4_92986
স্কুলভবন দেবে যাওয়ায় কিশোরগঞ্জ হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ১১ নং গণমানপুরুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর ক্লাস নেওয়া হয় গাছতলায়। আকাশে মেঘ জমলেই ছুটি দেওয়া বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯৮৩ সালে বেসরকারি রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর জাতীয়করণ হয়। ১৯৯৫ সালে সরকারি বরাদ্দে পাকা ভবন নির্মিত হয়। হোসেনপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু ইউসুফ ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, ভিম ফেটে দেবে যাওয়ায় ২০১৪ সালে বিদ্যালয়টিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারজন শিক্ষক দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে নিয়ে খোলা আকাশে গাছতলায় ক্লাস করাচ্ছেন।

প্রধান শিক্ষক মো. রুকুন উদ্দিন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, ভবনটি নির্মাণ করার পাঁচ বছর পর থেকেই ফাটল ধরলে ঝুঁকি নিয়েই বছরের পর বছর ক্লাস করানো হয়েছিল। বিদ্যালয় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার পর নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন করা হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে চার শতাধিক শিক্ষার্থী ও শতভাগ পাসের রেকর্ড থাকলেও এখন শিক্ষার্থী অর্ধেকে নেমে এসেছে। স্কুলের দরজা, জানালা, বেঞ্চ, চেয়ার চুরি হয়ে যাওয়ায় শিক্ষকদের দাঁড়িয়ে পাঠদান করতে হয়।

ওয়াজ কুরুনীস্বদেশের খবর
স্কুলভবন দেবে যাওয়ায় কিশোরগঞ্জ হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ১১ নং গণমানপুরুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর ক্লাস নেওয়া হয় গাছতলায়। আকাশে মেঘ জমলেই ছুটি দেওয়া বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯৮৩ সালে বেসরকারি রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর জাতীয়করণ হয়। ১৯৯৫ সালে সরকারি বরাদ্দে পাকা ভবন নির্মিত হয়। হোসেনপুর...