222
রাজধানীতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টায় ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এতে মহনগরীর অনেক সড়ক তলিয়ে যায়। সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা, জলজট এবং তীব্র যানজটের। ফলে চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হন নগরবাসী। নগরীর সেবা সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, শুধু ২ ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাজধানীর ২৫০০ কিলোমিটার সড়ক একেবারে তলিয়ে যায় পানির নিচে। ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কিছু সড়কের পানি নেমে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু সড়ক এবং অলিগলিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
বৃষ্টির পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে থাকায় রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে পারছে না। পানি উপেক্ষা করে চলতে গিয়ে অনেক অটোরিকশা দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সড়কের গর্তে পড়ে অনেক জায়গায় রিকশার চাকা ভেঙে গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত সড়কগুলোতে যানবাহন কম থাকলেও দুপুর ১টার পর থেকে সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। ফলে দুপুরের পরে মহানগরীর সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা আমিনুর রহমান পল্টন মোড়ে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে দুর্ভোগের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহের টানা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল রাজধানীর জনজীবন। সবাই বৃষ্টির প্রত্যাশা করেছি। রাতে হালকা বৃষ্টির পর সকালে আকাশজুড়ে ঘুট ঘুটে কালো অন্ধকার মনে আনন্দের দোলা দিয়েছিল। কিন্তু যানজট আর জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ সে আনন্দ ম্লান করে দিয়েছে।’
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. নূর আলম কুড়িল বিশ্বরোডে দাঁড়িয়ে যুগান্তরকে বলেন, ‘পল্টন থেকে দ্রুত অফিসে যাওয়ার জন্য সিএনজি ভাড়া নেই। মালিবাগ রেলক্রসিংয়ের কাছাকাছি পৌঁছাতেই বন্ধ হয়ে যায় সিএনজিটি। পরে বাসে চড়ে অফিসে এসেছি। টাকা বেশি খরচ হলেও নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারিনি।’
বৃষ্টি হলেই কেন রাজধানীতে জলজট-জলাবদ্ধতা? এমন প্রশ্নের উত্তরে ঢাকা ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশন) এসডিএম কামরুল আলম চৌধুরী বৃহস্পতিবার বিকালে যুগান্তরকে বলেন, ‘স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি বৃষ্টি হওয়ায় রাজধানীর সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যায়।’ এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বিশ্বের এমন কোনো শহর নেই, যেখানে বৃষ্টি হলে পানি জমে না। বৃষ্টির মৌসুমে মানুষ জলাবদ্ধতার কারণে সামান্য ভোগান্তির শিকার হবেন, এটাই স্বাভাবিক।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মো. সাঈদ খোকন বৃহস্পতিবার দুপুরে শান্তিনগর এলাকার সড়কের জলাবদ্ধতা দেখতে আসেন। এ সময় তিনি বলেন, রাজধানীর খালগুলো ভরাট এবং বক্স কালভার্ট করে ফেলায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এ সমস্যার সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তবে সাময়িক সমস্যা কিভাবে দূর করা যায় সেই ব্যবস্থা করা হবে।
সম্প্রতি রাজধানীর সেবা সংস্থাগুলোর বর্ষা মৌসুমের পানি নিষ্কাশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর খোলা ড্রেনগুলোর বেহাল অবস্থার কথা। ড্রেনগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভরা। এ ব্যাপারে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন একেবারে উদাসীন। ঢাকা ওয়াসার খালগুলোরও বেহাল দশা। দখল-ভরাটে সংকুচিত হয়ে গেছে খালগুলো। মাঝেমধ্যে খালগুলো পরিষ্কার করলেও তা আবারও পুরনো চেহারায় ফিরে যায়।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, উন্মুক্ত ৬৫ কিলোমিটার খাল দখলমুক্ত করতে পারছে না ওয়াসা। বাজেটের বরাদ্দ খরচ করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। জাল-জালিয়াতি করে ব্যক্তি মালিকানায় চলে যাওয়া ৫টি খালে গড়ে উঠছে বড় বড় স্থাপনা। এ খালগুলো উদ্ধারে ঢাকা ওয়াসার কোনো তৎপরতা নেই। দুটি স্থায়ী পাম্প স্টেশনের কাজ বেশ আগে শুরু হলেও এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। কমলাপুর ও রামপুরার এ দুটি পাম্প এবারের বর্ষায় নিষ্কাশন কাজে ব্যবহার করা যাবে কিনা তা নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। ১০ কিলোমিটার বক্স কালভার্ট আবর্জনায় একাকার হয়ে আছে। ২৯০ কিলোমিটার স্ট্রম ওয়াটার ড্রেনেজেরও বেহাল দশা।
বৃহস্পতিবরের বৃষ্টিতে হাঁটু পানি জমে ছিল জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, বিজয় সরণি মোড়, মালিবাগ, সিদ্ধেশ্বরী, মৌচাক, শান্তিনগর, রাজারবাগ, কাকরাইল, নয়াপল্টন, আরামবাগ, মতিঝিল, গোপীবাগ, পরীবাগ, লালমাটিয়া, রোকেয়া সরণি, মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর, হাজারীবাগ-শুক্রাবাদ, গুলশান-বারিধারা-বাড্ডা, বকশীবাজার, জুরাইন, শহীদ নগর এলাকার রাস্তাগুলোতে। তবে শান্তিনগর এলাকার সড়কগুলোতে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
ঢাকা ওয়াসার ড্রেনেজ বিভাগের এক প্রকৌশলী জানান, পানি নিষ্কাশনের জন্য কিছু পাইপলাইন চওড়া করা হলেও নতুন লাইন বাড়াতে পারেনি ঢাকা ওয়াসা। ঢাকার মিরপুর এলাকায় প্রায় ৭০ শতাংশ এবং উত্তরার প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকায় ওয়াসার ড্রেনেজ লাইন তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, ড্রেনেজ লাইন বাড়ানো ছাড়াও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি করতে হলে ঢাকার প্রধান সড়কগুলোর নিচে ওয়াসার প্রায় ২শ’ কিলোমিটার নালা-নর্দমা রয়েছে, তার পুরোটাই পাল্টাতে হবে। এজন্য প্রয়োজন অনেক টাকা, যা এ মুহূর্তে ওয়াসার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। এ কারণে ঢাকা ওয়াসা পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধানে এসব কাজগুলো করতে পারছে না।
নিষ্কাশন কাজে সমন্বয়হীনতা : ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তথ্যমতে, ঢাকা ওয়াসার ড্রেনেজ লাইন ও কালভার্টগুলো সঠিকভাবে পরিষ্কার না করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি। অনেক নর্দমা আবর্জনায় বন্ধ হয়ে গেছে। ওয়াসার অভিযোগ, সিটি কর্পোরেশনের খোলা ড্রেনের মাধ্যমে ময়লা জমছে ঢাকা ওয়াসার গভীর ড্রেনগুলোতে। অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশন খোলা ড্রেনগুলোর আবর্জনা পরিষ্কার না করায় বৃষ্টির পানি ওয়াসার ড্রেনে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হয়, ফলে সড়কে জলজট-জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার খোলা ড্রেন (সারফেস ড্রেনেজ লাইন) রয়েছে, যার বেশির ভাগই দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার করা হয় না। সেগুলোর কারণে ওয়াসার নিষ্কাশন নালা-নর্দমাও ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ঢাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ওয়াসা ও ডিসিসি ছাড়াও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নেই।
এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মো. সাঈদ খোকন বলেন, বর্ষা মৌসুমের পানি নিষ্কাশনের লক্ষ্যে সারফেস ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখা হচ্ছে। আমরা এ কথা বলতে পারি যে, আমাদের এলাকায় কোনো ড্রেনে ময়লার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে না। আর আমি নির্বাচিত হয়ে ঢাকা ওয়াসার এমডিকে ডেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছি। কিন্তু ওয়াসা কোনো কাজ করছে না। আমি ওয়াসার সঙ্গে এ ব্যাপারে আবারও কথা বলব।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক বলেন, পানি নিষ্কাশনের প্রধান কাজ ঢাকা ওয়াসার। রাজধানীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে আরও সমন্বনিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।
হারিয়ে যাচ্ছে রাজধানীর খাল : রাজধানীর ৪৩টি খালের মধ্যে ১৭টি হারিয়ে গেছে। বাকি ২৬টি খালের ৫টি ব্যক্তির নামে রেকর্ড হয়ে গেছে। বেদখল খাল উদ্ধার করতে নেমে জেলা প্রশাসন ও ওয়াসার কর্মকর্তারা তালিকাভুক্ত এসব খালের অস্তিত্বই খুঁজে পাচ্ছেন না। হারিয়ে যাওয়া ১৭ খাল আদৌ খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো।
অন্যদিকে ব্যক্তি মালিকানায় চলে যাওয়া খালগুলো ফিরে পেতে সরকারের সহায়তা চেয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। খালগুলো দখলের পর অবকাঠামোয় এমন পরিবর্তন আনা হয়েছে যে, ওই স্থানে কখনও খাল ছিল দেখে তা বোঝার উপায় নেই।
জেলা প্রশাসন ও ওয়াসার সূত্রগুলো জানিয়েছে, সত্তর দশকেও রাজধানীতে ৪৩টি প্রবাহমান খাল ছিল। এসব খাল দিয়ে বৃষ্টির পানি ও পয়ঃবর্জ্য স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন হতো। কিন্তু দখল-ভরাটে হারিয়ে যাচ্ছে এ খাল। কিছু খাল বক্স কালভার্ড করা হয়েছে। অবশিষ্ট খালের বেশির ভাগই সংকুচিত হয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে প্রবাহ।
ঢাকা ওয়াসা প্রায় ৫ বছর ধরে খালগুলো উদ্ধার করার প্রচেষ্টা চালালেও এখনও কোনো সফলতা আসেনি। অথচ পানি নিষ্কাশন এবং খাল উন্নয়নের নামে খরচ হয়েছে অন্তত তিন হাজার কোটি টাকা।
মাণ্ডা খাল : সবুজবাগ থেকে শুরু হয়ে মাদারটেক, দক্ষিণগাঁওয়ের পাশ দিয়ে বালু নদীতে মিশেছে মাণ্ডা খাল। এ খালটির দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার। প্রস্থ ৯-১৫ মিটার। দীর্ঘদিন থেকে এটি খালটি এলাকার পয়ঃনিষ্কাশনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। যদিও দখল-দূষণে খালটি সংকুচিত হয়ে গেছে। সম্প্রতি ঢাকা ওয়াসা রাজধানীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের আওতায় খাল আধুনিকায়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করলে খালটির মালিকানা খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে এটি ব্যক্তি মালিকানাধীন। খাল কিভাবে ব্যক্তি মালিকানাধীন হল এর কোনো কূল বের করতে পারেনি ওয়াসার কর্মকর্তারা।
হাজারীবাগ খাল : রায়েরবাজার থেকে হাজারীবাগ হয়ে এ খালটি কামরাঙ্গীরচরসংলগ্ন বুড়িগঙ্গার শাখা নদীতে গিয়ে মিশেছে। এ খালটি ওই এলাকার পয়ঃনিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম। খালটি এখন ব্যক্তি মালিকানাধীন। জানা গেছে, সি.এস, এস.এ, আর.এস এই জায়গা খাস ছিল। মহানগর জরিপে এটি খাল হিসেবে দেখানো হয়েছে। বর্তমানে হাজারীবাগ খালটি ভরাট করে প্লট করেছে মালিক দাবিদাররা।
কসাইবাড়ী খাল : আবদুল্লাপুর বাস টার্মিনালসংলগ্ন এলাকা থেকে এ খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ কিলোমিটার। প্রস্থ ১০-১৫ মিটার। ওই এলাকার পয়ঃনিষ্কাশনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু নানামুখী দখল-দূষণে খালটি সংকুচিত হয়ে গেছে। দখলের করালগ্রাসে এখন হারিয়ে যেতে বসেছে খালটি। ওয়াসার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে খালটি ব্যক্তি মালিকানায় চলে যাওয়ার কথা। এখন খালটি উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছে ওয়াসা, যদিও এখনও কোনো কূলকিনারা করা যায়নি।
সাংবাদিক কলোনি খাল : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দুই নম্বর ওয়ার্ডের মিরপুর বেনারসী পল্লী এলাকায় অবস্থিত সাংবাদিক কলোনি খাল। দৈর্ঘ্য প্রায় এক কিলোমিটার। আর প্রস্থ ১০-১৫ মিটার। দু’পাশের দখলে খালটি সরু নালায় পরিণত হয়েছে। মহানগর জরিপে এ খালটি ব্যক্তি মালিকানাধীন।
বাইশটেকি খাল : মিরপুর-১০ নম্বরে অবস্থিত বাইশটেকি খাল। এ খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় এক কিলোমিটার। আর প্রস্থ ১০-১৫ মিটার। বহুবছর ধরে ওই এলাকার পয়ঃনিষ্কাশনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এ খালটিও নানামুখী দখল-দূষণে বিলীন প্রায়। ওয়াসার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, খালটি ব্যক্তি মালিকানায় চলে গেছে।

তুনতুন হাসানশেষের পাতা
রাজধানীতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টায় ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এতে মহনগরীর অনেক সড়ক তলিয়ে যায়। সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা, জলজট এবং তীব্র যানজটের। ফলে চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হন নগরবাসী। নগরীর সেবা সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, শুধু ২ ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাজধানীর ২৫০০ কিলোমিটার সড়ক একেবারে...