83784_15
কক্সবাজারে ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নামবে। এমন প্রত্যাশা পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। ইতিমধ্যে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলের অধিকাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সংস্কার, চুনকামসহ সাজগোছ চলছে হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। আবহাওয়া ভাল থাকলে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন জলপথেও চলবে পর্যটকবাহী জাহাজ। এবারের ঈদের ছুটিতেও যথারীতি কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজারে বেড়াতে আসবেন আশা করছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যে শহরের ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেলের অধিকাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ঈদের আগে বাকি কক্ষগুলোও বুকিং হয়ে যাবে বলে আশা হোটেল ব্যবসায়ীদের। তবে ঈদের ছুটিতে কয়েক দিনের জন্য হোটেল বুকিং থাকলেও ২৩শে জুলাইয়ের পর তেমন বুকিং নেই বলে জানান সাগরপাড়ের তারকা হোটেল সী-গালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল ইসলাম ছিদ্দিকী রুমি।তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে তার হোটেলের প্রায় ৭০ ভাগ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে। প্রতিবছর ঈদে এই ধরনের আগাম বুকিং হয়। কক্সবাজার ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এসএম কিবরিয়া খান জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিগত কয়েক বছর দেশের পর্যটন ব্যবসায় চরম মন্দাভাব বিরাজ করলেও ঈদকে সামনে রেখে এ খাতে সম্ভাবনা দেখছেন পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্টরা। কক্সবাজারস্থ কেয়ারি সিন্দবাদ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেল্‌স- এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক হুমায়ূন কবীর জানান, প্রতিবছর অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত ৬ মাস পর্যটকের ভর মওসুম এবং বছরের বাকি সময় মন্দা মওসুম ধরা হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে শীতকালীন ভর মওসুমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক আসেনি। এবার অফ সিজনে ঈদ পড়লেও কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজারে বেড়াতে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আর পর্যটকদের প্রত্যাশার দিকে খেয়াল রেখে, আবহাওয়া ভাল থাকলে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন জলপথেও চলবে পর্যটকবাহী জাহাজ। তবে অফ সিজনের কারণে এ সময়ে বিদেশী পর্যটক তেমন আসছেন না বলে জানান তিনি।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি মো. আলী হোসেন বলেন, এবার রাজনৈতিক কোন সমস্যা না থাকায় অন্যান্য বারের তুলনায় পর্যটকরা অনেকটাই নিরাপদ বোধ করছেন, যার কারণে প্রত্যাশিত সংখ্যক পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন। আর তাদের নিরাপত্তার দিকে লক্ষ্য রেখে প্রশাসনও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। ঈদের ছুটিতে লাখ লাখ পর্যটককে নিরাপত্তা দিতে পুলিশও যথাযথভাবে প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার পুলিশের অতিরিক্ত সুপার তোফায়েল আহম্মেদ।

নৃপেন পোদ্দারএক্সক্লুসিভ
কক্সবাজারে ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নামবে। এমন প্রত্যাশা পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। ইতিমধ্যে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলের অধিকাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সংস্কার, চুনকামসহ সাজগোছ চলছে হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। আবহাওয়া ভাল থাকলে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন জলপথেও চলবে পর্যটকবাহী জাহাজ। এবারের ঈদের ছুটিতেও যথারীতি কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজারে বেড়াতে...