profile
নৌযান সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশনে ব্যাপক অনিয়ম এবং দুর্নীতির কারণে দেশের নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির সাথে শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত থাকায় সমুদ্র পরিবহণ অধিদফতরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। ফলে নৌপথে দুর্ঘটনার পাশাপাশি প্রাণ ও সম্পদহানির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, নৌযান নিবন্ধনে শত শত কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকিসহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করলেও রহস্যজনক কারণে তা থমকে আছে। সমুদ্র পরিবহণ অধিদফতর এবং দুদকের অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই অভিযুক্তরা বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে রেখেছে বলে জানা যায়। সিন্ডিকেটের অন্যতম দুই সদস্য হলেন ইঞ্জিনিয়ার ও শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর এবং নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন কে. এম. জসীম উদ্দিন সরকার। এর মধ্যে মির্জা সাইফুর বর্তমানে ঢাকা নদী বন্দর এবং ক্যাপ্টেন কে. এম. জসীম উদ্দিন সরকার খুলনা নৌ বাণিজ্য দফতরে কর্মরত। সমুদ্র পরিবহণ অধিদফতরে এই দুই কর্মকর্তা দুর্নীতির বরপুত্র হিসেবে পরিচিত। চাঞ্চল্যকর বিষয় হচ্ছে, তাদের দুর্নীতি ও অনিয়মের বলি হয়ে একের পর এক দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি হলেও তারা আছেন বহাল তবিয়তে। বিভিন্ন তদন্তে অনিয়মে সম্পৃক্ততা প্রমাণ হবার পরও তাদের টিকিটিও স্পর্শ করা যায় না।

শুভ সমরাটঅপরাধের ডায়েরী থেকে
নৌযান সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশনে ব্যাপক অনিয়ম এবং দুর্নীতির কারণে দেশের নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির সাথে শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত থাকায় সমুদ্র পরিবহণ অধিদফতরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। ফলে নৌপথে দুর্ঘটনার পাশাপাশি প্রাণ ও সম্পদহানির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়,...