untitled-6_91013
সেন্ট্রাল উইকেটে ব্যাটিং অনুশীলনে কখনো কাট, কখনো সুইপ, কখনো হুক খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। আবার স্কয়ার লেগে উড়িয়েও মারছিলেন। উইকেটের অপর প্রান্ত থেকে এক নাগারে বল থ্রো করছিলেন রিচার্ড হালসাল। প্রথমে পা লক্ষ্য করে, পরে টানা শর্ট বল করেন ফিল্ডিং কোচ। মুশফিকও বলগুলোকে যথাযথ ঠিকানায় পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন। টেস্ট অধিনায়ক যখন ব্যাটিং অনুশীলন করছিলেন, তখন অন্যরা ব্যস্ত ফিল্ডিং কিংবা বোলিংয়ে। বরাবরই অনুশীলনে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রমী মুশফিক। অনুশীলনের বাধ্যবাধকতা না থাকলেও মিরপুরের ইনডোরে ব্যস্ত সময় পার করেন টেস্ট অধিনায়ক। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটসম্যানও তিনি। নিয়মিত পারফর্ম করায় সমর্থকদের কাছে তিনি ‘মি. ডিপেন্ডেবল’। কিন্তু এই ‘মি. ডিপেন্ডেবল’ ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ওয়ানডেতে ১১০ গড়ে ২২০ রান করেছিলেন মুশফিক। কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে তিন ওয়ানডেতে রান মাত্র ৬৯। অবশ্য টি-২০তে দেশসেরা ব্যাটসম্যানের রেকর্ড খুব ভালো নয়। ৩৯ ম্যাচের ক্যারিয়ারে গড় ২০ এর নিচে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের আগে অনেক সিরিয়াস ‘মি. ডিপেন্ডেবল’। অবশ্য শুধু মুশফিক কেন, গোটা দলকে ভীষণ সিরিয়াস দেখা গেল। পাকিস্তান ও ভারতের বিরুদ্ধে টানা দুই সিরিজ জিতেও টাইগারদের অনেক ক্ষুধার্ত মনে হলো। অনুশীলনে ক্রিকেটারদের দেখে মনে হচ্ছিল যেন অনেক দিন কোনো জয় পায়নি বাংলাদেশ! তবে আবার অনুশীলন শেষে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। একে অপরের সঙ্গে রসিকতা করছেন, হাসছেন। মাশরাফির নেতৃত্বে আমূল পাল্টে গেছে দল। টিভি পর্দার ‘রাশভারী’ নড়াইল ‘এক্সপ্রেসকে’ কাল অনুশীলনে বেশ ক্লান্ত লাগছিল। তারপরও রসিকতা করে এক মিডিয়াকে ডেকে বললেন, ‘ফেসবুকে আপনার সানগ্লাস পড়া ছবিটা কিন্তু দারুণ হয়েছে।’ -মাশরাফি এমনই। আর অধিনায়কের এই গুণ যেন এখন ছড়িয়ে গেছে গোটা দলে। ক্রিকেটাররা এখন অনেক আত্মবিশ্বাসী-আত্মপ্রত্যয়ী। শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছিল। দলে সিনিয়র-জুনিয়রের পার্থক্যটা খুব একটা বোঝা যায় না। যে সুযোগ পাচ্ছে সে-ই পারফর্ম করছে। তরুণ ক্রিকেটাররা দলে ঢুকেই ভয়ডরহীন ক্রিকেট উপহার দিচ্ছেন। সৌম্য সরকার কিংবা সাব্বির আহমেদের খুনে মেজাজের ব্যাটিং দেখে কে বলবে মাত্র কয়েক মাস আগেই তাদের জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে। আর ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজে নতুন করে আবির্ভূত হয়েছেন মুস্তাফিজ। কী ভয়ঙ্কর তার কাটার!

তাহসিনা সুলতানাখেলাধুলা
সেন্ট্রাল উইকেটে ব্যাটিং অনুশীলনে কখনো কাট, কখনো সুইপ, কখনো হুক খেলছিলেন মুশফিকুর রহিম। আবার স্কয়ার লেগে উড়িয়েও মারছিলেন। উইকেটের অপর প্রান্ত থেকে এক নাগারে বল থ্রো করছিলেন রিচার্ড হালসাল। প্রথমে পা লক্ষ্য করে, পরে টানা শর্ট বল করেন ফিল্ডিং কোচ। মুশফিকও বলগুলোকে যথাযথ ঠিকানায় পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন। টেস্ট অধিনায়ক যখন...