5_92738
চাঁদাবাজির অভিযোগে হাতেনাতে আটক হওয়ার পরও ছাড়া পেয়েছেন ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা। তবে একই সময় গ্রেফতার হওয়া ১০ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল সকাল ১০টার দিকে রাজধানী সুপার মার্কেটে কয়েকজন চাঁদাবাজ বিভিন্ন দোকান থেকে বল প্রয়োগের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করছে এবং কোথাও কোথাও চাঁদা না পেয়ে তারা ভাঙচুর চালাচ্ছে- এমন খবর পেয়ে র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে এবং র্যাব-১০-এর সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম আম্বিয়া মাহমুদের উপস্থিতিতে একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক করা হয় যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জনকে। পরে রেজাকে ছেড়ে দিয়ে অন্য ১০ জনকে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন সানাউল করিম (২৭), আবদুল হক (৫৪), এনায়েত হোসেন ওরফে বাবু (৪৮), কামাল উদ্দিন (৫৬), আরিফ (৪৪), আহসানুল্লাহ (৪০), জহিরুল ইসলাম জহির (২৮), মো. আলী হোসেন ওরফে মন্টু (৩৬), সাদাফ শাহরিয়ার হাসান (২৩) ও ফারুক হোসেন বাবু (২৯)। তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৫ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আটজনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চার নম্বর আসামি কামাল উদ্দিন ও পাঁচ নম্বর আসামি আরিফকে দেড় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, গ্রেফতার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজি করে আসছিল।

অর্ণব ভট্টঅন্যান্য
চাঁদাবাজির অভিযোগে হাতেনাতে আটক হওয়ার পরও ছাড়া পেয়েছেন ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা। তবে একই সময় গ্রেফতার হওয়া ১০ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল সকাল ১০টার দিকে রাজধানী সুপার মার্কেটে কয়েকজন চাঁদাবাজ বিভিন্ন দোকান থেকে বল প্রয়োগের মাধ্যমে চাঁদা...