1435171630
মৌসুমের শুরুতে সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন নদ-নদীতে ধরা পড়তে শুরু করেছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার জেলে পল্লীর মানুষগুলোর মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। মংলাসহ সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন লোকালয়ের বাজারে আসতে শুরু করেছে সাগরে ইলিশ মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলো। তবে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়লেও দাম বেশি বলে দাবি স্থানীয় ক্রেতাদের। মংলা বাজারের কয়েকজন ইলিশ দাদন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আষাঢ় থেকে আশ্বিন মাসে ইলিশের আমদানি হয় প্রচুর। সাগর থেকে প্রতিদিন ইলিশ নিয়ে ২০/২৫টি ট্রলার ভেড়ে এ অঞ্চলের বিভিন্ন মত্স্য অবতরণ কেন্দ্রে।

মংলা উপজেলা মত্স্য বিভাগ সূত্র জানা গেছে, ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ হলেও ইলিশ আহরণ কাজে নিয়োজিত জেলেরা কোন জাটকার দেখা পাচ্ছে না। মৌসুম শুরুতেই পশুর ও সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকায় বড় বড় ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। এখানকার বিভিন্ন হাটবাজারে বড় আকারের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে ১২শ’ টাকা দরে। ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ছয়শ’ থেকে সাতশ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মংলার চিলা গ্রামের বাসিন্দা জেলে আঃ হালিম ও ইসমাইলসহ কয়েকজন বলেন, মৌসুমের শুরুতে যেভাবে ইলিশ ধরা পড়ছে তা অব্যাহত থাকলে দাম অনেকটা কমে আসবে।

এ ব্যাপারে উপকূলীয় মত্স্যজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইদ্রিস আলী বলেন, গত ২/৩ দিনের বৃষ্টির কারণে সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে জেলেদের জালে। ফলে জেলেদের মাঝে দেখা দিয়েছে স্বস্তি। মত্স্যজীবীদের এ নেতা বলেন, সাগরে দস্যুতা বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

মংলা উপজেলা সহকারী মত্স্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার দেব জানান, রবিবার দিনগত রাত থেকে স্থানীয় জেলেরা বলেশ্বর নদীসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর ইলিশ আহরণ করেছেন।

তাহসিনা সুলতানাজাতীয়
মৌসুমের শুরুতে সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন নদ-নদীতে ধরা পড়তে শুরু করেছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার জেলে পল্লীর মানুষগুলোর মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। মংলাসহ সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন লোকালয়ের বাজারে আসতে শুরু করেছে সাগরে ইলিশ মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলো। তবে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়লেও দাম বেশি বলে দাবি স্থানীয়...