1_93581
আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশের অন্তর্গত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে (ইইজেড) সমুদ্র গবেষণায় নামছেন বাংলাদেশ ও ভারতের বিজ্ঞানীরা। এজন্য গোয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (এনআইও)-এর সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ সোমবার এনআইও-এর ডিরেক্টর এস. ডব্লিউ. এ. নাকভি জানিয়েছেন ‘আগামী অক্টোবর মাসে আমরা বাংলাদেশের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের আওতাধীন উত্তর বঙ্গোপসাগরে অভিযানে নামবো। এই অঞ্চলটি প্রায় ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত, যদিও এখানে আমাদের কোন প্রবেশাধিকার নেই।’

বিজ্ঞানীদের দাবি এই অঞ্চলে এর আগে কখনও গবেষণা করা হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশের বিজ্ঞানীরাই এই অভিযান সম্পর্কে যথেষ্ট আশাবাদী।

নাকভি জানান, ‘কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও কাউকেই এখানে গবেষণা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। অবশেষে আগামী অক্টোবরে ‘সিন্ধু সাধনা’ জাহাজে করে ভারত এবং বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এই সমুদ্র অভিযানে নামছেন। সমুদ্রের পানিতে যৌথভাবে এই গবেষণা পরিচালনা করবে এনআইও এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এটা একটা বহুমুখী অভিযান অর্থাৎ পানির প্রবাহ, স্রোত, জৈব রসায়ন- সমস্ত কিছুই পরীক্ষা করে দেখা হবে।

নাকভির মতে, ‘ভারত-বাংলাদেশ আমরা দুই দেশই একই পানির অংশীদার। পানি কোন সীমানা মানে না তাই বাংলাদেশের এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে কোন পরিবর্তন হলে আমাদের ওপরেও তার প্রভাব পড়বে।’

নৃপেন পোদ্দারঅন্যান্য
আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশের অন্তর্গত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে (ইইজেড) সমুদ্র গবেষণায় নামছেন বাংলাদেশ ও ভারতের বিজ্ঞানীরা। এজন্য গোয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (এনআইও)-এর সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ সোমবার এনআইও-এর ডিরেক্টর এস. ডব্লিউ. এ. নাকভি জানিয়েছেন 'আগামী অক্টোবর মাসে আমরা বাংলাদেশের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের আওতাধীন...