বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
Uncategorized

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে মা-মেয়েসহ নিহত ৫

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫
  • ৮ দেখা হয়েছে

pic-18_249470

টানা পাঁচ দিনের ভারি বর্ষণের কারণে কক্সবাজার শহরে পাহাড়ধসে মা-মেয়েসহ দুটি পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো চারজন। গত রবিবার দিবাগত রাতে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের পেছনে অবস্থিত রাডার স্টেশনের পাহাড়টির কিছু অংশ ধসে প্রাণহানির এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে রাডার স্টেশনটি।

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতেও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। প্রাণহানি না হলেও খাগড়াছড়ি সদরের কয়েকটি এলাকার দুই শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজার থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পাহাড়ধসে দক্ষিণ বাহারছড়ার কবরস্থানপাড়ার দুটি ঘর চাপা পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছে দুই পরিবারের পাঁচজন।

তারা হলো কক্সবাজার জেলা বাস্তুহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাড়ার সর্দার শাহ আলম (৪৫), তাঁর স্ত্রী রোকেয়া আক্তার (৩৩) ও ভাতিজি রিনা আক্তার (১৬), একই পাড়ার খায়রুল আমিনের স্ত্রী জুনু বেগম (২৮) ও তাঁর মেয়ে নীহা মনি (৭)।

ঘটনার পর থেকেই গতকাল সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত সেনাবাহিনীর ১৬ ইসিবি (প্রকৌশল ইউনিট) সদস্য, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী একটানা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আরো চারজনকে।

এলাকাবাসী ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানায়, গভীর রাতে প্রবল বর্ষণের সময়ই সমতলভূমি থেকে প্রায় ১২০ ফুট উচ্চতার রাডার স্টেশনের পাহাড়টির পশ্চিমাংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। পাহাড়টির উত্তর দিকে হিলটপ সার্কিট হাউস (ভিভিআইপি সার্কিট হাউস) এবং দক্ষিণ দিকে রাডার স্টেশনটির অবস্থান। কেপিআই (গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) মর্যাদার এই রাডার স্টেশনটির পাহাড়টি রক্ষার জন্য তিন স্তরের যে প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছিল, সেই দেয়ালসহই পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এ কারণে চাপা পড়া ঘর দুটি মাটির সঙ্গে একদম মিশে গেছে।

সৈকতপাড়ার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম চৌধুরী ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানান, পাহাড়ধসের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের নির্মাণকাজে নিয়োজিত ১৬ সেনা প্রকৌশল বিভাগের উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুব আহমেদের নেতৃত্বে সেনা সদস্যরা ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাতেই উদ্ধার অভিযানে নেমে পড়েন। দুই ঘণ্টার মধ্যে ধসে পড়া মাটি সরিয়ে একটি পরিবারের দুই সদস্য নূরুন্নবী (২৮) ও শেফায়েতকে (২০) আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর আয়াত (১২) ও শারমিন আক্তার (২০) নামের আরো দুজনকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহম্মদ ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানান, সকালে প্রথমে জুনু বেগম ও তাঁর মেয়ে নীহার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

সেনা সদস্য মোহাম্মদ শেফায়েত ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে বলেন, ‘উদ্ধারের সময় দেখা গেছে, জুনু বেগম তাঁর মেয়েকে বুকে জড়িয়ে আছেন। এ দৃশ্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।’

উদ্ধারকারীরা জানান, বিকেল আড়াইটার দিকে পাহাড়ের মাটি সরিয়ে একই স্থান থেকে উদ্ধারকর্মীরা শাহ আলম ও তাঁর স্ত্রী রোকেয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এর কিছুক্ষণ পর একই স্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় পাওয়া যায় শাহ আলমের ভাতিজি রিনার লাশ।

রিনার কলেজে যাওয়াই হলো না : কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট গ্রামেই বেড়ে উঠেছে রিনা আকতার। এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেয়েছে সে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল কক্সবাজার সরকারি কলেজে। এবার গ্রাম থেকে শহরে বসবাস করে পড়ালেখা করবে রিনা। তার চাচা কক্সবাজার জেলা বাস্তুহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমের বাসায় থেকে লেখাপড়া করার জন্য মহেশখালীর গ্রাম থেকে শহরে আসা তার। আজ মঙ্গলবারই প্রথম কলেজে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু সেই কলেজে যাওয়া আর হলো না।

প্রতিবেশী গৃহবধূ শাহিনা আকতার ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে বলেন. ‘আহারে, কত ভালো মেয়ে ছিলরে রিনা। গত ক’দিনের ব্যবহারেই বুঝছিলাম রিনা লক্ষ্মী মেয়ে ছিল।’

পাহাড়ধসের আশঙ্কাই বাঁচিয়েছে বাবু-নীপুকে : নিহত শাহ আলম-রোকেয়া দম্পতির ছেলে বাবু (১২) ও মেয়ে নীপু (৬) প্রাণে বেঁচে গেছে পাহাড়ধসের আশঙ্কার কারণেই। কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ায় শাহ আলমের শ্বশুরবাড়ি। কাছাকাছি হওয়ায় বাবু ও নীপু প্রায়ই নানাবাড়িতে থাকত। পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তাদের মামা ফারুক সোমবার সন্ধ্যায় রাডার পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বাসায় গিয়ে বোন রোকেয়া ও দুলাভাই শাহ আলমকে সরে যেতে বলেছিলেন। তাঁরা রাজি না হওয়ায় ফারুক বাবু ও নীপুকে তাঁদের বাড়ি নিয়ে আসেন।

স্ত্রী-কন্যা হারালেন খায়রুল : কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে আচার ও ঝিনুকের দোকান আছে খায়রুল আমিনের। ছেলে আয়াত ও মেয়ে নীহা মনি এবং স্ত্রী জুনুকে নিয়ে ছিল তাঁর সুখের সংসার। এখন পর্যটন মৌসুম চলছে, তাই সৈকতের দোকান থেকে ঘরে ফিরতে অনেক রাত হয়। এ কারণে তিনি প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঘরে ফিরেছেন, কিন্তু ততক্ষণে তাঁর সব শেষ হয়ে গেছে। কিশোর ছেলেটি রক্ষা পেলেও হারিয়েছেন স্ত্রী-কন্যাকে।

রাডার পাহাড় চরম ঝুঁকিতে : সত্তরের দশকে প্রথম রাডার নির্মিত হয়েছিল কক্সবাজারের এই সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায়। সেই থেকে পাহাড়টি রাডার পাহাড় নামে পরিচিত। সেই রাডারের ক্ষমতা ছিল দুর্বল। তাই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রাডারটি স্থাপন করা হয় মাত্র তিন-চার বছর আগে। সেই পাহাড় থেকে সাগরের ৪২০ কিলোমিটার দূরে মেঘের আনাগোনা থেকে ঝড়ঝঞ্ঝার যাবতীয় সংকেত ধরা পড়ে। এই রাডার থেকেই ঢাকার কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরে প্রেরণ করা হয় আবহাওয়ার সতর্ক সংকেতও। সোমবারের পাহাড়ধসের কারণে সেই রাডার স্টেশনটি এখন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মুজিবুল হক ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে বলেন, ‘জাইকার অর্থায়নে কক্সবাজারের এই উচ্চ ক্ষমতার রাডারটি স্থাপন করা হয়। পাহাড় ধসে পড়ায় রাডারও এখন ঝুঁকিতে রয়েছে।’

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সরানো হচ্ছে : কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. অনুপম সাহা জানিয়েছেন, পাঁচ দিন ধরে বর্ষণের কারণে কক্সবাজার শহরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সরানোর কাজ চলছে। এমনিতেই কয়েক দিন ধরে মাইকের মাধ্যমে লোকজনকে সতর্ক করা হচ্ছিল। পাহাড়ধসের পর থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার কাজ চলছে।

রাঙামাটি প্রতিনিধি জানান, জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস আর পাহাড়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। শহরের তবলছড়ির এডিসি হিল, রিজার্ভবাজারের উন্নয়ন বোর্ড সড়ক, রাঙামাটি সরকারি কলেজের শহীদ মিনারের পেছনের পাহাড়, পাবলিক হেলথ এলাকা, শিমুলতলি, পুলিশ লাইন এলাকাসহ আরো কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় পাঁচ শতাধিক পরিবারকে শহরের ওমদামিয়া জুনিয়র হাই স্কুল, শহীদ আব্দুল আলী একাডেমি ও আমানতবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোলা আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শহরের সবচেয়ে ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা রিজার্ভবাজারে প্রবেশের সড়কটিতে ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় দুই দিন ধরে মোটরসাইকেল ছাড়া আর কোনো যানবাহন চলছে না ওই এলাকায়। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় আতঙ্কের কারণ হয়েছে শহরের বটগাছগুলো। এ ছাড়া কাপ্তাই, বাঘাইছড়ি, লংগদু ও কাউখালি থেকেও পাহাড়ধস কিংবা পাহাড়ে ফাটলের সংবাদ পাওয়া গেছে।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানিয়েছেন, সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসক সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই মাইকিং করা হচ্ছে।

রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র সাইফুল ইসলাম ভুট্টো ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে বলেন, ‘পৌর এলাকাতেই ঝুঁকিতে বসবাস করা মানুষের সংখ্যা বেশি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।’

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানান, শনিবার মধ্য শালবনে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিনজন আহত হওয়ার পর নতুন করে কেউ আহত না হলেও ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকির কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড রেস্টহাউস, সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটি, ডিসি বাংলো পাহাড়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মধ্যে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানিয়েছেন, প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের অন্যত্র সরিয়ে নিতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
জানায়, গভীর রাতে প্রবল বর্ষণের সময়ই সমতলভূমি থেকে প্রায় ১২০ ফুট উচ্চতার রাডার স্টেশনের পাহাড়টির পশ্চিমাংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। পাহাড়টির উত্তর দিকে হিলটপ সার্কিট হাউস (ভিভিআইপি সার্কিট হাউস) এবং দক্ষিণ দিকে রাডার স্টেশনটির অবস্থান। কেপিআই (গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) মর্যাদার এই রাডার স্টেশনটির পাহাড়টি রক্ষার জন্য তিন স্তরের যে প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছিল, সেই দেয়ালসহই পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এ কারণে চাপা পড়া ঘর দুটি মাটির সঙ্গে একদম মিশে গেছে।

সৈকতপাড়ার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম চৌধুরী ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানান, পাহাড়ধসের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের নির্মাণকাজে নিয়োজিত ১৬ সেনা প্রকৌশল বিভাগের উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুব আহমেদের নেতৃত্বে সেনা সদস্যরা ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাতেই উদ্ধার অভিযানে নেমে পড়েন। দুই ঘণ্টার মধ্যে ধসে পড়া মাটি সরিয়ে একটি পরিবারের দুই সদস্য নূরুন্নবী (২৮) ও শেফায়েতকে (২০) আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর আয়াত (১২) ও শারমিন আক্তার (২০) নামের আরো দুজনকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহম্মদ ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানান, সকালে প্রথমে জুনু বেগম ও তাঁর মেয়ে নীহার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

সেনা সদস্য মোহাম্মদ শেফায়েত ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে বলেন, ‘উদ্ধারের সময় দেখা গেছে, জুনু বেগম তাঁর মেয়েকে বুকে জড়িয়ে আছেন। এ দৃশ্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।’

উদ্ধারকারীরা ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে জানান, বিকেল আড়াইটার দিকে পাহাড়ের মাটি সরিয়ে একই স্থান থেকে উদ্ধারকর্মীরা শাহ আলম ও তাঁর স্ত্রী রোকেয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এর কিছুক্ষণ পর একই স্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় পাওয়া যায় শাহ আলমের ভাতিজি রিনার লাশ।

রিনার কলেজে যাওয়াই হলো না : কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট গ্রামেই বেড়ে উঠেছে রিনা আকতার। এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেয়েছে সে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল কক্সবাজার সরকারি কলেজে। এবার গ্রাম থেকে শহরে বসবাস করে পড়ালেখা করবে রিনা। তার চাচা কক্সবাজার জেলা বাস্তুহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমের বাসায় থেকে লেখাপড়া করার জন্য মহেশখালীর গ্রাম থেকে শহরে আসা তার। আজ মঙ্গলবারই প্রথম কলেজে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু সেই কলেজে যাওয়া আর হলো না।

প্রতিবেশী গৃহবধূ শাহিনা আকতার ক্রাইম রিপোটৃার ২৪.কমকে বলেন. ‘আহারে, কত ভালো মেয়ে ছিলরে রিনা। গত ক’দিনের ব্যবহারেই বুঝছিলাম রিনা লক্ষ্মী মেয়ে ছিল।’

g.dpuf

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
themesba-lates1749691102