4
উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাখাইনের জাতিগত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগণের ওপর অমানবিক অত্যাচার বন্ধ এবং বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নেপিডো’র সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় তবে কোন অন্যায়-অবিচার সহ্য করবে না।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার জেলার উখিয়া কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে মিয়ানমার থেকে আশ্রয়ের জন্য আসা জনগণের মধ্যে ত্রাণসমাগ্রী বিতরণ ও পরিদর্শন শেষে ক্যাম্পে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তি এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। তবে আমরা কোন ধরনের অন্যায়-অত্যাচার গ্রহণ বা মেনে নিতে পারি না এবং এই ব্যাপারে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’

বেলা পৌঁনে ১২টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন ও জনসভা শেষে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলার সময় আবেগ-আপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা শুনে এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। মিয়ানমার সেনা ও বিজিপি এবং রাখাইন উগ্রবাদীদের হাতে আহত ও গুলিবিদ্ধ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গা নারী, পুরুষেরা প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে, প্রধানমন্ত্রীকে ‘মা’ ‘মা’ বলে কাঁদতে থাকেন। এসময় পুরো শরণার্থী শিবিরের পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী কয়েকজন রোহিঙ্গা শিশুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদেন। তিনি আধা ঘন্টা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন, প্রত্যেককে সান্ত্বনা দেন। তার বোন এবং বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আসা সাত লাখ রোহিঙ্গাকেও বাংলাদেশ খাওয়াতে পারবে। বিপদে পড়ে আমাদের দেশে আসা দুই-পাঁচ-সাত লাখ মানুষকে খাবার দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের আছে।’ শরণার্থীদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের জনগণের প্রতি অত্যাচার বন্ধ এবং বাংলাদেশ থেকে শরণার্থীদের ফেরত নিয়ে যাবার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ অব্যাহত রাখার আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারের শরনার্থীদের পাশে রয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাব, যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা তাদের দেশে ফিরছে আমরা পাশে রয়েছি।’

মিয়ানমারের শরণার্থীদের দুরাবস্থা দেখার পর অন্তরের অন্তস্থলে গভীর দুঃখ অনুভব করছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারাও মানুষ এবং মানুষ হিসেবেই তাদের বাঁচার অধিকার রয়েছে। তারা কেন এত দুঃখ কষ্ট ভোগ করবে?’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করার কোন অধিকার মিয়ারমারের নেই। তাদেরকে মিয়ানমার সরকারের নিরাপত্তা দিতে হবে। যাতে নিজেদের দেশে তারা নিরাপদে বসবাস করতে পারে।’ এই বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারকে সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু আগে এই রোহিঙ্গাদের ওপর অন্যায়-অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং জরুরি সেবা শরণার্থীদের জন্য অব্যাহত রাখবে, তাতে কোন সমস্যা হবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে যদি সকলের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা সরকার দিতে পারে সেক্ষেত্রে মিয়ানমারের শরণার্থীদেরও কোন সমস্যা হবে না। এই বার্তাও প্রধানমন্ত্রী আগত রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যে দেন- এইখানে কোন স্বার্থান্বেষী মহল যদি ফায়দা লোটার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুতরাং বিচ্ছিন্নভাবে হলেও কেউ যেন এ ধরনের কোন অপচেষ্টার সাথে লিপ্ত না হন সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সকলকে সতর্ক করে দেন। এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই সব আশ্রিত জনগণের সঙ্গে কোন অস্থির বা অমানবিক আচরণ করা যাবে না। সহনশীলতার সঙ্গে এবং মানবতার সঙ্গে এইসব মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা বিবেচনার আহবান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে সৃষ্ট সংঘাত প্রসঙ্গে বলেন, বার বার আমরা দেখতে পাচ্ছি কিছু মানুষ কোন কোন জায়গায় এক একটা ঘটনা ঘটায়। তারাতো ঘটনা ঘটিয়েই চলে যায়। আর ভুক্তভোগী হতে হয় ছোট্ট শিশু, নারী আর সাধারণ মানুষদের। তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকারকে আমি বলব, তারা যেন এই নিরীহ মানুষগুলোর ওপর কোনরকম নির্যাতন না করে। এগুলো যেন তারা বন্ধ করে প্রকৃত দোষী যারা তাদের খুেঁজ বের করে। আর এটি করার জন্য প্রতিবেশী দেশ হিসেবে যা যা সাহায্যের দরকার, আমরা তা করবো। প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রশ্নে তার সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির পুনরোল্লেখ করে বলেন, আমাদের একটা সিদ্ধান্ত যে কোনরকমের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-কোন কিছুই আমরা কখনো মেনে নেব না। বা আমাদের মাটি ব্যবহার করে কেউ সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদি কাজ করবে তাও আমরা কখনো বরদাশত করবো না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে হাজার, হাজার, লাখ, লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়ে চলে এসেছে। সেখানে (মিয়ানমারে) এখনো আগুন জ্বলছে। সেখানে এখনো অনেকে আপনজনের হদিস পাচ্ছে না। নাফ নদীতে ছোট্ট শিশুর লাশ ভেসে বেড়াচ্ছে। মানুষের লাশ ভাসছে-এটা সম্পূর্ণ মানবতাবিরোধী কাজ। সাধারণ শিশু, নারী, পুরুষ সাধারণ মানুষেরা কি অপরাধ করেছে যে, তাদের ওপর এই জুলুম-অত্যাচার। এই ধরণের কর্মকান্ড আমরা কখনই সমর্থন করতে পারি না। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা মিয়ানমার সরকারকে বারবার বলেছি- আমাদের তরফ থেকে একটা কথা বলেছি যে, সেই ’৭৮ সাল থেকে মিয়ানমারে একটার পর একটা ঘটনা ঘটছে আর মানুষ এখানে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এদের ভোটের অধিকার, নাগরিক অধিকার-সব কেড়ে নেয়া হয়েছে। কেন এই অত্যাচার। এরাতো মিয়ানমারেরই লোক। মিয়ানমারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীতো নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন- এই রোহিঙ্গারা তাদেরই নাগরিক। তাহলে এখন তারা এই সমস্যা সৃষ্টি করছে কেন? প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এটুকুই বলবো এ ধরনের ঘটনা অমানবিক, এটি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। প্রতিবেশি দেশ আমরা। সেখানে কোন ঘটনা ঘটলে আমাদের ওপর চাপ পড়ে। তিনি বলেন, এই যে মানুষ আজকে এখানে এসেছে- আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে এখানে আশ্রয় দিয়েছি। কারণ স্বজন হারাবার বেদনাটা যে কি সেটা আমরা জানি। প্রধানমন্ত্রী তার এবং শেখ রেহানার কথা উল্লেখ করে বলেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট মা, বাবা, ভাই সব হারিয়ে আমাদেরও রিফিউজি হিসেবে বিদেশে থাকতে হয়েছে। আমার মনে পড়ে ১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অত্যাচার-নির্যাতন করেছিল তখন আমাদের দেশের মানুষও ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। এভাবেই ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছিল হানাদার বাহিনী। আমাদের নিজের ঘর, আমার দাদার বাড়ি, নানার বাড়ি এবং আমাদের আত্বীয়-স্বজনদের বাড়িঘর, আমাদের গ্রাম পুরো জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করা হয়েছিল। আজকের যারা নতুন প্রজন্ম তারা পাকিস্তানী বাহিনীর সেই বর্বর অত্যাচার-নির্যাতন দেখেনি। কিন্তু আমরা যারা দেখেছি তারা স্মরণ করতে পারি তা কিরকম ভয়াবহ ছিল। তাই এই শরনার্থীদের প্রতি আমি সকলকে সদয় হতে বলব। মানবতার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানাব। আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থাই আজ মিয়ানমারের শরণার্থীদের সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি রিলিফ কমিটি গঠন করে তার মাধ্যমে ত্রাণ সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছে।

সরকার বায়মেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে রিলিফ তত্পরতা চালিয়ে যাবার উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শরণার্থীদের নাম, ঠিকানা, পরিচয় লিপিবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে তাদের কোন সমস্যা হলে আমরা দেখভাল করতে পারি এবং তাদের দেখভাল করাটা আমাদের দায়িত্ব। যাতে সবকিছু সুন্দরভাবে করা যায় সেজন্যই এই উদ্যোগ বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শরণার্থীদের হাতে নিজে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় শরণার্থীরা তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে মিয়ানমারে তাদের ওপর হওয়া অত্যাচার নির্যাতনের বর্ণনা দেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্গত নারী ও শিশুকে কাছে টেনে নেন। সেখানে এক হূদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এর আগে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জ্বল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

আমরা মানুষ, এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের ফেরত নয়

অপরদিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বিবিসিকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিশু, নারী এবং নিরীহ মানুষের কী দোষ? তারা তো দায়ী নয়। সাধারণ জনগণকে আক্রমণের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বা অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমর্থন করা উচিত নয়। তিনি বলেন, তাদের (মিয়ানমারের) এটি বন্ধ করা উচিত। পাশাপাশি মিয়ানমার সরকারের উচিত ধৈর্য্যের সঙ্গে এ অবস্থা মোকাবিলা করা। তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় সংসদে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মিয়ানমারকে তাদের সব নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং তাদের জন্য একটি ভালো পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে।’ মিয়ানমারের ওপর চাপ বৃদ্ধির জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করুন, যাতে তারা তাদের জনগণকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা বিনয়ের সঙ্গে তাদের আশ্রয় দেব, যাতে তারা খাদ্য, চিকিত্সা পায়।’ কত দিন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেবেন বিবিসির সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যত দিন তাদের ফেরত না নেওয়া হবে। তারা মানুষ। এমন ভয়াবহ অবস্থায় আমরা তাদের ফেরত পাঠাতে পারি না। আমরা মানুষ।’
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/09/421.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/09/421-300x300.jpgশিল্পী দত্তজাতীয়
উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাখাইনের জাতিগত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগণের ওপর অমানবিক অত্যাচার বন্ধ এবং বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নেপিডো’র সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় তবে কোন অন্যায়-অবিচার সহ্য করবে না। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার জেলার উখিয়া...