1434002971
ঘুম থেকে উঠেই একটা স্বস্তির অনুভূতি। গরমে অতিষ্ঠ ঢাকাবাসীকে ভোরের বৃষ্টি এনে দিয়েছিল এক প্রশান্তি। সেই প্রশান্তি অবশ্য শেষ পর্যন্ত আর থাকে নি। সকালে ঢাকায় হয়ে যাওয়া মুষুলধারে বৃষ্টিতে কাক ভেজা হয়ে অফিসে যেতে হয়েছে অনেককেই। সেই সঙ্গে শহরের মূল রাস্তাগুলোর জলাবদ্ধতায় দীর্ঘ জ্যামের মধ্যে ভেজা অবস্থায় অপেক্ষা করতে হয়েছে স্কুল-কলেজে যাওয়া শিক্ষার্থী ও অফিসগামীদের।
রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় বৃষ্টিতে আটকে পড়ে প্রায় ৫০০’র বেশি মানুষ। এ সময় যানবাহন না থাকায় এবং বৃষ্টি থেকে বাঁচারা জন্য পর্যাপ্ত ছাউনি না থাকায় অনেকেই রাস্তায় দাড়িয়ে বাধ্য হয়ে বৃষ্টিতে ভিজেছেন। রামপুরা ব্রিজ থেকে গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডে যেতে প্রায় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে বাসে থাকা যাত্রীদের।
সকালে স্বস্তির বৃষ্টিতে ঢাকাবাসীর দুর্ভোগএকই অবস্থা ছিল কারওয়ান বাজার ও মতিঝিল এলাকায়। মতিঝিল এলাকায় অফিসে যাওয়া রাহাত মোবাইলে মানবকণ্ঠকে জানান, নটরডেম কলেজ থেকে শাপলা চত্তর এলাকায় ফুটপাথের সমান পানি জমেছে রোডে। ফলে বেশ যানজট রয়েছে সেখানে।
অন্যদিকে কারওয়ান বাজারে বাস না পাওয়া যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। সেখানে মূল রোডে পানি না জমলেও পানি জমেছে বাজারের ভেতরের রোডে।
গুলশানে বেসরকারি চাকরিতে থাকা নাজনীন বাড্ডা লিংক রোডে একটি দোকানে দাড়িয়ে ছিলেন। স্বস্তির এই বৃষ্টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৃষ্টিতে ভিজতে খারাপ লাগে না। কিন্তু অফিসে দেরি হয়ে যাচ্ছে। আর এভাবে আধা ভেজা হয়ে অফিস করাটা বিরক্তিকর। বাসও পাওয়া যাচ্ছে না। আর পাওয়া গেলেও লিংক রোড থেকে গুলশান এক মোড়ে যেতেই হয়ত ১ ঘণ্টা লেগে যাবে। তাই বৃষ্টি থামার অপেক্ষায় আছি। আজ মনে হচ্ছে হেটেই অফিসে যেতে হবে।
নাজনীনের মত এমন আরো অনেকেই আটকে আছে বিভিন্ন দোকানের সামনে। সবমিলিয়ে সকালের স্বস্তির বৃষ্টি বেশ ভালোই ভুগিয়েছে নগরবাসীকে।

শুভ সমরাটশেষের পাতা
ঘুম থেকে উঠেই একটা স্বস্তির অনুভূতি। গরমে অতিষ্ঠ ঢাকাবাসীকে ভোরের বৃষ্টি এনে দিয়েছিল এক প্রশান্তি। সেই প্রশান্তি অবশ্য শেষ পর্যন্ত আর থাকে নি। সকালে ঢাকায় হয়ে যাওয়া মুষুলধারে বৃষ্টিতে কাক ভেজা হয়ে অফিসে যেতে হয়েছে অনেককেই। সেই সঙ্গে শহরের মূল রাস্তাগুলোর জলাবদ্ধতায় দীর্ঘ জ্যামের মধ্যে ভেজা অবস্থায় অপেক্ষা করতে...