1436205845
ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে গণভবনের সবুজ চত্বরে রাজনীতিকদের মিলন মেলা বসেছিল। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে গতকাল সোমবার ইফতার মাহফিলে শামিল হয়ে নেতারা মেতেছিলেন খোশগল্পে। তাদের ব্যক্তিগত আলোচনায় যেমন স্থান পেয়েছে দেশের সর্বশেষ রাজনীতি, তেমনি পরস্পরের কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত ছিলেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইফতারের ১৬ মিনিট আগে ৬টা ২৮ মিনিটে ইফতার মাহফিল স্থলে উপস্থিত হন। তিনি বিভিন্ন টেবিলে ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। আমন্ত্রিত অতিথিরাও কুশলাদি জানতে চান।

সোমবার রাজনীতিবিদদের সম্মানে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর ইফতার মাহফিলে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল এবং প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা) ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা যোগ দেন। তবে বিএনপির বিরোধী জোটের কোন নেতা যোগ দেননি প্রধানমন্ত্রীর ইফতার মাহফিলে। ইফতার মাহফিলের শুরুতেই দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, শহীদ চার জাতীয় নেতা এবং ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ ও সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান।

গণভবনের সামনে সবুজ চত্বরে স্থাপিত বিশাল প্যান্ডেল রাজনীতিকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঞ্চে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচএম এরশাদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বিএনপির সাবেক নেতা এবং বর্তমানে বাংলাদেশ ন্যাশনাল এলায়েন্স (বিএনএ) এর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগ নেতা লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা রুহুল আমিন হাওলাদার, গণতন্ত্রী পার্টির নুরুর রহমান সেলিম, শহীদুল্লাহ শিকদার, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আনিসুর রহমান মল্লিক, তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুর বশর মাইজভান্ডারী, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ, সিপিবি নেতা মঞ্জুরুল আহসান খান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান শওকত হোসেন নিলু ছাড়াও সংসদ সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতীলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ এবং স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের নেতৃবৃন্দ ইফতারে শরীক হন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরাও ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।

ওয়াজ কুরুনীজাতীয়
ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে গণভবনের সবুজ চত্বরে রাজনীতিকদের মিলন মেলা বসেছিল। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে গতকাল সোমবার ইফতার মাহফিলে শামিল হয়ে নেতারা মেতেছিলেন খোশগল্পে। তাদের ব্যক্তিগত আলোচনায় যেমন স্থান পেয়েছে দেশের সর্বশেষ রাজনীতি, তেমনি পরস্পরের কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত ছিলেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইফতারের ১৬...