4
ক্রীড়া প্রতিবেদক ।
বিদেশি দলগুলোর জন্য বাংলাদেশ কেমন উইকেট তৈরি করবে, এটা মোটেও খুব গোপন কোনো তথ্য নয়। অস্ট্রেলিয়ান দল এখানে আসার আগে থেকেই জানে, বাংলাদেশে তাদেরকে হয় স্পিন সহায়ক, না হয় ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে লড়তে হবে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
এই কথাটা জানেন বাংলাদেশের পেসাররাও। উইকেটে আর যাই থাক, পেসারদের জন্য যে কিছু থাকবে না, এই সত্যি তারা মেনে নিয়েছেন। সমস্যা হলো, উইকেট হবে জেনেও ফাস্ট বোলারদের নিজেদের অনুপ্রাণিত করাটা কঠিন হয়।

তাসকিন অবশ্য বললেন, কাজটা খুব কঠিন নয়। তিনি অন্তত ভাবেন, সুযোগ পেলে দেশের হয়ে খেলাটাই সবচেয়ে বড় প্রেরণা। তারপর দলকে জয়ের পথে নিয়ে যেতে সামান্য একটু অবদান রাখতে পারলেই তিনি খুশি। উইকেট সে যেমনই হোক। আর তাসকিন জোর দিয়ে বললেন, অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা খুব ভালো হতে পারেন। তাই বলে বাংলাদেশিরাও পিছিয়ে থাকবে না।

উইকেট ব্যাটিং সহায়ক হলেও যে অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা যে কিছু করতে পারেন, তা কিছুদিন আগেই ভারতে দেখিয়ে গেছেন প্যাট কামিন্সরা। তাসকিন মানলেন যে, কামিন্সরা তাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকবেন। তাই বলে নিজেদের ওপর বিশ্বাসটা হারাচ্ছেন না, ‘ওদের পেসাররা অবশ্যই ভালো। তবে আমরাও ফেলে দেওয়ার মতো না। আমাদের পেসাররা অনেক বড় ম্যাচ জিতিয়েছে। আমরা এই সিরিজেও ভালো কিছু করতে পারি। সে রকম বিশ্বাস আমাদের আছে।’

বাংলাদেশের পেসারদের ভালো করা মানে অবশ্যই মুস্তাফিজুর রহমানের জ্বলে ওঠা। তাসকিন আশাবাদী যে, মুস্তাফিজ জ্বলে উঠবেন। সেই সাথে পুরো পেস বিভাগই জ্বলে উঠবে বলে বিশ্বাস তার, ‘মুস্তাফিজের কাছে সব সময় আমাদের আশা বেশি থাকে। আল্লাহর রহমতে সে আশা পূরণও করে। হয়তো শেষ কয়েকটা ভালো হয়নি। এটা কিন্তু বিশ্বের সেরা বোলারদেরও দুই একটা ম্যাচ খারাপ হয়। এটা নিয়ে আমাদের চিন্তা নেই। আশা করি ও কামব্যাক করবে। আমাদেরও অনেক দায়িত্ব আছে অস্ট্রেলিয়ার বিক্ষে ভালো কিছু করার। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। ওদের চেয়ে আমরা উইকেট ভালো বুঝি। কারণ সব কিছু আমাদের চেনা আছে। আশা করছি সিরিজে আমরা ভালো কিছু করবো।’

বার বার সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের পেসারদের তুলনার প্রসঙ্গ এলো। তাসকিন স্বীকার করলেন যে, বিভিন্ন বৈচিত্র্য ব্যবহারে অস্ট্রেলিয়ানরা এগিয়ে আছে। তবে তারাও আগের চেয়ে অনেক ভালো করছেন বলে দাবি করলেন, ‘ওদের তুলনায় আমরা পিছিয়ে। তবে আমরা আগের চেয়ে ভালো। অনুশীলন করতে করতে আমরা আগের চেয়ে ভালো। রিভার্স সুইং বলেন বা সুইং বলেন, সব কিছু নিয়ে আমরা কাজ করছিলাম। আশা করছি আগে যা করতে পারিনি এখন আমরা তা পারবো।’

এই আত্মবিশ্বাসটা তাসকিনের কণ্ঠে পুরো সময় ধরে গম গম করলো। তিনি মনে করেন, এখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জেতার মতো যোগ্যতা তাদের আছে, ‘সত্যি কথা বলতে গেলে, দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট, এটা আনন্দের ব্যাপার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যে ম্যাচটা জিতেছি, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আত্মবিশ্বাসটা সেখান থেকে বেড়েছে। শ্রীলঙ্কার মাটিতে তাদের হারিয়েছি। এ কারণেই বিশ্বাসটা বেশি। চার পাঁচ বছর আগে, যখন টিভিতে খেলা দেখতাম, তখনকার চেয়ে বিশ্বাসটা এখন অনেক বেশি। লড়াই করার এবং জেতার।’
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/08/433.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/08/433-300x300.jpgশিশির সমরাটখেলাধুলা
ক্রীড়া প্রতিবেদক । বিদেশি দলগুলোর জন্য বাংলাদেশ কেমন উইকেট তৈরি করবে, এটা মোটেও খুব গোপন কোনো তথ্য নয়। অস্ট্রেলিয়ান দল এখানে আসার আগে থেকেই জানে, বাংলাদেশে তাদেরকে হয় স্পিন সহায়ক, না হয় ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে লড়তে হবে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। এই কথাটা জানেন বাংলাদেশের পেসাররাও। উইকেটে...