শিরোনাম
সুস্থ মুশতাকের হঠাৎ মৃত্যু অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে : ড. কামালবেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বন্ধ পাটকল চালুর নীতিতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিস্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশায় এলো স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীবিমান বাহিনীর বার্ষিক শীতকালীন মহড়া ‘উইনটেক্স-২০২১’ শুরুপ্রকল্প পরিচালকদের এলাকায় অবস্থান করতে হবে : শিল্পমন্ত্রীপাহাড়ে খালি সেনাক্যাম্পে পুলিশ মোতায়েন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীবীমা পদ্ধতির আধুনিকায়নে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীরপ্রেসক্লাবের নিরাপত্তা রক্ষায় আরও সজাগ থাকতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীপ্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজনগণফোরামের সভাপতি থেকে ড. কামালকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব

রাজধানীতে মৌসুমী ভিক্ষুকের জোয়ার

1435124774_th
রাজধানীতে মৌসুমী ভিক্ষুকের জোয়াররাজধানীর গুলশান লিংক রোডের গুলশান লেক পাড় এলাকায় দেখা যায় ফুটপাথে শুয়ে-বসে ভিক্ষা করছেন ভিক্ষুকরা। এদের মধ্যে একজন আবার টেপ রেকর্ড বাজিয়ে ভিক্ষা করেন। বিচিত্র দুনিয়া! ডিজিটাল যুগ বলে কথা। এমনই দৃশ্য রাজধানীর সর্বত্র। রমজান উপলক্ষে এর মাত্রা আরো বেড়েছে। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে ছুটে আসছে অসংখ্য ভিক্ষুক। বিভিন্ন রাস্তার মোড়, মার্কেটের গেট এবং ফুটপাতে বসে চলছে তাদের ভিক্ষাবৃত্তি। এসব মৌসুমী ভিক্ষুকের পীড়াপীড়িতে অতিষ্ট নগরবাসী।
রমজানে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সিয়াম সাধনার পাশাপাশি বেশি বেশি দান খয়রাত করে ধর্মপ্রাণ মানুষ। যে কারণে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় রাজধানীতে ভিক্ষুকদের আয়-রোজগারও বেশ। এর ফলে বাড়তি আয়ের আশায় নিয়মিত ভিক্ষুকদের পাশাপাশি প্রতিদিনই এ নগরীতে ছুটে আসছে অসংখ্য মৌসুমী ভিক্ষুক। এদের বেশিরভাগই বছরের অন্য সময় কাজ করলেও বাড়তি আয়ের আশায় রমজান মাসে হয়ে যায় ভিক্ষুক।
বিভিন্ন সিগনাল পয়েন্টে, ফুটপাতে এবং মার্কেটের সামনে অবস্থান নেয় মৌসুমী ভিক্ষুকরা। মানুষের অনুগ্রহ পেতে শিশুকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কোলে করেও চলে ভিক্ষাবৃত্তি।
মৌসুমী ভিক্ষুকের পাশাপাশি মসজিদ ও এতিমখানার নাম ভাঙিয়েও চলে টাকা আদায়। এক্ষেত্রে রসিদও দেয়া হয় না। টাকা আদায় নিয়ে ভিক্ষুক এবং এই কথিত হুজুরদের সঙ্গে প্রায়ই পথচারীদের ঝগড়াও লেগে যায়। শারীরিকভাবে কর্মঠ হলেও বাড়তি রোজগারের আশায় ভিক্ষার হাত পাতছেন এরা সবাই। ধর্মীয় অনুভূতির সুযোগ নিয়ে কেউ যেন প্রতারণা করতে না পারে, সেজন্য সোচ্চার হচ্ছেন অনেকে।
ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল-মাসউদ  বলেন, এসব ভিক্কুক প্রফেশনাল, এদের আমি ভিক্ষা দেইনা।
বলেন, ভিক্ষুকতো এখন আবার শ্রেণীভাগ করা। প্রকৃত আর সাজানো। প্রকৃত যারা তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা দরকার। তবে সমস্যা হলো রাজধানীতে ভিক্ষাবৃত্তিটা লাভজনক পেশায় পরিণত হয়ে গেছে। তাই সহজে ভিক্ষুকরা এ পথ থেকে সরে আসবে বলে আশা করা যায়না।    ডিএমপি অধ্যাদেশ অনুসারে শিশু ভিক্ষাবৃত্তিসহ সকল প্রকার ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ। তা ছাড়াও এই অধ্যাদেশটি কার্যকর করতে হাইকোর্ট বিভাগের একটি আদেশও রয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই ঘটছে এসব বেআইনি কাজ। প্রশাসন এ বিষয়ে উদাসীন।