lichis_89795
বাজারে যত দ্রুত লিচু তোলা যাবে, ততো বেশি দামে বিক্রি হবে, ততো বেশি লাভ হবে- এই আশায় দ্রুত পাকানোর জন্য ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক। আর তাদের এই লোভের কারণেই দিনাজপুরে লিচু খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ শিশুর।

গত এক মাসে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া ১১ শিশুর মধ্যে ৮ শিশুরই মৃত্যু হয়েছে লিচু খেয়ে। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) গবেষণা বলছে, লিচুতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারই ওই ৮ শিশুর মৃত্যুর কারণ। গেলো কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনাজপুরে চলা আইইডিসিআর’র পরীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়াও লিচু খাওয়ায় মারা না গেলেও এমন কীটনাশকের উপস্থিতি মিলেছে স্থানীয় আরো অনেকের শরীরে।

রোগতত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর পরিচালক ড. মাহমুদুর রহমান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘এখানকার অর্ধেক লিচু বাগানকেন্দ্রিক। যারা কীটনাশক স্প্রে করে, আমাদের ধারণা এগুলো মাত্রাতিরিক্তভাবে করে এবং এক্ষত্রে কোনো নিয়ম মানা হয় না।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষক দল জেলার বীরগঞ্জ, কাহারোল, খানসামা, বিরোল ও চিরিরবন্দর উপজেলার লিচু বাগানে পরীক্ষা চালিয়ে দেখতে পায় ২৩ ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হয় এখানে।

ড. মাহমুদুর রহমান দিনাজপুরে কোনো বিশেষ ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করে বলে ধারণা প্রকাশ করেন। তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, শুধু লিচুতে নয়, বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করা প্রায় সব ফলে কিংবা ফসলে ব্যবহার করা হয় কীটনাশক। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারে হয় বিপত্তি। তবে শিশুদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারা দ্রুত আক্রান্ত হয়। তাই বাগানে ফল না খাওয়া আর খেলেও তা আগে ধুয়ে নেয়ার পরামর্শ এই বিশেষজ্ঞের।

সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা এই ধরনের অবস্থা দেখছি ২০০৯ সালে ধামরাইতে, নওগাঁতে ২০০৮ সালে, ২০১২ তে দিনাজপুরে এবং ২০১৫ সালেও দিনাজপুরে।

তাহসিনা সুলতানাজাতীয়
বাজারে যত দ্রুত লিচু তোলা যাবে, ততো বেশি দামে বিক্রি হবে, ততো বেশি লাভ হবে- এই আশায় দ্রুত পাকানোর জন্য ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক। আর তাদের এই লোভের কারণেই দিনাজপুরে লিচু খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ শিশুর। গত এক মাসে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া ১১ শিশুর মধ্যে...