শিরোনাম
ইসিকে হেয় অপদস্ত করার জন্য সবই করছেন মাহবুব তালুকদার : সিইসিকরোনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ১২ শতাংশনির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকছে না : মাহবুব তালুকদারসুস্থ মুশতাকের হঠাৎ মৃত্যু অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে : ড. কামালবেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বন্ধ পাটকল চালুর নীতিতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিস্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশায় এলো স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীবিমান বাহিনীর বার্ষিক শীতকালীন মহড়া ‘উইনটেক্স-২০২১’ শুরুপ্রকল্প পরিচালকদের এলাকায় অবস্থান করতে হবে : শিল্পমন্ত্রীপাহাড়ে খালি সেনাক্যাম্পে পুলিশ মোতায়েন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীবীমা পদ্ধতির আধুনিকায়নে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ২ নভেম্বর

kader_siddiki-290x160
মানহানি মামলায় বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর (বীরউত্তম) বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
ঢাকা মহানগর হাকিম আলি মাসুদ শেখ রবিবার এ দিন ধার্য করেন।

মানহানি মামলায় কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে রবিবার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কাদের সিদ্দিকী আদালতে হাজির না হওয়ায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করা হয়।

ঢাকা মহানগর হাকিম আলী মাসুদ সেখ ২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর কাদের সিদ্দিকী আদালতে হাজির না হওয়ায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৩ সালের ১৮ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সাইফুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তিনি আদালতে হাজির হননি।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের বক্তব্যে কাদের সিদ্দিকী তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘রাজাকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেখে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্ভব নয়। ১৯৭১ সালে ম খা আলমগীর ময়মনসিংহের এডিসি ছিলেন। রাজাকারদের পক্ষে কাজ করেছেন তিনি। আমি তার সাক্ষী।’
ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে সামাজিক, মানসিক, আর্থিক ও সাংগঠনিকভাবে হেয় করার জন্য সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে কাদের সিদ্দিকী এ বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মজুমদার।

ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ২০১৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল এফ এস ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে লিখিত প্রতিবাদ ও উকিল নোটিশ পাঠান।

কাদের সিদ্দিকী উকিল নোটিশের কোনো উত্তর না দেওয়ায় রুহুল আমিন মজুমদার ওই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর আদালতে দুই শ’ কোটি টাকার মানহানির মামলাটি করেন।