শিরোনাম
ইসিকে হেয় অপদস্ত করার জন্য সবই করছেন মাহবুব তালুকদার : সিইসিকরোনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ১২ শতাংশনির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকছে না : মাহবুব তালুকদারসুস্থ মুশতাকের হঠাৎ মৃত্যু অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে : ড. কামালবেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বন্ধ পাটকল চালুর নীতিতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিস্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশায় এলো স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীবিমান বাহিনীর বার্ষিক শীতকালীন মহড়া ‘উইনটেক্স-২০২১’ শুরুপ্রকল্প পরিচালকদের এলাকায় অবস্থান করতে হবে : শিল্পমন্ত্রীপাহাড়ে খালি সেনাক্যাম্পে পুলিশ মোতায়েন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীবীমা পদ্ধতির আধুনিকায়নে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর

1436813200

আজ দিবাগত রাত পবিত্র লাইলাতুল কদর। মহা মহিমান্বিত পবিত্র রজনী, হাজার মাস অপেক্ষা এই রাত শ্রেষ্ঠ। আজ ২৬ রমজান। দিনের শেষে আসন্ন রাতটি ২৭ রমজানের রাত হিসাবে চিহ্নিত। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী আজকের রাতটি পবিত্র লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক।

মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে অধিক সম্ভাবনার ভিত্তিতে আজ রাতে সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র লাইলাতুল কদর অন্বেষণ করে থাকেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ্ তা’য়ালা লাইলাতুল কদরকে হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম বলে অভিহিত করেছেন। এর অর্থ হলো, সাধারণ এক হাজার মাস তথা তিরাশি বছর চার মাস প্রতিরাত জাগ্রত থেকে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি নফল ইবাদত করলে যে সওয়াব হবে, এই এক রাতের ইবাদতে তার চেয়েও অনেক বেশি সওয়াব পাওয়া যাবে। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা ‘আলফ’ তথা ‘হাজার’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। আলফ আরবি গণনার সর্বোচ্চ সংখ্যা।

শবেকদরের রাতে নির্দিষ্ট কোনো নফল ইবাদত আছে কিনা তার নির্ভরযোগ্য কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না। এ রাতে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, নফল নামাজ, দোয়া ইস্তিগফারে লিপ্ত থেকে কাটিয়ে দেয়া উচিত। মুসলিম সমপ্রদায়ের কাছে সওয়াব হাসিল ও গুনাহ্ মাফের রাত হিসাবে শবে কদরের ফজিলত অতুলনীয়।

তাফসিরের সহি কিতাবগুলোতে আছে, কদর আর এক অর্থে তকদির এবং পরিমাণ নির্ধারণ। এ রাত্রিতে পরবর্তী এক বছরের অবধারিত বিধিলিপি ব্যবস্থাপক ও প্রয়োগকারী ফেরেশতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রত্যেক মানুষের বয়স, মৃত্যু, রিযিক, বৃষ্টি ইত্যাদি পরিমাণ নির্দিষ্ট ফেরেশতাগণকে লিখে দেয়া হয়। মহান আল্লাহ এই রাত্রির ফযিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে একটি সূরা নাযিল করেন। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি পবিত্র কুরআন লাইলাতুল কদর রজনীতে অবতীর্ণ করেছি। (হে নবী) আপনি জানেন লাইলাতুল কদর রজনী কোনটি? কদরের রাতটি হাজার মাস থেকে উত্তম।’ (সুরাতুল কদর)। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘এ রাতের মর্যাদা এক হাজার মাস থেকে উত্তম।’ (মিশকাত, পৃষ্ঠা নং-১৭৩) মহানবী সা. আরও বলেন ‘যখন কদরের রাত উপস্থিত হয় তখন জিবরাঈল (আ.) বিরাট একদল ফেরেশতাসহ পৃথিবীতে আসেন।’ (মিশকাত, পৃষ্ঠা নং-১৮২)।

সূর্যাস্তের পর থেকে আরম্ভ হয়ে সুবহে সাদেক পর্যন্ত এ রাতে আল্লাহর খাস রহমত সর্বত্র বর্ষিত হতে থাকে। তবে মহানবী (সা.) বলেন, চার শ্রেণির লোককে আল্লাহ তায়ালা এ রাত্রিতে ক্ষমা করেন না। ১. শরাবখোর ২. মাতা-পিতার অবাধ্যচারী নাফরমান ৩. আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছেদকারী ও ৪. অপরের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতা পোষণকারী। (আততারগীব ২য় খণ্ড)। এ রাত্রিটি যাবতীয় অনিষ্ট ও বিপদাপদ থেকে শান্তিস্বরূপ। (ইবনে কাসীর)।