দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, খুন, ছিনতাই, চুরি ডাকাতি, মারামারি, রাহাজানিসহ আরও বিভিন্ন কারণে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। বিএনপি’র লাগাতার আন্দোলন গত জানুয়ারি থেকে মার্চ এই তিন মাস হওয়ার কারণে দেশের পুলিশ প্রশাসন তখন দেশের আন্দোলন ঠেকাতে ব্যস্ত ছিল। যার কারণে তারা ঐ সময় দেশের অন্যান্য সেক্টরে তেমন কোনো কঠিন পদক্ষেপ নিতে পারেনি। যার কারণে তখন দেশের মধ্যে আইন শৃঙ্খলার তখন কিছুটা অবনতি হয়েছিল। মানুষের ধারনা ছিল বিএনপি’র আন্দোলন বন্ধ হলে হয়ত দেশের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক অবস্তায় ফিরে আসবে। কিন্তু এখন দেখা গেল পুরো উল্টো। এখন দেশের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক দলের কোনো রকমের কর্মসূচি নাই। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা আগের চেয়ে অনেক অবনতি হয়ে গেছে। প্রতিদিনই দেশের কোনো না কোনো জায়গায় মানুষ নিয়মিত খুন হচ্ছে। এটা যেন রুটিন মাফিক কাজে পরিণত হয়ে গেছে। গত ১৪ মে চট্টগ্রাম নগরীতে সতীনের বাসায় বেড়াতে গিয়ে খুন হন এক প্রবাসীর স্ত্রী। ১৫ মে কঙ্বাজারের চকরিয়ায় বাপের হাতে খুন হন তিন সন্তান, ১৩ মে রাজধানীর পল্লবীতে আত্মীয় পরিচয়ে বাসায় ঢুকে ডেসকোর এক প্রকৌশলীর স্ত্রী সুইটি ইসলাম ও তার মামা আমিনুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে পুলিশ সুইটির ৫ বছরের বাচ্চাকে তার বাথরুম থেকে উদ্ধার করে। এভাবে একের পর এক খুন বেড়েই চলছে। কোনো খুুনের কোনো বিচার হচ্ছে না। যার কারণে অপরাধীরা তারা তাদের অপরাধের মাত্রা আর বাড়িয়ে দিচ্ছে। যদি কোনো অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পর দেশের প্রচলিত আইনে তাদের বিচার হতো তাহলে হয়তো দেশের খুন খারাপি অনেকটা কমে যেত। কোনো হত্যাকা-ের সঠিক বিচার না হওয়ার কারণে দেশে অপরাধের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকাকে দেয়া পুলিশ সদর দফতরের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে সারাদেশে খুন হয়েছে ১ হাজার ৩০২ জন। গড়ে প্রতিদিন ১১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৩২৯, ফেব্রুয়ারিতে ৩০৯, মার্চে ৩৭৭ ও এপ্রিলে ৩২৭ জন খুন হয়। এছাড়া অপহরণ বিষয়ক পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে গড়ে ৫৫ জন অপহৃত হয়েছে। এর পরবর্তী দুই মাসে এ গড় বেড়ে দাঁড়ায় ৬৯-এ। ৪ মাসে সর্বমোট ২৪৮ জন অপহরণের শিকার হন। এখন আমাদের বুঝতে হবে আমরা কোনো সমাজে বসবাস করছি? কারণ আমরা তো মানুষ, মানুষ তো মানব সমাজে বসবাস করে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশের বর্তমান যে পরিস্থিতি তা দেখে মনে হয় না যে, আমরা কোনো মানব সমাজে বসবাস করছি। কারণ মানুষ তো মানুষ হত্যা করতে পারে না। কারণ যে, সমাজে মানুষ মানুষকে হত্যা করতে পারে তা আর মানব সমাজ হতে পারে না। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা যেভাবে দিন দিন সহিংসতার দিকে ধাবিত হচ্ছে তা দেশের সকল মানুষের বিবেক কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে দেখা যায়, মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ এমন এক জায়গায় অবস্থান করছে, তা শুধু বর্তমান সমাজই কলুষিত করছে না আমাদের ঠেলে দিচ্ছে এক অনিশ্চয়তার ঘোর অন্ধকারের দিকে। এখন আমাদের সকলকে এই অন্ধাকারের জগৎ হতে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের সকলের বিবেককে জাগ্রত করে তুলতে হবে। দেশের খুন খারাপির বিরুদ্ধে সকলকে রুখে দাঁড়াতে হবে। দেশের সকল মানুষকেই রাহাজানি, হানাহানি, খুন খারাপির সুফল ও কুফল সস্পর্কে সবাইকে জানতে হবে। যেভাবে দেশে খুন খারাপি চলছে তার প্রতিবাদ যদি আমরা দেশের সকল সচেতন মানুষ এক সাথে করতে না পারি তা হলে এক দিন বাক প্রতিবন্ধী হয়ে যাব। আমরা আমাদের পরবর্তি প্রজন্মের কাছে জিম্মি হয়ে যাব। তাদের কাছে জবাব দেবার মতো কোনো উত্তর আমাদের থাকবে না। গত কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছিল একই কায়দায় ৮ হত্যা। এ লেখাটি অবশ্যই প্রকাশিত হয়েছিল বিজ্ঞান মনষ্ক লেখক ও বস্নগার অভিজিৎ রায় হত্যাকা-ের পরে। লেখা থেকে বোঝা যায় অভিজিৎ হত্যার পূর্বে আরও যে ৭টি হত্যা কা- সংগঠিত হয়েছিল তাদের ধরন আর অভিজিৎ রায় হত্যাকা- একই রকম। তাহলে আামাদের বোঝা উচিৎ পূর্বের হত্যাকা-গুলোর যদি সঠিক বিচার হতো তাহলে হয়তো আর বস্নগার ও তরুণ বিজ্ঞান লেখক অনন্ত বিজয় দাশকে আর এভাবে জীবন দিতে হতো না। অনন্ত বিজয় দাশ বাংলাদেশেরই সন্তান, এদেশের আলো বাতাসে তার বেড়ে ওঠা।এদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে সে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে। সে পূবালী ব্যাংকে চাকরি করত। গত ১১ মে সে বাসা থেকে সকালবেলা তার কর্মস্থল যাওযার পথে সুবিদবাজার এলাকার বনকলাপাড়ায় খুন হয়। দুবৃর্ত্তরা তার মাথার ডানে বামে পেছনে এবং ঘাড়ে এমনভাবে কোপায় সাথে সাথে তার মাথার মগজ ছিটকে পড়ে। কোনো লোজজন তার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। সন্ত্রাসী চলে যাওয়ার পর লোকজন তাকে হাসপাতালে নিলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অনন্ত বিজয় দাশকে খুন করার পর আনসার বাংলা ৮ নামের একটি জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা ভারতীয় উপমহাদেশের শাখা হত্যার দায় স্বীকার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে বিবৃতি দেয়। তার হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে সিলেট গণজাগরণ মঞ্চসহ অন্য লোকেরা বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করে। ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট গিবসন এ ঘটনার নিন্দা জানান। সরকারের পুলিশ প্রশাসনের লোকেরা এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। তার অভিজিত হত্যার সময় ও জোর চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন। কিন্তু কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। অনন্ত বিজয় দাশ হত্যার পূর্বে যারা খুন হয়েছিল সরকারের লোকেরা যদি তাদের বিচার করত তাহলে হয়তো অভিজিত এর মতো অনন্ত বিজয় দাশকে আর এভাবে জীবন দিতে হতো না। যে জায়গায় হত্যার দায় স্বীকার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় তার পরও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না কেন তা নিয়ে এদেশের বিজ্ঞ মহলের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এক এক করে দেশের মেধাবী লোকদেরকে খুন করা হবে আর আমাদের সরকার এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না তা হয় না। তা হলে এ দেশের মানুষ আপনাকে ভোট দিয়ে সরকার বানাল কেন? তারা কোথায় পাবে তাদের জীবনের নিরাপত্তা? যাদেরকে তারা হত্যা করেছে তারা কেউ তো দেশের কোনো ক্ষতি করে নাই। এসব জ্ঞানী লোকজন দ্বারা দেশের অনেক উপকার হতো। অভিজিত এর ও কোনো দোষ ছিল না। সে যুক্তরাষ্ট্রে সস্ত্রীক বসবাস করছিল। সে আবার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিগকও। বই মেলায় তার বই প্রকাশিত হয়েছে তাই সে তার নিজ জন্মভূমি বাংলাদেশে এসেছে কিছুদিনের জন্য। মেলা শেষ হলে তিনি আবার যুক্তরাষ্ট্রে চলে যেতেন। তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক, অভিজিৎ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা একজন ইঞ্জিনিয়ার। এ ধরনের একজন মেধাবী লোককে মেরে ফেলল সাথে তার স্ত্রী ও মারাত্মক আহত হলো। তার স্ত্রীর উন্নত চিকিৎসার জন্য এখন আমেরিকায় আছে। এই খুনের ও সঠিক বিচার হাওয়া উচিৎ। অভিজিৎ রায় আমেরিকার নাগরিক হওয়াতে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগ এফবিআই তার হত্যার তদন্ত করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছ। এবং তারা বাংলাদেশে এসে পুলিশের সহায়তায় তদন্ত করে চেষ্টা করবে এ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য। রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারলে এর সঠিক বিচার পাওয়ার আশা করা যেতে পারে। তার কারণ হল এর পিছনে আছে অনেক শক্তিধর দেশ। হত্যার রহস্য বের হতে পারে, কারণ যারা তাকে হত্যা করেছ তারা হত্যা করে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করে স্ট্যাটাস লিখেছে। এবং অভিজিৎ রায়ের রক্তমাখা ছবি ও নাকি তারা ফেসবুকে দিয়েছে। এবং তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। তারা আনসারুল্লা বাংলা ৭ নামের জঙ্গি সংগঠনের লোক। এ সূত্র ধরে শফিউর রহমান ফারাবী নামের এক লোককে গ্রেফাতার ও করা হয়েছে। কতোবড় দুর্দান্ত সন্ত্রাসী হলে হত্যার দায় স্বীকার করতে পারে তা আমাদের আর বোজার বাকী নাই। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ইউনুস, বস্নগার আহমেদ রাজিব হায়দার, গোপীবাগের সিক্র মার্ডার, বস্নগার আশরাফুল ইসলাম, চ্যানেল আইয়ের ইসলামী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী, উত্তরায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাশিদুল, বস্নগার অভিজিৎ রায়, এবং বস্নগার আসিফ মহিউদ্দিনওবস্নগার রাকিব মামুনের হত্যাকা- প্রায় একই ধরনের ও একই সুতোয় গাঁথা। ২০০৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সংলগ্ন বিনোদপুরে নিজ বাসার কাছে খুন হন অধ্যাপক ইউনুস, ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পল্লবীতে বাসার কাছে খুন হন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী বস্নগার আহমেদ রাজীব হায়দার, ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজধানীর পূর্বরাজাবাজারের নিজ বাসায় খুন হন বেসরকারী টিভি চ্যানেলের ইসলামী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী। অভিজিৎ হত্যায় একই ধরনের গোষ্ঠী জড়িত বলে অনেকের ধারনা। আমাদের দেশের যে সমস্ত বুদ্ধিজীবীরা নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য বিদেশি নেতাদের সাথে ভাইবারে কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় লাশ ফেলে দেয়ার আলোচনা করতে পারেন আমরা সেই বুদ্ধিজীবিদের কাছে কি আশা করতে পারি? তারা হয়ত এক সময় ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি, বর্তমানে তারা রাজনৈতিকভাবে একবারে দেউলিয়া। বর্তমান রাজনৈতিক মাঠে তাদের কোনো অবস্থান নেই। তাদের চিন্তা করতে হবে দেশে জঙ্গির আগমন কখন ঘটেছিল। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল এসময়ের মধ্যে দেশে জঙ্গির উত্থান হয়েছে। এসময়ের মধ্যে শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়ে আইভিসহ অনেক নেতাকর্মী প্রাণ হারান। শায়খ আবদুর রহমান, বাংলা ভাইসহ আরও অনেক ভয়ঙ্কর জঙ্গির জন্ম হয়েছিল। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় বোমা হামলা হয় এই সময়ের শাসনের মধ্যে। এখন আমাদের সবকিছু বন্ধ করে জীবন রক্ষা করতে হবে।দেশের সকল শ্রেণির মানুষের বাঁচার অধিকার রয়েছে। সকল বাঁচতে হবে। দেশের সরকার প্রধানকে আমাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। আপনারা আপনাদের রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ করে আগে আমাদের জীবনের নিরাপত্তা দেন। আমাদের বাঁচান, দেশ বাঁচান তারপর রাজনীতি করুন। আমরা অনন্ত বিজয় দাশ, অভিজিৎ রায়, মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী, অধ্যাপক ইউনুস এর মতো মরতে চাই না। আমাদের দেশের সরকার প্রধানকে আরো কঠোর হতে হবে। দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর হস্তে দলমত নির্বিশেষে সকলের স্বার্থে সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করতে হবে। যদি অপরাধীদের সনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা যায় তাহলে আস্তে আস্তে অপরাধের পরিমাণ কমে আসবে। পুলিশ প্রশাসনকে রাজনৈতিক সঙ্গ ত্যাগ করে আইনের গতিতে আইনকে চালিয়ে নিতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে লিয়াজোঁ করলে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হবে না। রাজনৈতিক লিয়াজোঁ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করে দায়িত্ব পালন করলেই আমাদের দেশের অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।

মো. ওসমান গনি : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

শুভ সমরাটমতামত
দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, খুন, ছিনতাই, চুরি ডাকাতি, মারামারি, রাহাজানিসহ আরও বিভিন্ন কারণে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। বিএনপি'র লাগাতার আন্দোলন গত জানুয়ারি থেকে মার্চ এই তিন মাস হওয়ার কারণে দেশের পুলিশ প্রশাসন তখন দেশের আন্দোলন ঠেকাতে ব্যস্ত ছিল। যার কারণে তারা ঐ সময় দেশের অন্যান্য সেক্টরে তেমন কোনো কঠিন...