1436469958

বিআইডব্লিউটিসি’র ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এমভি মধুমতিসহ সাতটি বৃহত্ নৌযান দিয়ে এবার ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু হচ্ছে ১৪ জুলাই। মধুমতি ও বাঙ্গালী চলাচল করবে ঢাকা-বরিশাল নৌ-রুটে। অপর ৫টি প্যাডেল স্টিমারের মধ্যে এমভি শেলা চলাচল করবে বরিশাল-চাঁদপুর রুটে। বাকি ৪টি ঢাকা-মোরেলগঞ্জ-ভায়া চাঁদপুর-বরিশাল-হুলারহাট রুটে চলবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এমভি মধুমতি ও বাঙ্গালী হুলারহাট পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করবে বলে সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানিয়েছেন। একই সাথে ঐসব রুট থেকে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী পরিবহনের জন্য ঐ জাহাজ দু’টি সিডিউলে রাখা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি’র ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের সিডিউল অনুযায়ী ১৪ জুলাই ঢাকা থেকে পিএস মাহসুদ নিয়মিত সার্ভিসের যাত্রী পরিবহন করবে। ঐদিন এমভি বাঙ্গালী ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে রওনা হবে। একই দিন চাঁদপুর থেকে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে রওনা হবে এমভি শেলা। ঐদিন সদ্য নির্মিত এমভি মধুমতির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ১৫ জুলাই মধুমতি যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে বরিশালে যাবে। একই দিন নিয়মিত সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে মোরেলগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবে পিএস অস্ট্রিচ। ১৬ জুলাই নিয়মিত সার্ভিসে এমভি বাঙ্গালী ও স্পেশাল সার্ভিসে এমভি মধুমতি ঢাকা থেকে যাত্রী বহন করবে। ১৭ জুলাই পিএস মাহসুদ নিয়মিত সার্ভিসে ও পিএস টার্ন স্পেশাল সার্ভিসে যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে মোরেলগঞ্জ ও হুলারহাটের উদ্দেশে রওনা হবে। ১৮ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত স্পেশাল সার্ভিস না থাকলেও প্রতিদিন ঢাকা থেকে মোরেলগঞ্জ ও বরিশাল পর্যন্ত নিয়মিত সার্ভিসে একটি করে জাহাজ যাত্রী পরিবহন করবে। ঐ চারদিন ঢাকাগামী একাধিক নিয়মিত ও স্পেশাল সার্ভিসের জাহাজ যাত্রী পরিবহন করবে।

বরিশাল প্রান্ত থেকে ১৬ জুলাই ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী পরিবহন শুরু হচ্ছে। ঐদিন মধুমতি বরিশাল থেকে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে। ২০ জুলাই ঐ জাহাজটি হুলারহাট থেকে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে ঢাকায় রওনা হবে। ২১ জুলাই বরিশাল থেকে নিয়মিত সার্ভিসে থাকছে এমভি বাঙ্গালী। সাথে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে যাবে পিএস টার্ন। পরদিন ২২ জুলাই পিএস লেপচা নিয়মিত সার্ভিসে ও এমভি মধুমতি স্পেশাল সার্ভিসে ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল থেকে যাত্রী পরিবহন করবে। ২৫ জুলাই পর্যন্ত বরিশাল থেকে ঈদ স্পেশাল সার্ভিস অব্যাহত থাকবে বলে বিআইডব্লিউটিসি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

উপকূলীয় সার্ভিসে থাকা এমভি আব্দুল মতিন ও এমভি মনিরুল হক ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে হাতিয়া ও সন্দ্বীপ রুটে স্পেশাল সার্ভিস প্রদান করবে। একই সাথে এমভি বার আউলিয়া গুপ্তছড়া-সন্দ্বীপ ও হাতিয়া রুটে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করবে। এছাড়া বরিশাল-মজুচৌধুরীর হাট, মনপুরা-শশীগঞ্জ, ইলিশা-মজুচৌধুরীর হাট, চরচেঙ্গা-বয়ারচর, বয়ারচর-হাতিয়া ও কুমিরা-গুপ্তছড়া রুটে সী-ট্রাক চলাচল করবে। ১৪ জুলাই থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, শিমুলিয়া-চরজানাযাত, চাঁদপুর-শরীয়তপুর, ভোলা-লক্ষ্মীপুর, লাহারহাট-ভেদুরিয়া, মতলব-গজারিয়া রুটে অতিরিক্ত ফেরি সার্ভিস প্রদান করা হবে।

এবার ভরা বর্ষা মৌসুমে ঈদ হওয়ায় নৌ-যানগুলোকে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার আহবান জানিয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়। নৌ-পথ উত্তাল থাকায় যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে কোনো নৌযানে না ওঠার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

শুভ সমরাটজাতীয়
  বিআইডব্লিউটিসি’র ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এমভি মধুমতিসহ সাতটি বৃহত্ নৌযান দিয়ে এবার ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু হচ্ছে ১৪ জুলাই। মধুমতি ও বাঙ্গালী চলাচল করবে ঢাকা-বরিশাল নৌ-রুটে। অপর ৫টি প্যাডেল স্টিমারের মধ্যে এমভি শেলা চলাচল করবে বরিশাল-চাঁদপুর রুটে। বাকি ৪টি ঢাকা-মোরেলগঞ্জ-ভায়া চাঁদপুর-বরিশাল-হুলারহাট রুটে চলবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এমভি...