বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
Uncategorized

এখনো হাসপাতালেই সালাহ উদ্দিন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০১৫
  • ১৬ দেখা হয়েছে

আইনি হেফাজতে নেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো ভারতের শিলংয়ের নেগ্রিমস হাসপাতালে রয়েছেন বিএনপির নেতা সালাহ উদ্দিন আহমদ। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় নেগ্রিমসের চিকিৎসকেরা তাঁকে হাসপাতালে রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।
নেগ্রিমসের (নর্থ ইস্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজওনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস) পরিচালক এ জে এহেনগার ও সালাহ উদ্দিন আহমদের আইনজীবী এস পি মাহান্তা আজ সন্ধ্যায় শিলং থেকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।
এ জে এহেনগার জানান, বুকের ব্যথার পাশাপাশি ডায়রিয়ায় ভুগছেন সালাম উদ্দিন আহমদ। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর জন্য গঠিত চিকিৎসকদের বোর্ড তাঁকে হাসপাতালে রাখতে চাইছেন।
এদিকে এস পি মাহান্তা জানান, সালাহ উদ্দিন আহমদের জামিন চেয়ে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের শুনানি আগামীকাল শুক্রবার স্থানীয় আদালতে অনুষ্ঠিত হবে। ২২ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি এই আবেদন জানান। সরকার পক্ষের কৌঁসুলি জামিনের বিরোধিতা করেন। তবে বিচারক মামলার নথি আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।
গতকাল বুধবার দুপুরে শিলংয়ের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম লিংদো নংব্রি বিএনপির নেতাকে দুই সপ্তাহের জন্য আইনি হেফাজতে (কারাগারে) পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুই সপ্তাহ পর শুনানির জন্য তাঁকে আবার আদালতে হাজির করতে বলা হয়। তবে আদালতে হাজিরের পর সালাহ উদ্দিন বুকে ব্যথা অনুভবের বিষয়টি উল্লেখ করায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তাঁর শুশুষ্রার নির্দেশ দেন আদালত। এর পর জেলে পাঠানোর ছয় ঘণ্টার মাথায় বুধবার রাতে তাঁকে আবার নেগ্রিমসে পাঠানো হয়।

১১ মে ভোরে সালাহ উদ্দিন আহমদকে উদ্ভ্রান্ত অবস্থায় ঘুরতে দেখে শিলংয়ের গলফ-লিংক এলাকার লোকজন পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে পাস্তুর পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে তাঁর প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য নেওয়া হয় সেখানকার সিভিল হাসপাতালে। এরপর শিলং সদর পুলিশ থানা হয়ে নেওয়া হয় মানসিক হাসপাতাল মিমহানসে। এক দিন পর মিমহানস থেকে আবার তাঁকে পাঠানো হয় সিভিল হাসপাতালে। ২০ মে সিভিল হাসপাতাল থেকে সালাহ উদ্দিন আহমদকে নেগ্রিমসে আনা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার পর পুলিশ গত মঙ্গলবার বিএনপির এই নেতাকে শিলং সদর থানা হেফাজতে নিয়ে গিয়েছিল।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী

© All rights reserved by Crimereporter24.com
themesba-lates1749691102