শিরোনাম
শহর ও গ্রামের ব্যবধান কমাতে সরকার কাজ করছে : ইমরান আহমসরকার দেশকে আরো মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিতে কাজ করছে : শেখ হাসিনানারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের (বীরাঙ্গনা) গেজেটভুক্তির লক্ষ্যে আবেদন আহ্বানকুমিল্লায় আড়াই বছরের শিশুর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে মাকে ধর্ষণকুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রোশন আলীর বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগযারা দুর্নীতি করে ঐশ্বর্য গড়েন, তাদের ঘৃণা করা উচিত : মো: তাজুল ইসলামমুক্তিযোদ্ধাদের নামের পূর্বে ‘বীর’ লেখার বিধান করে গেজেট প্রকাশনারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের মূলহোতা এবার হত্যা মামলায় রিমান্ডেএখনো সুঅভিনেত্রী সুইটিমেসি-দেম্বেলের গোলে জুভেন্টাসকে হারালো বার্সা

প্রাণনাশের আশঙ্কা থেকেই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা: আইজিপি

1440393252
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, সন্ত্রাসীরা যে দলেরই হোক বা যতো বড়ই হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর আইনগত ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশের জীবননাশের আশঙ্কা থেকেই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। তবে বন্দুকযুদ্ধে কেউ নিহত হলে তা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়। সেজন্য আমাদের তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়, জবাবদিহিতাও করতে হয়। রবিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশ স্টাফ কলেজে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি বলেন, সন্ত্রাসীদের কারণে আমাদের (পুলিশের) অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়। সন্ত্রাসীরা যদি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়, আইন-শৃঙ্খলার জন্য হুমকি হয়, তখন তাদের প্রতি জিরো টলারেন্স দেখাতে হয়। এক্ষেত্রে সেই সন্ত্রাসী কোন দলের লোক তা বিবেচনা করা হয় না।

শহীদুল হক বলেন, আমরা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। যেখানে সন্ত্রাসী পাওয়া যাবে, যেখানে আইন অমান্য হবে, সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সব প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ব্লগার হত্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্লগার হত্যার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। কট্টোরপন্থিদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, কেউ যদি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে, তাহলে তার নামে মামলা করুন। ভিন্নমত পোষণকারীদের হত্যা করা কোনো আইনে নেই।

আর ব্লগারদের উদ্দেশ্য করে আইজিপি বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে, এমন কোনো লেখা ব্লগে লিখবেন না। ধর্মকে কটাক্ষ করে মানুষের মনে আঘাত দেবেন না। আপনারা মুক্ত মনে লেখালেখি করুন। তবে ধর্মকে বাদ দিয়ে লিখুন।

দুই সপ্তাহের কর্মশালায় দশটি দেশের ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন। প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভুটান, কম্বোডিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। প্রশিক্ষণ কোর্সে বাঘ ও অন্যান্য বণ্যপ্রাণী পাচার রোধ, বাঘ সংরক্ষণ সংক্রান্ত উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয়েও আলোচনা করা হয়।