83615_151
নদীভাঙনে গৃহহারা মানুষের মনে নেই ঈদ-আনন্দ। নেই কেনাকাটা। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অবদা বাঁধ ও কেচি সড়কের দুপাশে বসতি স্থাপন করে বসবাস করছে এ ভাসমান মানুষরা। সরজমিনে দেখা গেছে, খোলা আকাশের নিচে মাথার ওপর ছেঁড়া পলিথিন বা দু-চারটা টিন দিয়ে চারদিকে কাপড় বা খড়ের বেরা দিয়ে কোন মতে ছাপরা দিয়ে ভয়াবহ কষ্টময় জীবনযাপনসহ চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। অর্থাৎ তাঁবুর বাসস্থানের মতোই তাদের জীবনের আনন্দ। কখন জানি এখান থেকে উঠে যেতে হয়। ঈদের দিনেও সন্তানের মুখে দুই মুঠো খাবার তুলে দিতে কাটাতে হয় ব্যস্ত এসব মানুষকে। একজনের আয়ে আহারের ব্যবস্থা হয় না বলে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও নদী থেকে খড়কুটো কুড়িয়ে বিক্রি, অন্যের বাড়িতে গৃহস্থালি কাজসহ বিভিন্ন কাজ করতে হয় তাদের। সেখানে নতুন পোশাকের স্বপ্ন তো সোনার হরিণ। ঈদ প্রসঙ্গে কথা হয় রাজারভিটা অবদা বাঁধে বসবাসরত শিশু সুমি (৮), বাবলু (৬), মিমি (১০) জানায়, ঈদে তাদের দেয়া হয় না নতুন কোন জামাকাপড়। এমনকি ঈদের দিন তাদের ঘরে সেমাই ও পোলাও মাংস রান্না হয় না। রমনাঘাট সড়কের ওপর বসতি স্থাপন করা ৫৫ বছর বয়সী রহিমা বলেন, বারবার নদীভাঙনের ফলে জন্মের পর থেকেই বাঁধ বা সড়কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাযাবরের জীবনযাপন করছি। আর এখন কাজ করি শুধু পেট বাঁচানোর জন্য তাই ঈদ বলে আলাদা কিছু নেই।

সুরুজ বাঙালীএক্সক্লুসিভ
নদীভাঙনে গৃহহারা মানুষের মনে নেই ঈদ-আনন্দ। নেই কেনাকাটা। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অবদা বাঁধ ও কেচি সড়কের দুপাশে বসতি স্থাপন করে বসবাস করছে এ ভাসমান মানুষরা। সরজমিনে দেখা গেছে, খোলা আকাশের নিচে মাথার ওপর ছেঁড়া পলিথিন বা দু-চারটা টিন দিয়ে চারদিকে কাপড় বা খড়ের বেরা দিয়ে কোন মতে ছাপরা দিয়ে...