বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
Uncategorized

গরু আনতে ভারত সীমান্তে না যাওয়ার আহ্বান বিজিবির

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০১৫
  • ১২ দেখা হয়েছে

1439130999
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরু আনতে বাংলাদেশিদের ভারত সীমান্তে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। রবিবার সকালে বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান। সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে নিয়ে আসতে বিজিবির এই আহ্বান বলেও জানান তিনি।

বিজিবি মহাপরিচলক বলেন, সীমান্তে বেসামরিক হত্যা অনেকটা কমেছে। বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠকে এই হত্যার সংখ্যা উপস্থাপন করা হয়। গত বছর এর সংখ্যা ছিলো ৪০ জন। এই বছরে এর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২৬-এ।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্তে হত্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে ভারতের গরু রফতানি করা। ভারত গরু রফতানির বিষয়ে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তারা অফিসিয়ালি ভাবে এই বিষয়ে খুব কঠোর। ফলে এই প্রক্রিয়ায় হত্যার সংখ্যা বেড়ে থাকে। আম‍ার নির্দেশনা একটাই- ‘বাংলাদেশি কোনো রাখাল যেনো বর্ডার ক্রস না করে’। বর্ডার এলাকায় গরু আনতে গেলেই কিলিং (হত্যা) বাড়ে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত ৩ আগস্ট থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠক শেষে দেশে ফিরে রাজধানী ঢাকার পিলখানা বিজিবি সদর দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি এই নির্দেশনার কথা জানান।

আজিজ আহমেদ বলেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনার ৯টি মূল এজেন্ডা ছিল। এর মধ্যে প্রধান এজেন্ডা ছিল—নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে নিয়ে আসার সবোর্চ্চ চেষ্টা, পর্যায়ক্রমে গুলি বা অন্য প্রক্রিয়ায় হত্যা, বাংলাদেশি নাগরিকদের আটক বন্ধ, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম রোধ ও মানবপাচার, বিস্ফোরক দ্রব্য চোরাচালান, মাদকদ্রব্য পাচার, সীমান্তে পপি চাষ বন্ধ, সীমান্তে ১৫০ গজের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও নির্মাণ কাজ, উভয় দেশে সীমান্তে নদী সমূহের তীর সংরক্ষণসহ পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির উপায়।

এ ছাড়া, ৩ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে প্রথমে প্রাতরাশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ফেলানী ইস্যুতে বিএসএফ মহাপরিচালক ডি কে পাঠান বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদকে অবহিত করেন।

বিএসএফ মহাপরিচালক জানান, নিম্ন আদালত কর্তৃক ইতিমধ্যে ঘোষিত রায় এখনো তিনি অনুমোদন করেননি। যদি ফেলানীর পরিবার নিম্ন আদালত ঘোষিত রায়ে সংক্ষুব্ধ হয় এবং বিএসএফকে সেই বিষয়ে অবহিত করে তাহলে বিএসএফ নতুন বিচারকদের সমন্বয়ে নতুনভাবে আদালত গঠনপূর্বক বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই ব্যাপারে ফেলানীর পিতা এবং তাদের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে বিজিবির পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সকল সহযোগিতা করা হবে বলে জানান বিজিবি’র মহাপরিচালক। এরই মধ্যে ফেলানীর পরিবার ও আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
themesba-lates1749691102