corrupted shena kormokortaসেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মানুস কংপানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দেশের মানব পাচার বিরোধী আইন লঙ্ঘনের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা দেয়া হয়েছে দেশের পাচারবিরোধী অভিবাসন আইনে।

সোমবার তার ‍বিরুদ্ধে মানব পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করে থাই সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। এর আগে দেশটির সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও মাঠপর্যায়ের লোকজনের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগের এ ধারাবাহিকতায় রাজকীয় সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মানুস কংপানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছিল পুলিশ। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় সংখলা প্রদেশের না থাবি এলাকার প্রাদেশিক আদালত ওই শীর্ষ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন অনুমোদন করেন। এর পরপরই তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সেনাবাহিনী।

উপ-পুলিশপ্রধান অ্যাক আংসানানোন বলেন, ৫৮ বছর বয়সী সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা আত্মসমর্পণের ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে এই সেনা কর্মকর্তা গতকাল গণমাধ্যমকে জানান, পরোয়ানার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

এই খবর বের হওয়ার আগে সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইউদোমদেজ সিতাবাতরা বলেছিলেন, মানব পাচারের সঙ্গে কোনো সেনাসদস্য জড়িত আছেন কি না, তা তাঁর জানা নেই। তবে সোমবার তিনি বলেন, তাঁর অধস্তন কর্মীকে পুলিশ খুঁজছে বলে তিনি জেনেছেন। আর এ ব্যাপারে সেনাবাহিনী পুলিশকে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করছে।

সেনা কমান্ডার দাবি করেন, এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সেনাবাহিনীর জন্য কোনো আঘাত নয়। ওই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। সেনাবাহিনীর এক সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদনের বিষয়টি অবগত আছেন প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান-ওচা ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল প্রবিত ওংসুওন। বিষয়টিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে তদন্তকারীদের প্রতি সবুজ সংকেত দিয়েছেন এই দুজন এবং সেনাবাহিনীর ওই কমান্ডার।

সংখলায় গণকবর ও পাচারকারীদের আস্তানা আবিষ্কৃত হওয়ার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচার কেলেঙ্কারি নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই শুরু হয়। তীব্র সমালোচনার মুখে থাইল্যান্ডে মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে সেখানকার সেনা-সমর্থিত সরকার। গত প্রায় এক মাসের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে সন্দেহভাজন ৫১ পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তা। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে মোট ৮২ জনের বিরুদ্ধে। সন্দেহভাজন এসব লোকের মধ্যে এখন পর্যন্ত মানুস কংপানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
তথ্যসূত্রঃ প্রিয়.কম

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/06/corrupted-shena-kormokorta.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/06/corrupted-shena-kormokorta-300x300.jpgশুভ সমরাটআইন-আদালত
সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মানুস কংপানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দেশের মানব পাচার বিরোধী আইন লঙ্ঘনের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা দেয়া হয়েছে দেশের পাচারবিরোধী অভিবাসন আইনে। সোমবার তার ‍বিরুদ্ধে মানব পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করে থাই সেনাবাহিনীর...