1436256491
ভিনেগার মূলত এসিটিক এসিড ও পানির মিশ্রণে তৈরি। চিনি বা ইথানলকে গাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসিটিক এসিডে পরিণত করা হয়। বাজারে সাধারণত দুই ধরনের অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার পাওয়া যায়। এর একটি হচ্ছে পরিশোধিত এবং অন্যটি হচ্ছে অপরিশোধিত। অপরিশোধিত আপেল সাইডার ভিনেগার অনেক বেশি উপকারী এবং কার্যকর। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম রয়েছে। এতে কোনো চর্বি ও আমিষ নেই। তাই এটি খেলে ওজন কমে। এছাড়া রক্তে শর্করা কমাতেও সাহায্য করে এটি।

জেনে নিন আপেল সাইডার ভিনেগারের আরও নানা স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা-

ওজন কমায়
আপেল সাইডার ভিনেগার হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে সহজেই ওজন কমে। তাই ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত আমাদের এই ফলটি খাওয়া উচিত।

ত্বককে সুরক্ষা দেয়
আপেল সাইডার ভিনেগারে অ্যান্টিফাংগাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে যা বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। একইসঙ্গে ত্বক, পা, এবং পায়ের নখকেও সুরক্ষা দেয় এটি। এছাড়া বয়সের ছাপসহ ত্বকের যে কোন সমস্যা দূর করতেও ভূমিকা রাখে আপেল সাইডার ভিনেগার।

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে
গবেষণায় দেখা গেছে, আপেল সাইডার ভিনেগার ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রাকে বাড়ায়। কাজেই রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটির বিকল্প নেই।

হাড় মজবুত করে
এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে যা হাড়কে মজবুত এবং শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
শরীরে রক্তচাপের মাত্রা উচ্চ কিংবা নিম্ন যাই হোক না কেন এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে আপেল সাইডার ভিনেগার। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে খেলে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে
আপেল সাইডার ভিনেগারে অ্যান্টি-গ্লাইসেমিয়া নামে এমন এক ধরনের উপাদান রয়েছে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর ফলে হজমশক্তি বাড়ার পাশাপাশি রক্তে সুগারের পরিমাণও ঠিক থাকে।

চুলের যত্নে
এতে অ্যাসিটিক অ্যাসিড রয়েছে যা মাথার ত্বকের পিএইচকে ঠিক রাখে। এছাড়া খুশকি দূর করে চুলকে আরও বেশি ঝলমলে করে তুলতে ভূমিকা রাখে আপেল সাইডার ভিনেগার।

মুখ পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে
অ্যাসিডিক উপাদান থাকার কারণে পানির সঙ্গে একটু আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে মুখ দিয়ে আর বাজে কোন গন্ধ হয় না।

সর্তকতা
আধুনিক যুগে আপেল সাইডার ভিগার ওষুধ এবং একটি সুপার খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তারপরও এটি ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ বেশি পরিমাণে এর ব্যবহারে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। কাজেই সুস্থ থাকতে এটি সীমিত ব্যবহারের দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরী।

– আপেল সাইডারভিনেগার পিল কিংবা তরল যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন তা বেশি খেলে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার চুমুক দিয়ে খেলে দন্তমূলেরও ক্ষতি হতে পারে।
– বেশি পরিমাণে এটি খেলে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রাটা অনেক নিচে নেমে যায়।
– আপেলে যাদের এলার্জি আছে তাদের এটি এড়িয়ে চলাই বেশি ভালো।
– এটি বেশি করে লাগানোর কারণে কখনও কখনও ত্বক পুড়ে যেতে পারে।
– অতিরিক্ত আপেল সাইডার ভিনেগারের কারণে পাকস্থলী এবং লিভারের মারাত্নক ক্ষতি হতে পারে।

ওয়াজ কুরুনীস্বাস্থ্য কথা
ভিনেগার মূলত এসিটিক এসিড ও পানির মিশ্রণে তৈরি। চিনি বা ইথানলকে গাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসিটিক এসিডে পরিণত করা হয়। বাজারে সাধারণত দুই ধরনের অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার পাওয়া যায়। এর একটি হচ্ছে পরিশোধিত এবং অন্যটি হচ্ছে অপরিশোধিত। অপরিশোধিত আপেল সাইডার ভিনেগার অনেক বেশি উপকারী এবং কার্যকর। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,...