8
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।
ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় ভিভারতো প্রদেশে রয়েছে জঙ্গলে ঘেরা এক উদ্যান যার নাম ‘সাকরো বোসকো’। যে উদ্যানটি দৈত্যদের উদ্যান হিসেবেও পরিচিত।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
তবে সেখানে সত্যিকার কোন দৈত্যের বসবাস ছিল না। মূলত উদ্যানের মধ্যে নির্মিত দৈত্যাকার সব মূর্তির কারণেই এটি দৈত্যদের উদ্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ষোড়শ শতকে পিয়ার ফ্রান্সোসকোর যিনি কিনা ভিসিনো অরসিনি নামেও পরিচিত।

স্ত্রী গুলিয়া ফ্রান্সেসের প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত ছিলেন ভিসিনো। স্ত্রীর মৃত্যু তাকে দারুণভাবে নাড়া দেয়। জঙ্গলের মধ্যে একের পর এক গড়ে তোলেন দানবাকার সব মূর্তি। সিংহের সাথে ড্রাগনের কাল্পনিক যুদ্ধ, দৈত্যাকার হাতি কিংবা মানবমূর্তি নানা ধরনের মূর্তি গড়ে তুলেছেন তিনি। জঙ্গলের মধ্যেই গড়ে তোলেন নতুন এক পৃথিবী। সেই বিচিত্র পৃথিবী অনেকটাই বাস্তব পৃথিবী থেকে ভিন্ন। এর মধ্যে দিয়ে চলার সময় গা ছমছম করে ওঠে।

ধ্রুপদী শিল্প-সাহিত্যে ভিসিনো’র এই শিল্পকর্মগুলো বেশ আলোচিত। কেউ কেউ মনে করেন গ্রীক আর্কেডিয়া থেকেও অনুপ্রাণিত হয়ে থাকতে পারেন ভিসিনো। তবে বেশিরভাগ বিশ্লেষক মনে করেন, স্ত্রী গুলিয়া ফ্রান্সেসের মৃত্যুই তাকে সেখানে এই ধরনের শিল্পকর্মের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছিল। তবে কারো কারো মতে ব্যক্তিগত জীবনের হতাশা দ্বারাই তিনি প্রভাবিত হয়েছিলেন।

৫০০ বছর আগের সেই উদ্যানটি এখনো নতুন করে মানুষের মধ্যে কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে। ষোড়শ শতকের ঐ রহস্যমন উদ্যান নিয়ে তার পরের দুইশ বছর খুব একটা আলোচনা না হলেও বিংশ শতকে এসে নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে ‘সাকরো বোসকো’। শিল্পী সালভাদোর দালী ‘সাকরো বোসকো’ ঘুরে আসার পরই তা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ১৯৪৮ সালে দৈত্যদের উদ্যানের ওপর একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ১৯৬৪ সালে পেইন্টিংয়ের মধ্য দিয়েও সাকরো বোসকোকে সামনে নিয়ে আসেন তিনি। ভিসিনো নেই তবু দৈত্য উদ্যানের সেই দৈত্যরা এখন অতন্দ্র প্রহরী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে জঙ্গলে।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। সূত্র : বিবিসি

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/09/831.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/09/831-300x300.jpgতালুকদার বাবুলআন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক । ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় ভিভারতো প্রদেশে রয়েছে জঙ্গলে ঘেরা এক উদ্যান যার নাম ‘সাকরো বোসকো’। যে উদ্যানটি দৈত্যদের উদ্যান হিসেবেও পরিচিত।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। তবে সেখানে সত্যিকার কোন দৈত্যের বসবাস ছিল না। মূলত উদ্যানের মধ্যে নির্মিত দৈত্যাকার সব মূর্তির কারণেই এটি দৈত্যদের উদ্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।...