5555তুরস্কের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দীর্ঘ ১৩ বছর পর একক সংখ্যাতুরস্কের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দীর্ঘ ১৩ বছর পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে ক্ষমতাসীন একে পার্টি। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন একে পার্টি পেয়েছে প্রায় ৪১ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, দেশটির প্রধান বিরোধীদল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি- সিএইচপি ২৫ শতাংশ এবং দ্য ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টি – এমএইচপি পেয়েছে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। এবারের নির্বাচনে একে পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তুরস্কের সংবিধান সংশোধিত করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করতে পারছেন না প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান। তুরস্কের ২৫তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভে ব্যর্থ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী দাভুতৌলুর দল। এর মধ্যদিয়ে দীর্ঘ ১৩ বছরের সাফল্য থেকে কিছুটা নেমে এসেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তবে তাতে ভক্ত ও সমর্থকদের বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ভাটা পড়েনি। নির্বাচনে ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছে দাভুতৌলুর দল একে পার্টি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৩৩০টি আসনের প্রয়োজন হলেও একেপি পেয়েছে ২৫৮টি আসন। আর ব্যর্থতা স্বীকার করে জনগণের রায় মেনে নিয়েছেন দাভুতৌলু। আহমেত দাভুতৌলু বলেন, আমরা এবারের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়েছি। আমরা আমাদের নীতি ও আদর্শ নিয়ে কাজ করে যাবো। শুরু থেকেই আমাদের একে পার্টি তুরস্কের মেরুদ-ের মতো কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও নিজেদের পথ থেকে সরে দাঁড়াবো না আমরা। এবারের নির্বাচনে দেশটির প্রধান বিরোধীদল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি- সিএইচপি ২৫ শতাংশ এবং দ্য ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টি – এমএইচপি পেয়েছে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। এই অর্জনের মধ্যদিয়ে আগামীতে আরো উদ্যম ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেন সিএইচপির চেয়ারম্যান। তুরস্কের ২৫তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির বামপন্থী কুর্দি সমর্থিত পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি – এইচডিপি অপ্রত্যাশিতভাবে পেয়েছে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোট, যা একে পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে ধারনা করা হচ্ছে। সামাজিক গবেষণা বিশেষজ্ঞ ফারুক আকার বলেন, একে পার্টির ব্যর্থতার কারণ হিসেবে কাজ করেছে এইচডিপি পার্টির তরুণ নেতৃত্ব ও নারী শক্তির উত্থান। এই তারুণ্যের মধ্যদিয়ে তারা তুরস্কের পার্লামেন্টকে আরো কার্যকর ও উজ্জীবিত করবে বলে আশা জনগণের। এইচডিপির উত্থানে স্পষ্টতই তার স্বপ্নের মৃত্যু ঘণ্টা বাজতে শুনেছেন তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও একে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রেসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান পরিবর্তন করে তুরস্ককে প্রেসিডেন্ট প্রধান দেশে রূপান্তর করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। এই প্রেক্ষাপটে এইচডিপি চেয়ারম্যান সালেহাত্তিন মন্তব্য করেছেন এইচডিপির এই অর্জনের ফলে এরদোয়ানের একনায়কতন্ত্রের ইতি ঘটেছে। এইচডিপি চেয়ারম্যান সালেহাত্তিন দেমিরতাস বলেন, আমরা অপ্রত্যাশিত সাফল্য পেয়েছি। আমরা খুশি আমাদের এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে কারো কারো ব্যর্থতার সূচনা হয়েছে। তুরস্কে একনায়কতন্ত্র কায়েমের প্রত্যাশা আমরা ভেঙে দিয়েছি। এদেশে সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়বিচার অক্ষুন্ন রাখতে আমরা কাজ করে যাবো। এদিকে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিলেও কোয়ালিশন বা জোট সরকার গঠনে আগ্রহী নয় একে পার্টি। বিরোধী দলের সাথে জোট গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে বলে মনে করছেন পার্টি নেতারা। এমন এক নেতার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, তুরস্কে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না তারা।গরিষ্ঠতা হারিয়েছে ক্ষমতাসীন একে পার্টি। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন একে পার্টি পেয়েছে প্রায় ৪১ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, দেশটির প্রধান বিরোধীদল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি- সিএইচপি ২৫ শতাংশ এবং দ্য ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টি – এমএইচপি পেয়েছে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। এবারের নির্বাচনে একে পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তুরস্কের সংবিধান সংশোধিত করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করতে পারছেন না প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান। তুরস্কের ২৫তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভে ব্যর্থ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী দাভুতৌলুর দল। এর মধ্যদিয়ে দীর্ঘ ১৩ বছরের সাফল্য থেকে কিছুটা নেমে এসেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তবে তাতে ভক্ত ও সমর্থকদের বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ভাটা পড়েনি। নির্বাচনে ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছে দাভুতৌলুর দল একে পার্টি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৩৩০টি আসনের প্রয়োজন হলেও একেপি পেয়েছে ২৫৮টি আসন। আর ব্যর্থতা স্বীকার করে জনগণের রায় মেনে নিয়েছেন দাভুতৌলু। আহমেত দাভুতৌলু বলেন, আমরা এবারের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়েছি। আমরা আমাদের নীতি ও আদর্শ নিয়ে কাজ করে যাবো। শুরু থেকেই আমাদের একে পার্টি তুরস্কের মেরুদ-ের মতো কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও নিজেদের পথ থেকে সরে দাঁড়াবো না আমরা। এবারের নির্বাচনে দেশটির প্রধান বিরোধীদল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি- সিএইচপি ২৫ শতাংশ এবং দ্য ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টি – এমএইচপি পেয়েছে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। এই অর্জনের মধ্যদিয়ে আগামীতে আরো উদ্যম ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেন সিএইচপির চেয়ারম্যান। তুরস্কের ২৫তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির বামপন্থী কুর্দি সমর্থিত পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি – এইচডিপি অপ্রত্যাশিতভাবে পেয়েছে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোট, যা একে পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে ধারনা করা হচ্ছে। সামাজিক গবেষণা বিশেষজ্ঞ ফারুক আকার বলেন, একে পার্টির ব্যর্থতার কারণ হিসেবে কাজ করেছে এইচডিপি পার্টির তরুণ নেতৃত্ব ও নারী শক্তির উত্থান। এই তারুণ্যের মধ্যদিয়ে তারা তুরস্কের পার্লামেন্টকে আরো কার্যকর ও উজ্জীবিত করবে বলে আশা জনগণের। এইচডিপির উত্থানে স্পষ্টতই তার স্বপ্নের মৃত্যু ঘণ্টা বাজতে শুনেছেন তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও একে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রেসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান পরিবর্তন করে তুরস্ককে প্রেসিডেন্ট প্রধান দেশে রূপান্তর করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। এই প্রেক্ষাপটে এইচডিপি চেয়ারম্যান সালেহাত্তিন মন্তব্য করেছেন এইচডিপির এই অর্জনের ফলে এরদোয়ানের একনায়কতন্ত্রের ইতি ঘটেছে। এইচডিপি চেয়ারম্যান সালেহাত্তিন দেমিরতাস বলেন, আমরা অপ্রত্যাশিত সাফল্য পেয়েছি। আমরা খুশি আমাদের এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে কারো কারো ব্যর্থতার সূচনা হয়েছে। তুরস্কে একনায়কতন্ত্র কায়েমের প্রত্যাশা আমরা ভেঙে দিয়েছি। এদেশে সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়বিচার অক্ষুন্ন রাখতে আমরা কাজ করে যাবো। এদিকে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিলেও কোয়ালিশন বা জোট সরকার গঠনে আগ্রহী নয় একে পার্টি। বিরোধী দলের সাথে জোট গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে বলে মনে করছেন পার্টি নেতারা। এমন এক নেতার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, তুরস্কে মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না তারা।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/06/5555.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/06/5555-300x300.jpgশুভ সমরাটজাতীয়
তুরস্কের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দীর্ঘ ১৩ বছর পর একক সংখ্যাতুরস্কের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দীর্ঘ ১৩ বছর পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে ক্ষমতাসীন একে পার্টি। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন একে পার্টি পেয়েছে প্রায় ৪১ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, দেশটির প্রধান বিরোধীদল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি- সিএইচপি ২৫ শতাংশ এবং দ্য ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টি - এমএইচপি পেয়েছে ১৬...