সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচার জন্য ৪০ লাখের বেশি মানুষ পালিয়ে অন্যান্য দেশে শরণার্থী হয়েছে। তারা দেশটির মোট জনসংখ্যার ছয় ভাগের এক ভাগ। কেবল গত ১০ মাসেই সিরিয়া ছেড়ে তুরস্কে প্রবেশ করেছে ১০ লাখ মানুষ। জাতিসংঘ গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপি ও বিবিসির।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি একটিমাত্র লড়াইয়ে এক প্রজন্মের সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষের শরণার্থী হওয়ার ঘটনা। তারা বিশ্ববাসীর সহায়তা পাওয়ার পরিবর্তে শোচনীয় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে এবং ক্রমে গভীরতর দারিদ্র্যে নিমজ্জিত হচ্ছে। এই প্রজন্মের জন্য এটি নিকৃষ্টতম মানবিক বিপর্যয়।’
ইউএনএইচসিআর প্রধানের বিবৃতিতে বলা হয়, পরিস্থিতির অবনতির কারণে ইউরোপসহ অন্যান্য অঞ্চলে পাড়ি দেওয়া মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে।
জাতিসংঘের সংস্থাটি জানায়, প্রতিবেশী দেশগুলোতে সিরীয় শরণার্থীর সংখ্যা বর্তমানে ৪০ লাখ ১৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত বছরের আগস্টেও এ সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ। যে হারে মানুষ সিরিয়া ছেড়ে যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে বিভিন্ন দেশে দেশটির শরণার্থীর সংখ্যা চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৪২ লাখ ৭০ হাজারে উঠতে পারে।

ওয়াজ কুরুনীআন্তর্জাতিক
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচার জন্য ৪০ লাখের বেশি মানুষ পালিয়ে অন্যান্য দেশে শরণার্থী হয়েছে। তারা দেশটির মোট জনসংখ্যার ছয় ভাগের এক ভাগ। কেবল গত ১০ মাসেই সিরিয়া ছেড়ে তুরস্কে প্রবেশ করেছে ১০ লাখ মানুষ। জাতিসংঘ গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপি ও বিবিসির। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রধান আন্তোনিও...