image_241288.menon-1

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশ সফরে আসতে বিদেশি পর্যটকদের উৎসাহিত করতে ইতিবাচক দিকে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মেনন বলেন, পর্যটন শিল্পের সমস্যা চিহ্নিত করার পাশাপাশি মিডিয়াকে বাংলাদেশের অর্জন তুলে ধরতে হবে। এতে আমরা দেশে বিদেশী পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারব।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর হোটেল অবকাশে পর্যটন ফেলোশিপ-২০১৫ সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে একথা বলেন।
বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের সহযোগিতায় বাংলাদেশ এভিয়েশন এন্ড টুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম সাংবাদিকদের জন্য ফেলোশীপ কর্মসূচির আয়োজন করে। প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক মিডিয়ার দশ জন রিপোর্টার এই ফেলোশীপ লাভ করেন।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী, বিটিবি’র সিইও আখতারুজ্জামান খান কবির, বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম, এটিজেএফবি’র সভাপতি নাদিরা কিরন, সহ-সভাপতি মুজিব মাসুদ এবং জেনারেল সেক্রেটারি তানজিম আনোয়ার বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাশেদ খান মেনন বলেন, সরকার যোগাযোগ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এতে অঞ্চলে কক্সবজার হতে এই অঞ্চলের পর্যটনের কেন্দ্রস্থল। সরকার গৃহীত পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে টেকনাফ হয়ে দোহাজারি থেকে গুনদুম পর্যন্ত রেলওয়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে। কক্সবাজার শহরকে আরো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ৪ লেন সড়ক, চট্টগ্রাম কক্সবাজার টেকনাফ দুই লেন বিশিষ্ট ম্যারিন ড্রাইভওয়ে নির্মাণ এবং কক্সবাজার বিমানবন্দরকে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি বিমানবন্দর করা হবে।
তিনি বলেন, পর্যটকদের উপস্থিতি বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের সমন্বয়ে চার দেশের মধ্যে সম্প্রতি একটি মোটর ভেহিকেল চুক্তি স্বাক্ষর হয়েঠে।
মেনন বলেন, সরকার স্থানীয় ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আন্তরিক।
তবে তিনি বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পে উন্নয়নের ক্ষেত্রে এর টুরিজম ইয়ার-২০১৬ পালনে সরকারি কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে আর্থিক সমস্যাই বাধা হয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সরকার পর্যটন বর্ষ উপলক্ষে নেয়া কর্মসূচি বাস্তবায়নে আন্তরিক। এ সময়ে দশ লাখ পর্যটকের দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, টুরিজম বর্ষ সফল করতে সরকারকে সহায়তা মিডিয়াসহ সকল স্টক হোল্ডারকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
পরে মন্ত্রী অনুষ্ঠানে ফেলোশিপ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার স্বীকৃতি হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। প্রত্যেক রিপোর্টার ৬০ হাজার টাকার একটি চেক পান।
পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র সংবাদদাতা শরিফুল হাসান, ইউএনবি’র সিনিয়র সংবাদদাতা একেএম মইনউদ্দিন, দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র সংবাদদাতা মিজান চৌধুরী, কালের কণ্ঠ’র মাসুদ রুমী, ভোরের কাগজের ইমরান পাটোয়ারী, সমকালের কামরান সিদ্দিকী, ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির নিলান্দ্রি মহারত্ন, এটিএন নিউজের রাজীব ঘোষ, সময় টিভির ইমতিয়াজ আহমেদ এবং বিটিভি’র খালিদ হাসান।

ওয়াজ কুরুনীজাতীয়
বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশ সফরে আসতে বিদেশি পর্যটকদের উৎসাহিত করতে ইতিবাচক দিকে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মেনন বলেন, পর্যটন শিল্পের সমস্যা চিহ্নিত করার পাশাপাশি মিডিয়াকে বাংলাদেশের অর্জন তুলে ধরতে হবে। এতে আমরা দেশে বিদেশী পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারব। মন্ত্রী আজ রাজধানীর হোটেল...