8
রাজশাহী অফিস । বাঘা সংবাদদাতা
রাজশাহীর বাঘায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাধ্যমিকের গন্ডি না পেরুতে একাধির শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে দেয়া হচ্ছে। সোমবার উপজেলার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে এ চিত্র লক্ষ করা গেছে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
এর মধ্যে গত এক বছরে উপজেলার একটি প্রতিষ্ঠান হেলালপুর এম.এইচ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়েছে ২৫ শিক্ষার্থী।

অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, বাঘায় মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের গোপনে বাল্য বিয়ে দেয়ার হিড়িক পড়েছে। বিশেষ করে উপজেলার সীমান্তবর্তী পদ্মার চরাঞ্চলের চকরাজাপুর ও পলাশী ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং সমতল এলাকার হেলালপুর এম.এইচ বালিকা ও তেথুরিয়া বালিকা বিদ্যালয় বাল্য বিয়ে রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।

সোমবার সকালে সরেজমিনে বাঘা উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা কার্যক্রম কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান শফি’র সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন কালে এসব চিত্র ফুটে উঠে।

হেলালপুর এম.এইচ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে গত এক বছরে সপ্তম থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত মোট ২৫ শিক্ষর্থীর বাল্য বিয়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনি চেষ্টা চালিয়ে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দু’টি বিয়ে বন্ধ করতে পেরেছেন। অবশিষ্ট বিয়ে গুলো তার অজান্তে গোপনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী রয়েছে ৮ জন। সর্বশেষ গত ১৪ ও ১৯ আগষ্ঠ তহুরা সপ্তম ও লাকী খাতুন অষ্টম শ্রেনীর রাতে বিয়ে সম্পন্য হয়েছে।

অপর দিকে চরাঞ্চলের শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা দেয়ার পরেও গোপনে বাল্য বিয়ে রোধ করা যাচ্ছে না। তিনি আক্ষেপ করে ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, গত এক বছরে চরাঞ্চলের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে হয়েছে। একই অবস্থা সমতল এলাকার তেথুরিয়া বালিকা বিদ্যালয় এর।

বাঘা উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা কার্যক্রম কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান (শফি) ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, আমি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার পর এই প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে এসেছি। কিন্তু গোপনে বাল্য বিয়ে দেয়ার বিষয় গুলো আমার জানা ছিল না। আমি হতবাক হচ্ছি এই খবর শুনে। তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনেক ভাল মানুষ। তিনি বাঘার যে কোন এলাকায় বাল্য বিয়ের খবর শুনলে সেখানে ছুটে যান এবং তা বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। তিনি এ বিষয়ে শিক্ষক এবং উপজেলা প্রশাসনকে আরো সতর্ক ও সক্রীয় হওয়া-সহ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন একই সাথে বাল্য বিয়ে প্রতিরো বেসরকারী সংগঠন এবং এনজিও গুলোকে কার্যকরী ভুমিকা রাখার আহবান জানান।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/08/828.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/08/828-300x300.jpgশিশির সমরাটস্বদেশের খবর
রাজশাহী অফিস । বাঘা সংবাদদাতা রাজশাহীর বাঘায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাধ্যমিকের গন্ডি না পেরুতে একাধির শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে দেয়া হচ্ছে। সোমবার উপজেলার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে এ চিত্র লক্ষ করা গেছে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। এর মধ্যে গত এক বছরে উপজেলার একটি প্রতিষ্ঠান হেলালপুর এম.এইচ ...