মাতৃদুগ্ধ-বিকল্প শিশুখাদ্য বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ আইন বেশি লঙ্ঘন করে চিকিৎসকদের একটি অংশ। শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে উৎসাহিত না করে কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে ব্যবস্থাপত্রে তাঁরা গুঁড়ো দুধ ও অন্যান্য শিশুখাদ্যের নাম লেখেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘মাতৃদুগ্ধ-বিকল্প শিশুখাদ্য বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩-এর আলোকে গ্রামাঞ্চলে অংশীদারদের ভূমিকা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে কয়েকজন পুষ্টিবিদ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এ অভিযোগ করেন।
বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক এ বছর যশোর ও সিলেটের চারটি উপজেলায় গবেষণা করেছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিকল্প শিশুখাদ্যের ব্যবহার শুরু হয়: সন্তান প্রসবের পর যখন মায়ের বুকে দুধ আসতে বিলম্ব হয় এবং কর্মজীবী মায়েরা যখন কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেন। এ সুযোগ নেন চিকিৎসক ও কোম্পানিগুলো।
একাধিক আলোচক বলেন, দেশে মাতৃদুগ্ধ পানের হার বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হচ্ছে কোম্পানিগুলোর শক্তিশালী বিপণন কৌশল। এর ফলে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর বদলে গুঁড়ো দুধের দিকেই আকৃষ্ট হচ্ছেন মা ও অভিভাবকেরা। তাঁরা বলেন, শুধু আইন দিয়ে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব না। এর জন্য চিকিৎসকের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। বুকের দুধের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা প্রচারণা চালাতে হবে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল হান্নান। ব্র্যাকের ভাইস চেয়ারপারসন আহমেদ মোস্তাক রাজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন এস কে রায়, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক মো. শাহ নেওয়াজ বক্তব্য দেন।

শুভ সমরাটস্বাস্থ্য কথা
মাতৃদুগ্ধ-বিকল্প শিশুখাদ্য বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ আইন বেশি লঙ্ঘন করে চিকিৎসকদের একটি অংশ। শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে উৎসাহিত না করে কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে ব্যবস্থাপত্রে তাঁরা গুঁড়ো দুধ ও অন্যান্য শিশুখাদ্যের নাম লেখেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘মাতৃদুগ্ধ-বিকল্প শিশুখাদ্য বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩-এর আলোকে গ্রামাঞ্চলে অংশীদারদের ভূমিকা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন...