cbbcce036f5c1025176fcb4e2d006d43-21
রাজধানীর শাহজাদপুরে গুলশান-বারিধারা লেকের অংশে গড়ে উঠছে নতুন স্থাপনা। এসব স্থাপনার কারণে লেকের আয়তন কমছে।
গত শনিবার লেক এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গুলশান ১০৬ নম্বর সড়কের পাশে লেকের অংশ ভরাট করে নতুন-পুরোনো টিন দিয়ে স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। মিস্ত্রিরা বলেন, তাঁরা মজুরির বিনিময়ে স্থাপনা তৈরি করছেন। এর বাইরে তাঁরা কিছু জানেন না।
এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে রিকশার বিশাল আয়তনের গ্যারেজ, গরুর খামার, বাগানবাড়ি ও নিম্নবিত্তদের কাছে ভাড়া দেওয়া টিনের ঘর। এ ছাড়া সেখানে রয়েছে গ্রিলের দোকান, ভাঙারির দোকানসহ অন্তত ৪০টি দোকানঘর।
লেকের পাড়ে খান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামে স্টিল ও লোহার সরঞ্জাম তৈরির একটি দোকান রয়েছে। এর মালিক আলাউদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি  বলেন, তাঁর জমি রয়েছে ১৩ কাঠা। প্রবাসী ভাই জসিম উদ্দিন ভূঁইয়ার রয়েছে আরও সাত কাঠা।
রাজউকের অনুমোদন ছাড়া স্থাপনা নির্মাণ প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ৪৫ বছর ধরে তিনি ওই এলাকায় বসবাস করছেন। আদালত এখানে রাজউককে স্থাপনার নকশা দিতে বলেছেন। কিন্তু রাজউক তা দিচ্ছে না। এ ছাড়া রায় অনুসারে এখানে উন্নয়নের জন্য ২০ ফুট রাস্তা করার কথা। কিন্তু রাজউক চাইছে ৪০ ফুট।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জানান, ব্যবসায়ী ভাই মনির হোসেনের সঙ্গে তাঁর নিজের ১২ কাঠা জায়গা রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার আগে একবার জমি অধিগ্রহণ করে পরে অবমুক্ত করে দেয়। এ বাবদ ক্ষতিপূরণের টাকাও তাঁরা ফেরত দিয়েছেন।
জানতে চাইলে রাজউক চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া গতকাল রোববার বলেন, ‘আদালতের রায়ের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। স্থাপনা নির্মাণের নকশা অনুমোদনের আগে আবেদনকারীদের কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। তাঁরা ইমারত নির্মাণ আইন বা জলাধার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করছেন কি না, তা দেখতে হয়। আমাদের কোনো আপিল করার সুযোগ রয়েছে কি না, সেটাও দেখা হচ্ছে।’
নতুন স্থাপনা প্রসঙ্গে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজউক এলাকায় যেকোনো স্থাপনা তৈরি করতে হলে অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু শাহজাদপুরে লেকপাড়ে নতুন কোনো স্থাপনার জন্য নকশা পাস করা হয়নি। লেক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে আমাদের কিছু ব্যক্তিমালিকের জমি পুনঃ অধিগ্রহণ করতে হবে।’
রাজউকের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লেক উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে গুলশান-বাড্ডা স্যুটিং ক্লাব থেকে মরিয়ম টাওয়ার-২ পর্যন্ত ৪০ ফুট চওড়া সড়ক বা ‘ড্রাইভওয়ে’ এবং লেকজুড়ে পায়ে চলার পথ বা ‘ওয়াকওয়ে’ নির্মাণ, লেককে দূষণমুক্ত রাখা ইত্যাদি। ড্রাইভওয়ে ও ওয়াকওয়ে করার কারণে লেকের সীমানা পুনর্চিহ্নিত করা সহজ হবে এবং নতুন করে দখল হতে পারবে না।

শুভ সমরাটপ্রথম পাতা
রাজধানীর শাহজাদপুরে গুলশান-বারিধারা লেকের অংশে গড়ে উঠছে নতুন স্থাপনা। এসব স্থাপনার কারণে লেকের আয়তন কমছে। গত শনিবার লেক এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গুলশান ১০৬ নম্বর সড়কের পাশে লেকের অংশ ভরাট করে নতুন-পুরোনো টিন দিয়ে স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। মিস্ত্রিরা বলেন, তাঁরা মজুরির বিনিময়ে স্থাপনা তৈরি করছেন। এর বাইরে তাঁরা কিছু...