিত কুমার কুন্ডু।

গ্রেফতারকৃত জহুরুল ইসলাম বাদশা কাহালু পৌর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানাগেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, শিক্ষকতার সূত্র ধরে কাহালু রেড রোজ কিন্ডার গার্টেন স্কুলের অধ্যক্ষ ও কাহালু পৌর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বাদশা’র সাথে থানার পুলিশের সুসম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে একজন পুলিশ কনস্টেবল তার বাসায় যায়। বেশ কিছু সময় আলাপ শেষে দু’জনে একসাথে দুপুরের খাবার খান। এরপর ওসি সাহেব থানায় ডাকছেন বলে বেলা ১টার দিকে বাদশাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় নেয়ার পর তাকে জানানো হয় তিনি নাশকতার মামলার সন্দেহভাজন আসামি।

খবর পেয়ে জহুরুল ইসলাম বাদশা’র আত্মীয় স্বজন থানায় খোঁজ নিলে পুলিশ গ্রেফতারের বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এমনকি স্থানীয় সাংবাদিকরা থানায় যোগাযোগ করলেও তাদের কাছে গ্রেফতারের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।

তবে, বগুড়ার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) গাজিউর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত জহুরুল ইসলাম বাদশা নাশকতার মামলার অজ্ঞাতনামা আসামি ছিলেন।

এদিকে, কোন মামলার আসামি না হওয়া সত্ত্বেও জামায়াত নেতা জহুরুল ইসলাম বাদশাকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মঙ্গলবারের রায়কে কেন্দ্র করে পুলিশ নতুন করে গ্রেফতার অভিযান শুরু করেছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন।

শুভ সমরাটঅপরাধের ডায়েরী থেকে
বগুড়ার কাহালুতে বাড়ি থেকে ডেকে এনে একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুলের অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে থানায় কোন মামলা না থাকলেও তিনি নাশকতার মামলার অজ্ঞাত আসামি ছিলেন বলে দাবি করেছেন কাহালু থানার ওসি সুমিত কুমার কুন্ডু। গ্রেফতারকৃত জহুরুল ইসলাম বাদশা কাহালু পৌর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানাগেছে। পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, শিক্ষকতার সূত্র...