1 copy
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।
ভারতের বিতর্কিত ধর্মগুরু বাবা রাম রহিমের ব্যক্তিগত আবাস থেকে সুড়ঙ্গটা চলে গেছে সোজা সাধ্বী নিবাসের দিকে। বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
এই গোপন পথের সন্ধান মিলেছে সিরসার ডেরায়। এছাড়াও আরেকটি সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছে শুক্রবার থেকে তল্লাশি চালানো একটি দল। হরিয়ানা সরকারের মুখপাত্র সতীশ মিশ্র জানিয়েছেন, আমরা জানলার মতো চৌকোনা একটা সুড়ঙ্গপথ পেয়েছি যেটা ডেরা আবাস থেকে সাধ্বী নিবাস পর্যন্ত গেছে। দ্বিতীয় সুড়ঙ্গটা ডেরার ভিতর থেকে শুরু হয়ে পাঁচ কিলোমিটার বাইরে গিয়ে শেষ হয়েছে। এটা পুরোটাই মাটির। সম্ভবত দরকারে পালানোর পথ হিসেবেই এটা তৈরি রাখা হয়েছিল, মনে করছে পুলিশ। এদিকে ডেরা থেকে বেআইনিভাবে হাসপাতালে লাশ পাচার করা হতো বলেও জানা গেছে।
গতকাল শনিবার ছিল সিরসার ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দপ্তরে পুলিশি তল্লাশির দ্বিতীয় দিন। তল্লাশিতে পুরো একটি বিস্ফোরক কারখানার খোঁজ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ কার্টুনের বেশি বিস্ফোরক। তল্লাশি অভিযান শুরুর ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই খোঁজ মেলে কারখানাটির। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশে ৭শ’ একরের ডেরা চত্বরে তল্লাশি শুক্রবার থেকেই শুরু হয়। তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ এবং সরকারি নানা বিভাগের ১০টি দল। রয়েছে ৪১ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী, ফরেন্সিক দলও।

লাশ পাচার হতো হাসপাতালে

ডেরা সচ্চা সৌদা থেকে লাশ পাচার করা হত বেসরকারি হাসপাতালে। এবার এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ডেরা সচ্চা আশ্রমের বহু কর্মীকে খুন করে সেখানেই মাটিচাপা দেওয়া খবর রয়েছে পুলিশের কাছে। মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (এমসিআই) সূত্রে খবর, মাস আটেক আগে লক্ষেৗয়ের জিসিআরজি ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তাদের প্রতিনিধিরা। তখন হাসপাতালের অ্যানাটমি বিভাগে ছিল মাত্র একটি দেহ। সেজন্য ওই হাসপাতাল সম্পর্কে খারাপ রিপোর্টও দিয়েছিল কাউন্সিল। কারণ, গবেষণাগারে কমপক্ষে ১৫টি দেহ থাকার নিয়ম। কিন্তু গত ১৬ আগস্ট ওই বেসরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ কাউন্সিল কর্মকর্তাদের। সেদিন হাসপাতালের অ্যানাটমি বিভাগে ১৫টি মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। মাত্র এই ক’মাসের মধ্যে অতিরিক্ত ১৪টি মৃতদেহ এলো কোথা থেকে? এ প্রশ্নের উত্তরেই তৈরি হয়েছে জল্পনা। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে, ওই ১৪টি দেহ ‘ভাল’ কাজের জন্য সিরসার ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দপ্তর থেকে দান করা হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে হাসপাতালের এক প্রতিনিধি ওঙ্কার যাদব জানিকোরণ, সংশ্লিষ্ট ১৪টি পরিবার হলফনামা দিয়ে জানিয়েছিল, গবেষণার জন্য দেহ দান করছে তারা। তবে কী করে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু হয়েছে তা জানাতে পারেননি যাদব।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/09/1-copy8.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/09/1-copy8-300x300.jpgজান্নাতুল ফেরদৌস মেহরিনআন্তর্জাতিকএক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক । ভারতের বিতর্কিত ধর্মগুরু বাবা রাম রহিমের ব্যক্তিগত আবাস থেকে সুড়ঙ্গটা চলে গেছে সোজা সাধ্বী নিবাসের দিকে। বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। এই গোপন পথের সন্ধান মিলেছে সিরসার ডেরায়। এছাড়াও আরেকটি সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছে শুক্রবার থেকে তল্লাশি চালানো একটি দল।...