শিরোনাম
বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে মনে হয় বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো : ড. হাছান মাহমুদপায়েলকে শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন অনুরাগবিএনপির আন্দোলনের তর্জন-গর্জনই শুধু শোনা যায়, বর্ষণ দেখা যায় না : ওবায়দুল কাদেরশুটিং শুরু হচ্ছে নিরব-অপু জুটির প্রথম ছবিরকরোনামুক্ত হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমশীতে করোনার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা, প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান শেখ হাসিনারস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালকের বিলাসবহুল বাড়ি, ফ্ল্যাট, অঢেল টাকাসাহেদের মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বরকুষ্টিয়ায় পুলিশের হাতে ধৃত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে, ২ মামলামনপুরায় জোয়ারে নিম্নাঞ্চলসহ ফসলের ক্ষেত প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

রাজধানীতে দ্বিতীয় দিনের অভিযান ফিটনেসবিহীন গাড়ি কমেছে

86762_x8
রাজধানীতে ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফলে ফিটনেসবিহীন গাড়ির সংখ্যা গতকাল রাস্তায় কম দেখা গেছে। ভয়ে এসব গাড়ি রাস্তায় নামাচ্ছেন না মালিকরা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মশিউর রহমান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানিয়েছেন, অভিযানে সিটিং সার্ভিসের তুলনায় লোকাল সার্ভিস বাস বেশি ফিটনেসবিহীন পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, অনেক লোকাল বাস পাওয়া যাচ্ছে যেগুলোর ফিটনেস তো নেই, নম্বরপত্রও নেই। এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর নজরদারি বাড়ানো দরকার বলেও তিনি মনে করেন। চলমান অভিযানের কারণে রাস্তায় গণপরিবহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীসাধারণ কিছুটা ভোগান্তির শিকার হলেও বৃহৎ স্বার্থে তা মেনে নিচ্ছেন তারা। বলছেন, রাস্তায় ভাঙাচুরা গাড়ির চেয়ে ভাল গাড়ির সংখ্যা কম থাকলে অসুবিধা নেই। মোহাম্মদপুর থেকে নিয়মিত মতিঝিলে অফিস করেন মিজানুর রহমান। তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ভালর জন্য সামান্য কষ্ট শিকার করতে তার কোন সমস্যা নেই। সরকারের উচিত ভাল মানের বেশি গণপরিবহনের ব্যবস্থা করা। লালবাগ গণকটুলী থেকে মতিঝিল অফিসে যান লিজা আক্তার। তার মতে, ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান ভাল। এতে এ ধরনের গাড়ি রাস্তায় আসবে না। প্রজাপতি বাসের সুপারভাইজার মো. সোহেল ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, মালিকের ৫৭টি গাড়ির মধ্যে গতকাল চলছে ৪৭টি গাড়ি। কাগজপত্রের ঝামেলার কারণে বাকি গাড়িগুলো বসিয়ে রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আজিমপুর-গাজীপুর রুটের ভিআইপি-২৭ নম্বর বাসের মালিক ও পরিবহন মালিক সমিতির নেতা আক্তার হোসেন বলেন, এ রুটে দিনে গড়ে শতাধিক বাস চলাচল করে। ফিটনেস সমস্যার কারণে বাকি গাড়ি বসিয়ে রাখা হয়েছে। মালিকদের বলা হয়েছে ফিটনেস ঠিক করে গাড়ি রাস্তায় নামাতে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিএরটিএ) হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ফিটনেসবিহীন গাড়ির সংখ্যা প্রায় তিন লাখ।
মহাসড়কে অটোরিকশা চান না পরিবহন-মালিক শ্রমিকরা: পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরাও মহাসড়কে অটোরিকশা বন্ধের পক্ষে। জাতীয় মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে সরকারের নিষেধাজ্ঞার প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের নেতারা বলেন, তারা এ নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার পক্ষে।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য দেন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা বহালের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ২০-২৫ শতাংশ কমে আসবে। এ ছাড়া মহাসড়কে দ্রুত ও ধীরগতির যানবাহন পাশাপাশি চলার কারণে দিন দিন দুর্ঘটনা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সরকারের এ নিষেধাজ্ঞার ফলে অটোরিকশা শ্রমিকরা তাদের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হওয়ার যে দাবি করেছেন তা যৌক্তিক নয় বলে মনে করেন। যেসব সড়কে অটোরিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তা দেশের মোট সড়কের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ। বাকি সব সড়কেই তো এসব অটোরিকশা চলাচল করতে পারছে। এ ছাড়া পরিষদ ফিটনেসবিহীন যান ও অবৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স জব্দ করার প্রতিও তাদের সমর্থন আছে বলে জানান।